Saturday, March 27, 2021

ইমাম মাহদী (আ.)-এর সমিপে “আরিজা” // সংগ্রহ: মিনহাজউদ্দিন মন্ডল //


بسْمِ اللَّهِ الرَّحْمنِ الرَّحيمِ

كَتَبْتُ يَا مَوْلاَيَ صَلَواتُ اللَّهِ عَلَيْكَ مُسْتَغيثاً، وَشَكَوْتُ مَا نَزَلَ بي مُسْتَجيراً بِاللَّهِ‏عَزَّوَجَلَّ، ثُمَّ بِكَ مِنْ أَمْرٍ قَدْ دَهَمَني، وَأَشْغَلَ قَلْبي، وَأَطالَ فِكْري، وَسَلَبَني بَعْضَ ‏لُبّي، وَغَيَّرَ خَطيرَ نِعْمَةِ اللَّهِ عِنْدي، أَسْلَمَني عِنْدَ تَخَيُّلِ وُرُودِهِ الْخَليلُ، وَتَبَرَّأَ مِنّي‏عِنْدَ تَرائي إِقْبآلِهِ إلَى الْحَمِيمُ، وَعَجَزَتْ عَنْ دِفاعِهِ حيلَتي، وَخانَني في تَحَمُّلِهِ‏صَبْري وَقُوَّتي. فَلَجَأْتُ فيهِ إلَيْكَ، وَتَوَكَّلْتُ فِي الْمَسْأَلَةِ لِلَّهِ جَلَّ ثَناؤُهُ عَلَيْهِ وَعَلَيْكَ في دِفاعِهِ‏عَنّي، عِلْمَا بِمَكانِكَ مِنَ اللَّهِ رَبِّ الْعالَمينَ، وَلِيِّ التَّدْبيرِ وَمَآلِكِ اِلاَّمُورِ، وَاثِقاً بِكَ فِيَالْمُسارَعَةِ فِي الشَّفاعَةِ إلَيهِ جَلَّ ثَناؤُهُ في أَمْري، مُتَيَقِّناً لاَجابَتِهِ تَبارَكَ وَتَعالي‏ إِيَاكَ‏ بِإِعْطائي سُؤْلي .وَأَنْتَ يَا مَوْلاَيَ جَديرٌ بِتَحْقيقِ ظَنّي وَتَصْديقِ أَمَلي فيكَ في أَمْرِ كَذَا وَكَذَا…

(كَذَا وَكَذَا) নিন্মোক্ত স্থানে নিজের চাহিদাগুলোকে লিখতে হবে:

…………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………………..

فِيمَا لاَ طَاقَةَ لِي بِحَمْلِهِ، وَلاَ صَبْرَ لي عَلَيْهِ، وَإِنْ كُنْتُ ‏مُسْتَحِقّاً لَهُ وَلاَضْعافِهِ بِقَبيحِ أَفْعالي وَتَفْريطي فِي الْوَاجِباتِ الَّتي لِلَّهِ عَزَّوَجَلَّ، فَأَغِثْني يَا مَوْلاَيَ صَلَواتُ اللَّهِ عَلَيْكَ عِنْدَ اللَّهْفِ، وَقَدِّمِ الْمَسْأَلَةَ لِلَّهِ عَزَّوَجَلَّ فيَامْري، قَبْلَ حُلُولِ التَّلَفِ، وَشَمَاتَةِ اِلاَّعْداءِ، فَبِكَ بُسِطَتِ النِّعْمَةُ عَلَى. وَاسْآلِ اللَّهَ جَلَّ جَلاَلُهُ لي نَصْراً عَزيزاً، وَفَتْحاً قَريباً، فيهِ بُلُوغُ الاَمَالِ، وَخَيْرُالْمَبادي، وَخَواتيمُ اِلاَّعْمَآلِ، وَالْاَمْنُ مِنَ الْمَخاوِفِ كُلِّهَا في كُلِّ حالٍ، إِنَّهُ جَلَّ ثَنَاؤُهُ‏لِمَا يَشَاءُ فَعَّالٌ، وَهُوَ حَسْبِي وَنِعْمَ الْوَكِيلُ فِي الْمَبْدَءِ وَالْمَآلِ.

এই আরিজাটিকে কোন প্রবাহিত পানি, কুয়া অথবা কোন স্থায়ি পানিতে ডুবিয়ে দিতে হবে। আরিজাটি ডুবানোর পূর্বে বলতে হবে:

يَا حُسَينِ بنِ رُوح، سَلاَمٌ عَلَيْكَ، أَشْهَدُ أَنَّ وَفَاتَكَ في سَبِيلِ اللَّهِ، وَأَنَّكَ حَيٌّ عِنْدَ اللَّهِ‏مَرْزُوقٌ، وَقَدْ خَاطَبْتُكَ في حَيَاتِكَ الَّتي لَكَ عِنْدَاللَّهِ جَلَّ وَعَزَّ وَهذِهِ رُقْعَتي وَحَاجَتِي إليٰ‏ مَوْلاَنَا عَلَيْهِ أَلسَّلاَمُ ، فَسَلِّمْها إلَيهِ، فَأَنْتَ الثِّقَةُ الاَمِينُ.

১৫ই শাবান: রাত ও দিনের আমলসমূহ : // সংগ্রহ : মিনহাজউদ্দিন মন্ডল//

লাব্বাইক ইয়া ইমাম এ জামানা (আঃফা)

রেওয়ায়েতে ১৫ই শাবান তারিখে রাত্রি জাগরণের প্রতি গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। এই রাতের বিশেষ বৈশিষ্ট হচ্ছে এই রাতে ইমাম মাহদী (আ.)-এর জন্মগ্রহণ করেন।

ইমাম জাফর সাদিক্ব (আ.) বলেছেন: ইমাম বাকের (আ.) কে এই রাত সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে তিনি উত্তরে বলেন: ১৫ই শাবানের রাত শবে ক্বদরের পরে সবচেয়ে ফযিলতপূর্ণ রাত। মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁর অপার দয়ায় বান্দাদের চাহিদাকে পূর্ণ এবং তাদের কৃত গুনাহসমূহকে ক্ষমা করেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহর নৈকট্য অর্জনের চেষ্টা করো। কেননা এই রাত সম্পর্কে আল্লাহ শপথ করে বলেছেন: কোন ব্যাক্তি যদি এই রাতে দোয়া করে তার দোয়া কবুল হবে। তোমরা এই রাতে আল্লাহর কাছে এমনভাবে চাও যেন তোমাদের দোয়া কবুল হয়। এই রাতটি লাইলাতুল ক্বদরের ন্যায় আরেকটি মহিমান্বিত রাত যা আমাদেরকে দান করা হয়েছে।

কেউ যদি এই রাতে অবৈধ কিছু না চায় তাহলে আল্লাহ তার দোয়াসমূহকে কবুল করবেন।

১৫ই শাবানের রাতটি এমন এক রাত যা আল্লাহ তার বান্দাদেরকে দান করেছেন। এই রাতটি শবে ক্বদরের ন্যায় ফযিলতপূর্ণ একটি রাত। সুতরাং তোমরা এ রাতে আল্লাহর ইবাদত কর এবং নিজেদের জন্য দোয়া কর। এছাড়াও উক্ত রাতে বিশেষ কিছু আমল বর্ণিত হয়েছে যেমন:

১. গোসল করা। এই রাতে গোসল করলে আল্লাহ  তাঁর বান্দার গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দেন।

২. রাত্রি জাগরণ করা। এই রাতে নামাজ, দোয়া এবং ইস্তিগফারের মাধ্যমে অতিবাহিত করা উত্তম। কেননা ইমাম জয়নুল আবেদীন (আ.) বলেছেন: যে ব্যাক্তি এই রাতকে ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করবে, কেয়ামতে যেদিন সকলের অন্তর মারা যাবে সেদিন আল্লাহ এই ব্যাক্তির অন্তরকে জীবিত রাখবেন । [1]

৩. ইমাম হুসাইন (আ.)-এর যিয়ারত পাঠ করা: যেই ব্যাক্তি এই রাতে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর যিয়ারত পাঠ করবে আল্লাহ তায়ালা তার গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দিবেন।

আবু হামযা সোমালী (রহ.) বলেছেন: ইমাম জয়নুল আবেদীন (আ.) বলেছেন: কেউ যদি এক লক্ষ চব্বিশ হাজার নবীদের সাথে করমর্দন করতে চায় তাহলে সে যেন ১৪ই শাবান দিবাগত রাতে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কবর যিয়ারত করে। কেননা এই রাতে ফেরেশতা, রূহ এবং নবীগণ আল্লাহর কাছে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কবর যিয়ারত করার অনুমতি প্রার্থনা করেন এবং আল্লাহও তাঁদেরকে যিয়ারতের অনুমতি দেন। সৌভাগ্যবান ব্যাক্তি হচ্ছে সেই যে, নবীদের  সাথে করমর্দন করতে পারে, যাঁদের মধ্যে উলুল আযম নবীগণও রয়েছেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম কেন তাঁদেরকে উলুল আযম নবী বলা হয়? তিনি বললেন: কারণ তাঁরা নিজেদের যুগে সারা বিশ্বের সকল জ্বিন ও মানব জাতীর জন্য নবুওয়াত প্রাপ্ত হয়েছিলেন।

মাবিয়া বিন ওহাব বর্ণনা করেছেন যে, ইমাম জাফর সাদিক্ব (আ.) বলেছেন: যারা প্রথম শাবানে কারবালাতে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর যিয়ারতের জন্য যায় তারা যেন ১৫ই শাবানে [লাইলাতুল বরাত] সেখানে উপস্থিত থাকে। কারণ তোমরা যদি জানতে যে, সেই দিনের যিয়ারতের কি ফযিলত রয়েছে তাহলে তা কখনও বাদ দিতে না বরং আগামী বছর পর্যন্ত ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কবরের কাছে এই রাতটির অপেক্ষা করতে। [2]

১৫ই শাবানে ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কবর যিয়ারতের পদ্ধতি: কেউ যদি ১৫ই শাবান কারবালায় উপস্থিত থাকে এবং ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কবর যিয়ারত করতে চায় তাহলে সে যেন গাসল করে, পবিত্র পোষাক পরিধান করে এবং ইমাম হুসাইন (আ.)-এর মাজারের গম্বুজের কাছে কিবলামুখী অবস্থায় দাড়িয়ে রাসুল (সা.) ও তাঁর আহলে বাইত (আ.)-এর ওপর দুরুদ প্রেরণ করতে হবে, তারপর কবরঘরে প্রবেশ করে যারির কাছে দাড়িয়ে ১০০ বার তাকবির উচ্চারণ করার পরে বলতে হবে:

السَّلامُ عَلَيْكَ يَا بْنَ رَسُولِ اللَّهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يَا بْنَ خاتَمِ النَّبِيِّينَ، السَّلامُ عَلَيْكَ يَا بْنَ سَيِّدِ الْمُرْسَلِينَ، السَّلامُ عَلَيْكَ يَا بْنَ سَيِّدِ الْوَصِيِّينَ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا أَبَا عَبْدِ اللَّهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا حُسَيْنَ بْنَ عَلِيٍّ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا بْنَ فاطِمَةَ سَيِّدَةِ نِساءِ الْعالَمِينَ. السَّلامُ عَلَيْكَ يا وَلِيَّ اللَّهِ وَ ابْنَ وَلِيِّهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا صَفِيَّ اللَّهِ وَ ابْنَ صَفِيِّهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا حُجَّةَ اللَّهِ وَ ابْنَ حُجَّتِهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا حَبِيبَ اللَّهِ وَ ابْنِ حَبِيبِهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا سَفِيرَ اللَّهِ وَ ابْنَ سَفِيرِهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا خازِنَ الْكِتابِ الْمَسْطُورِ. السَّلامُ عَلَيْكَ يا وارِثَ التَّوْراةِ وَ الانْجِيلِ وَ الزَّبُورِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا أَمِينَ الرَّحْمنِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا شَرِيكَ الْقُرْآنِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا عَمُودَ الدِّينِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا بابَ حِكْمَةِ رَبِّ الْعالَمِين، السَّلامُ عَلَيْكَ يا عَيْبَةَ عِلْمِ اللَّهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا مَوْضِعَ سِرِّ اللَّهِ. السَّلامُ عَلَيْكَ يا ثارَ اللَّهِ وَ ابْنَ ثارِهِ وَ الْوِتْرَ الْمَوْتُورِ، السَّلامُ عَلَيْكَ وَ عَلَى‏ الأَرْواحِ الَّتِي حَلَّتْ بِفِنائِكَ وَ انَاخَتْ بِرَحْلِكَ، بِأَبِي انْتَ وَ أُمِّي وَ نَفْسِي يا أَبا عَبْدِ اللَّهِ لَقَدْ عَظُمَتِ الْمُصِيبَةُ وَ جَلَّتِ الرَّزِيَّةُ بِكَ عَلَيْنا وَ عَلى‏ جَمِيعِ اهْلِ الإِسْلامِ، فَلَعَنَ اللَّهُ امَّةً اسَّسَتْ أَساسَ الظُّلْمِ وَ الْجَورِ عَلَيْكُمْ اهْلَ الْبَيْتِ، وَ لَعَنَ اللَّهُ امَّةً دَفَعَتْكُمْ عَنْ مَقامِكُمْ وَ أَزالَتْكُمْ عَنْ مَراتِبِكُمُ الَّتِي رَتَّبَكُمُ اللَّهُ فِيها. بِأَبِي انْتَ وَ أُمِّي وَ نَفْسِي يا أَبا عَبْدِ اللَّهِ اشْهَدُ لَقَدْ اقْشَعَرَّتْ لِدِمائِكُمْ اظِلَّةُ الْعَرْشِ مَعَ اظِلَّةِ الْخَلائِقِ، وَ بَكَتْكُمُ السَّماءُ وَ الارْضُ وَ سُكّانُ الْجِنانِ وَ الْبِرِّ وَ الْبَحْرِ، صَلَّى اللَّهُ عَلَيْكَ عَدَدَ ما فِي عِلْمِ اللَّهِ، لَبَّيْكَ داعِيَ اللَّهِ انْ كانَ لَمْ يُجِبْكَ بَدَنِي عِنْدَ اسْتِغاثَتِكَ وَ لِسانِي عِنْدَ اسْتِنْصارِكَ، فَقَدْ أَجابَكَ قَلْبِي وَ سَمْعِي وَ بَصَرِي، سُبْحانَ رَبِّنا انْ كانَ وَعْدُ رَبَّنا لَمَفْعُولًا. اشْهَدُ انَّكَ طُهْرٌ طاهِرٌ مُطَهَّرٌ، مِنْ طُهْرٍ طاهِرٍ مُطَهَّرٍ، فَطُهِّرَتْ بِكَ الْبِلادُ وَ طُهِّرَتْ ارْضٌ انْتَ فِيها وَ طُهِّرَ حَرَمُكَ، اشْهَدُ انَّكَ امَرْتَ بِالْقِسْطِ وَ الْعَدْلِ وَ دَعَوْتَ إِلَيْهِما، وَ انَّكَ صادِقٌ صِدِّيقٌ صَدَقْتَ فِيما دَعَوْتَ إِلَيْهِ، وَ انَّكَ ثارُ اللَّهِ فِي الارْضِ. وَ اشْهَدُ انَّكَ قَدْ بَلَّغْتَ عَنِ اللَّهِ وَ عَنْ جَدِّكَ رَسُولِ اللَّهِ وَ عَنْ أَبِيكَ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ وَ عَنْ أَخِيكَ الْحَسَنِ، وَ نَصَحْتَ وَ جاهَدْتَ فِي سَبِيلِ رَبِّكَ وَ عَبَدْتَ اللَّهَ مُخْلِصاً حَتّى‏ أَتاكَ الْيَقِينُ، فَجَزاكَ اللَّهُ خَيْرَ جَزاءِ السَّابِقِينَ وَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْكَ وَ سَلَّمَ تَسْلِيماً. اللَّهُمَّ صَلِّ عَلى‏ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ وَ صَلِّ عَلَى الْحُسَيْنِ الْمَظْلُومِ الشَّهِيدِ الرَّشِيدِ، قَتِيلِ الْعَبَراتِ وَ أَسِيرِ الْكُرُباتِ صَلاةً نامِيَةً زاكِيَةً مُبارَكَةً، يَصْعَدُ أَوَّلُها وَ لا يَنْفَدُ آخِرُها، افْضَلَ ما صَلَّيْتَ عَلى‏ احَدٍ مِنْ اوْلادِ أَنْبِيائِكَ الْمُرْسَلِينَ يا إِلهَ الْعالَمِينَ.

তারপরে যারিকে চুম্বন করার পরে ডান ও বাম গালকে যারির সাথে স্পর্শ করতে হবে। যারির চারিদিকে ঘুরে হযরত আলী আকবর (আ.)-এর কবরের কাছে কিবলামুখী অবস্থায় দাড়িয়ে বলতে হবে:

السَّلامُ مِنَ اللَّهِ، وَ السَّلامُ مِنْ مَلائِكَتِهِ الْمُقَرَّبِينَ وَ أَنْبِيائِهِ الْمُرْسَلِينَ وَ عِبادِهِ الصَّالِحِينَ وَ جَمِيعِ اهْلِ طاعَتِهِ مِنْ اهْلِ السَّماواتِ وَ الأَرَضِينَ، عَلَى ابِي عَبْدِ اللَّهِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيٍّ وَ رَحْمَةُ اللَّهِ وَ بَرَكاتُهُ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا أَوَّلَ قَتِيلٍ مِنْ نَسْلِ خَيْرِ سَلِيلٍ مِنْ سُلالَةِ إِبْراهِيمَ الْخَلِيلِ. صَلَّى اللَّهُ عَلَيْكَ وَ عَلى‏ أَبِيكَ إِذْ قالَ فِيكَ: قَتَلَ اللَّهُ قَوْماً قَتَلُوكَ، يا بُنَيَّ ما اجْرَأَهُمْ عَلَى الرَّحْمنِ وَ عَلَى انْتِهاكَ حُرْمَةِ الرَّسُولِ، عَلَى الدُّنْيا بَعْدَكَ الْعَفا. اشْهَدُ انَّكَ ابْنُ حُجَّةِ اللَّهِ وَ ابْنُ امِينِهِ، حَكَمَ اللَّهُ عَلى‏ قاتِلِيكَ وَ اصْلاهُمْ جَهَنَّمَ وَ سائَتْ مَصِيراً، وَ جَعَلَنَا اللَّهُ يَوْمَ الْقِيامَةِ مِنْ مُلاقِيكَ وَ مُرافِقِيكَ وَ مُرافِقِي جَدِّكَ وَ أَبِيكَ وَ عَمِّكَ وَ أَخِيكَ وَ أُمِّكَ الْمَظْلُومَةِ الطَّاهِرَةِ الْمُطَهَّرَةِ، أَبْرَءُ الَى اللَّهِ مِمَّنْ قَتَلَكَ وَ قاتِلَكَ، وَ اسْأَلُ اللَّهَ مُرافِقَتَكُمْ فِي دارِ الْخُلُودِ، وَ السَّلامُ عَلَيْكَ وَ رَحْمَةُ اللَّهِ وَ بَرَكاتُهُ. السَّلامُ عَلَى الْعَبَّاسِ بْنِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، السَّلامُ عَلى‏ جَعْفَرِ بْنِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، السَّلامُ عَلى‏ ابِي بَكْرِ بْنِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ، السَّلامُ عَلى‏ عُثْمانِ بْنِ أَمِيرِ الْمُؤْمِنِينَ. السَّلامُ عَلَى الْقاسِمِ بْنِ الْحَسَنِ، السَّلامُ عَلى‏ ابِي بَكْرِ بْنِ الْحَسَنِ، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْحَسَنِ. السَّلامُ عَلى‏ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ ابِي طالِبٍ، السَّلامُ عَلى‏ جَعْفَرِ بْنِ عَقِيلٍ، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ الرَّحْمنِ بْنِ عَقِيلٍ، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُسْلِمِ بْنِ عَقِيلٍ، السَّلامُ عَلى‏ مُحَمَّدٍ بْنِ ابِي سَعْدِ بْنِ عَقِيلٍ، السَّلامُ: عَلى‏ عَوْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرِ بْنِ ابِي طالِبٍ، السَّلامُ عَلَيْكُمْ اهْلَ بَيْتِ الْمُصْطَفى‏، السَّلامُ عَلَيْكُمْ اهْلَ الشُّكْرِ وَ الرِّضا. السَّلامُ عَلَيْكُمْ يا أَنْصارَ اللَّهِ وَ رِجالِهِ مِنْ اهْلِ الْحَقِّ وَ الْبَلْوَى وَ الْمُجاهِدِينَ عَلى‏ بَصِيرَةٍ فِي سَبِيلِهِ، اشْهَدُ انَّكُمْ كَما قالَ اللَّهُ عَزَّ وَ جَلَّ «وَ كَأَيِّنْ مِنْ نَبِيٍّ قاتَلَ مَعَهُ رِبِّيُّونَ كَثِيرٌ فَما وَهَنُوا لِما أَصابَهُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَ ما ضَعُفُوا وَ مَا اسْتَكانُوا وَ اللَّهُ يُحِبُّ الصَّابِرِينَ، فَما ضَعُفْتُمْ وَ مَا اسْتَكَنْتُمْ حَتّى‏ لَقِيتُمُ اللَّهَ عَلى‏ سَبِيلِ الْحَقِّ وَ نَصْرِهِ وَ كَلِمَةِ اللَّهِ التَّامَّةِ. صَلَّى اللَّهُ عَلى‏ أَرْواحِكُمْ وَ أَبْدانِكُمْ وَ سَلَّمَ تَسْلِيماً وَ فُزْتُمْ، وَ اللَّهِ لَوَدَدْتُ انِّي كُنْتُ مَعَكُمْ فَأَفُوزَ فَوْزاً، أَبْشِرُوا بِمَواعِيدِ اللَّهِ الَّتِي لا خُلْفَ لَها انَّهُ لا يُخْلِفُ الْمِيعادَ. اشْهَدُ انَّكُمُ النُّجَباءُ وَ سادَةُ الشُّهَداءِ فِي الدُّنْيا وَ الْآخِرَةِ، وَ اشْهَدُ انَّكُمْ جاهَدْتُمْ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَ قُتِلْتُمْ عَلى‏ مِنْهاجِ رَسُولِ اللَّهِ، انْتُمُ السَّابِقُونَ وَ الْمُجاهِدُونَ، اشْهَدُ انَّكُمْ أَنْصارُ اللَّهِ وَ أَنْصارُ رَسُولِهِ، الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي صَدَقَكُمْ وَعْدَهُ وَ أَراكُمْ ما تُحِبُّونَ، وَ السَّلامُ عَلَيْكُمْ وَ رَحْمَةُ اللَّهِ وَ بَرَكاتُهُ.

তারপরে কারবালার শহীদদের কবরের দিকে উদ্দেশ্যে করে এভাবে যিয়ারত পাঠ করতে হবে:

السَّلامُ عَلى‏ سَعِيدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحَنَفِي، السَّلامُ عَلى‏ حُرِّ بْنِ يَزِيد الرِّياحِي، السَّلامُ عَلى‏ زُهَيْرِ بْنِ الْقَيْنِ، السَّلامُ عَلى‏ حَبِيبِ بْنِ مظاهِرٍ، السَّلامُ عَلى‏ مُسْلِمِ بْنِ عَوْسَجَةِ، السَّلامُ عَلى‏ عَقَبَةِ بْنِ سَمْعانَ، السَّلامُ عَلى‏ بُرَيْرِ بْنِ خُضَيْرٍ، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَيْرِ. السَّلامُ عَلى‏ نافِعِ بْنِ هِلالٍ، السَّلامُ عَلى‏ مُنْذِرِ بْنِ الْمُفَضَّلِ الْجُعْفِي، السَّلامُ عَلى‏ عَمْرُو بْنِ قُرْظَةِ الأَنْصارِي. السَّلامُ عَلى‏ ابِي ثمامَةِ الصَّائِدِي، السَّلامُ عَلى‏ جُونٍ مَوْلى‏ ابِي ذَرٍّ الْغَفّارِي، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ الرَّحْمنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الازْدِي، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ الرَّحْمنِ وَ عَبْدِ اللَّهِ ابْنَيْ عُرْوَة، السَّلامُ عَلى‏ سَيْفِ بْنِ الْحارِثِ، السَّلامُ عَلى‏ مالِكِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْحائِرِي، السَّلامُ عَلى‏ حَنْظَلَةِ بْنِ اسْعَدِ الشَّبامِيِّ. السَّلامُ عَلَى قاسِمِ بْنِ الْحارِثِ الْكاهِلِي، السَّلامُ عَلى‏ بِشْرِ بْنِ عُمَرَ الْحَضْرَمِيِّ، السَّلامُ عَلى‏ عَابِسِ بْنِ شَبِيبِ الشَّاكِرِي، السَّلامُ عَلى‏ حَجَّاجِ بْنِ مَسْرُوقِ الْجُعْفِي، السَّلامُ عَلى‏ عَمْرِو بْنِ خَلَفٍ وَ سَعِيدٍ مَوْلاهُ، السَّلامُ عَلى‏ حَسَّانِ بْنِ الْحارِثِ. السَّلامُ عَلى‏ مَجْمَعِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْعائِذِي، السَّلامُ عَلى‏ نَعِيمِ بْنِ عِجْلانِ، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ الرَّحْمنِ بْنِ يَزِيد، السَّلامُ عَلى‏ عُمَرَ بْنِ ابِي كَعْبٍ. السَّلامُ عَلى‏ سُلَيْمانَ بْنَ عُوفِ الْحَضْرَمِيِّ، السَّلامُ عَلى‏ قَيْسِ بْنِ مُسْهِرِ الصِّيْداوِيَّ، السَّلامُ عَلى‏ عُثْمانِ بْنِ فَرْوَة ِ الْغَفَّارِيِّ، السَّلامُ عَلى‏ غَيْلانِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمنِ، السَّلامُ عَلى‏ قَيْسِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْهَمَدانِي، السَّلامُ عَلى‏ عُمَيْرِ بْنِ كَنادِ، السَّلامُ عَلى‏ جَبَلَةِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، السَّلامُ عَلى‏ مُسْلِمِ بْنِ كَنادٍ. السَّلامُ عَلى‏ سُلَيْمانَ بْنِ سُلَيْمانَ الأَزدِي، السَّلامُ عَلى‏ حَمَّادِ بْنِ حَمَّادِ الْمُرادِي، السَّلامُ على‏ عامِرِ بْنِ مُسْلِمٍ وَ مَوْلاهُ مُسْلِمٍ، السَّلامُ عَلى‏ بَدْرِ بْنِ رُقَيْطٍ وَ ابْنَيْهِ عَبْدِ اللَّهِ وَ عُبَيْدِ اللَّهِ، السَّلامُ عَلى‏ رُمَيْثِ بْنِ عُمَرَ، السَّلامُ عَلى‏ سُفْيانِ بْنِ مالِكٍ، السَّلامُ عَلى‏ زُهَيْرِ بْنِ سَيّارٍ. السَّلامُ عَلى‏ قاسِطٍ وَ كَرْشٍ ابْنَيْ زُهَيْرٍ، السَّلامُ عَلى‏ كَنانَةِ بْنِ عَتِيقٍ، السَّلامُ عَلى‏ عامِرِ بْنِ مالِكٍ، السَّلامُ عَلى‏ مَنِيعِ بْنِ زِيادٍ، السَّلامُ عَلى‏ نُعْمان بْنِ عَمْرٍو. السَّلامُ عَلى‏ جَلَّاسِ بْنِ عَمْرِو، السَّلامُ عَلى‏ عامِرِ بْنِ جُلَيْدَةِ، السَّلامُ عَلى‏ زائِدَةِ بْنِ مُهاجِرٍ، السَّلامُ عَلى‏ حَبِيبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ النَّهْشَلِي، السَّلامُ عَلى‏ حَجَّاجِ بْنِ يَزِيد، السَّلامُ عَلى‏ جُوَيْرِ بْنِ، مالِكٍ. السَّلامُ عَلى‏ ضُبَيْعَة بْنِ عَمْرٍو، السَّلامُ عَلى‏ زُهَيْرِ بْنِ بَشِيرٍ، السَّلامُ عَلى‏ مَسْعُودِ بْنِ الْحَجَّاجِ، السَّلامُ عَلى‏ عَمَّارِ بْنِ حَسَّانٍ، السَّلامُ عَلى‏ جُنْدَبِ بْنِ حُجَيْرٍ، السَّلامُ عَلى‏ سُلَيْمانَ بْنِ كَثِيرٍ، السَّلامُ عَلى‏ زُهَيْرِ بْنِ سُلَيْمانَ، السَّلامُ عَلى‏ قاسِمِ بْنِ حَبِيبٍ. السَّلامُ عَلى‏ انَسِ بْنِ كاهِلِ الأَسَدِي، السَّلامُ عَلى‏ ضَرْغامَةِ بْنِ مالِكٍ، السَّلامُ عَلى زاهِرٍ مَوْلى‏ عَمْرو بْنِ الْحمقِ، السَّلامُ عَلى‏ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَقْطُرِ رَضِيعِ الْحُسَيْنِ، السَّلامُ عَلى‏ مُنْجِحٍ مَوْلى‏ الْحُسَيْنِ، السَّلامُ عَلى‏ سُوَيْدٍ مَوْلى‏ شاكِرٍ. السَّلامُ عَلَيْكُمْ ايُّهَا الرَّبَّانِيُّونَ، انْتُمْ خِيَرَةُ اللَّهِ، اخْتارَكُمُ اللَّهُ لِأَبِي عَبْدِ اللَّهِ عَلَيْهِ السَّلامُ، وَ انْتُمْ خاصَّتُهُ اخْتَصَّكُمُ اللَّهُ، اشْهَدُ انَّكُمْ قُتِلْتُمْ عَلَى الدُّعاءِ الَى الْحَقِّ وَ نَصَرْتُمْ وَ وَفَيْتُمْ وَ بَذَلْتُمْ مُهَجَكُمْ مَعَ ابْنِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَ آلِهِ، وَ انْتُمْ سُعَداءُ سُعِدْتُمْ وَ فُزْتُمْ بِالدَّرَجاتِ. فَجَزاكُمُ اللَّهُ مِنْ أَعْوانٍ وَ إِخْوانٍ خَيْرَ ما جازى‏ مَنْ صَبَرَ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَ آلِهِ، هَنِيئاً لَكُمْ ما اعْطِيتُمْ وَ هَنِيئاً لَكُمْ بِما حُيِّيتُمْ، طافَتْ عَلَيْكُمْ مِنَ اللَّهِ الرَّحْمَةُ وَ بَلَغْتُمْ بِها شَرَفَ الاخِرَةِ. فإذا أردت وداعه عليه السلام فقل ما رأيناه في بعض وداعاته: السَّلامُ عَلَيْكَ يا مَوْلايَ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا حُجَّةَ اللَّهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا صَفْوَةَ اللَّهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا خالِصَةَ اللَّهِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا قَتِيلَ الظَّلماءِ، السَّلامُ عَلَيْكَ يا غَرِيبَ الْغُرَباءِ، السَّلامُ عَلَيْكَ سَلامُ مُوَدِّعٍ لا سَأمٍ وَ لا قالٍ، فَانْ امْضِ فَلا عَنْ مَلامَةٍ وَ انْ اقِمْ فَلا عَنْ سُوءِ ظَن بِما وَعَدَ اللَّهُ الصَّابِرينَ. لا جَعَلَهُ اللَّهُ آخِرَ الْعَهْدِ مِنِّي لِزِيارَتِكَ، وَ رَزَقَنِيَ اللَّهُ الْعَوْدَ الى‏ مَشْهَدِكَ وَ الْمُقامَ بِفِنائِكَ وَ الْقِيامَ فِي حَرَمِكَ، وَ إِيَّاهُ اسْأَلُ انْ يُسْعِدَنِي بِكُمْ وَ يَجْعَلَنِي مَعَكُمْ فِي الدُّنْيا وَ الاخِرَةِ.[3]

আবুল হাসান মুহাম্মাদ বিন হারুন (রহ.) বলেছেন: ১৫ই শাবান রাতে [১৪ই শাবান দিবাগত রাতে] ইমাম হুসাইন (আ.)-এর কবরের পাশে দাড়িয়ে ৪ রাকাত নামাজ পড়তে হবে। 
প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহা ৫০ বার এবং সুরা ইখলাস ৫০ বার পাঠ করতে হবে। রুকুতে সুরা ফাতিহা ১০বার ও ইখলাস ১০বার। রুকুর পরে দাড়ানো অবস্থায় সুরা ফাতিহা ১০বার ও সুরা ইখলাস ১০বার। প্রথম সিজদায় সুরা ফাতিহা ১০বার ও সুরা ইখলাস ১০বার। দুই সিজদার মাঝে বসা অবস্থায় সুরা ফাতিহা ও ইখলাস প্রত্যেকটি ১০বার। দ্বিতীয় সিজদায় সুরা ফাতিহা ১০বার ও সুরা ইখলাস ১০ বার পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতটি অনুরূপ পদ্ধতিতে পড়তে হবে। অবশিষ্ট দুই রাকাত উল্লেখিত পদ্ধতিতে আদায় করতে হবে। তারপরে বলতে হবে:

أَنْتَ اللَّهُ الَّذِي اسْتَجَبْتَ لِآدَمَ وَ حَوَّاءَ حِينَ قالا رَبَّنا ظَلَمْنا أَنْفُسَنا وَ إِنْ لَمْ تَغْفِرْ لَنا وَ تَرْحَمْنا لَنَكُونَنَّ مِنَ الْخاسِرِينَ وَ نَادَاكَ نُوحٌ فَاسْتَجَبْتَ لَهُ وَ نَجَّيْتَهُ وَ آلَهُ مِنَ الْكَرْبِ الْعَظِيمِ وَ أَطْفَأْتَ نَارَ نُمْرُودَ عَنْ خَلِيلِكَ إِبْرَاهِيمَ فَجَعَلْتَهَا عَلَيْهِ بَرْداً وَ سَلاماً وَ أَنْتَ الَّذِي اسْتَجَبْتَ لِأَيُّوبَ حِينَ نَادَاكَ أَنِّي مَسَّنِيَ الضُّرُّ وَ أَنْتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ فَكَشَفْتَ مَا بِهِ مِنْ ضُرٍّ وَ آتَيْتَهُ أَهْلَهُ وَ مِثْلَهُمْ مَعَهُمْ رَحْمَةً مِنْ عِنْدِكَ وَ ذِكْرى‏ لِأُولِي الْأَلْبابِ وَ أَنْتَ الَّذِي اسْتَجَبْتَ لِذِي النُّونِ حِينَ نَادَاكَ فِي الظُّلُماتِ أَنْ لا إِلهَ إِلَّا أَنْتَ سُبْحانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِينَ فَنَجَّيْتَهُ مِنَ الْغَمِّ وَ أَنْتَ الَّذِي اسْتَجَبْتَ لِمُوسَى وَ هَارُونَ دَعْوَتَهُمَا حِينَ قُلْتَ قَدْ أُجِيبَتْ دَعْوَتُكُما وَ أَغْرَقْتَ فِرْعَوْنَ وَ قَوْمَهُ وَ غَفَرْتَ لِدَاوُدَ ذَنْبَهُ وَ نَبَّهْتَ قَلْبَهُ وَ أَرْضَيْتَ خَصْمَهُ رَحْمَةً مِنْكَ [وَ ذِكْرَى‏] وَ أَنْتَ الَّذِي فَدَيْتَ الذَّبِيحَ بِذِبْحٍ عَظِيمٍ حِينَ أَسْلَما وَ تَلَّهُ لِلْجَبِينِ فَنَادَيْتَهُ بِالْفَرَجِ وَ الرَّوْحِ وَ أَنْتَ الَّذِي نَادَاكَ زَكَرِيَّا نِداءً خَفِيًّا قالَ رَبِّ إِنِّي وَهَنَ الْعَظْمُ مِنِّي وَ اشْتَعَلَ الرَّأْسُ شَيْباً وَ لَمْ أَكُنْ بِدُعائِكَ رَبِّ شَقِيًّا وَ قُلْتَ وَ يَدْعُونَنا رَغَباً وَ رَهَباً وَ كانُوا لَنا خاشِعِينَ وَ أَنْتَ الَّذِي اسْتَجَبْتَ لِلَّذِينَ آمَنُوا وَ عَمِلُوا الصَّالِحَاتِ لِتَزِيدَهُمْ مِنْ فَضْلِكَ رَبِّ فَلَا تَجْعَلْنِي أَهْوَنَ الرَّاغِبِينَ إِلَيْكَ وَ اسْتَجِبْ لِي كَمَا اسْتَجَبْتَ لَهُمْ بِحَقِّهِمْ عَلَيْكَ وَ طَهِّرْنِي وَ تَقَبَّلْ صَلَاتِي وَ حَسَنَاتِي وَ طَيِّبْ بَقِيَّةَ حَيَاتِي وَ طَيِّبْ وَفَاتِي وَ اخْلُفْنِي فِيمَنْ أُخَلِّفُ وَ احْفَظْهُمْ رَبِّ بِدُعَائِي وَ اجْعَلْ ذُرِّيَّتِي ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً تَحُوطُهَا بِحِيَاطَتِكَ مِنْ كُلِّ مَا حُطْتَ مِنْهُ ذُرِّيَّةَ أَوْلِيَائِكَ وَ أَهْلَ طَاعَتِكَ بِرَحْمَتِكَ يَا رَحِيمُ [يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ‏] يَا مَنْ هُوَ عَلى‏ كُلِّ شَيْ‏ءٍ قَدِيرٌ وَ [هُوَ] عَلَى كُلِّ شَيْ‏ءٍ رَقِيبٌ وَ مِنْ كُلِّ سَائِلٍ قَرِيبٌ وَ مِنْ كُلِّ دَاعٍ مِنْ خَلْقِهِ مُجِيبٌ أَنْتَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ الْأَحَدُ الصَّمَدُ الَّذِي لَمْ يَلِدْ وَ لَمْ يُولَدْ وَ لَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُواً أَحَدٌ تَمْلِكُ الْقُدْرَةَ الَّتِي عَلَوْتَ بِهَا فَوْقَ عَرْشِكَ وَ رَفَعْتَ بِهَا سَمَاوَاتِكَ وَ أَرْسَيْتَ بِهَا جِبَالَكَ وَ فَرَشْتَ بِهَا أَرْضَكَ وَ أَجْرَيْتَ بِهَا الْأَنْهَارَ وَ سَخَّرْتَ بِهَا السَّحَابَ وَ الشَّمْسَ وَ الْقَمَرَ وَ اللَّيْلَ وَ النَّهَارَ وَ خَلَقْتَ بِهَا الْخَلَائِقَ أَسْأَلُكَ‏ بِعَظَمَةِ وَجْهِكَ الْكَرِيمِ الَّذِي أَشْرَقَتْ بِهِ السَّمَاوَاتُ وَ أَضَاءَتْ بِهِ الظُّلُمَاتُ أَنْ تُصَلِّيَ عَلَى مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ وَ أَنْ تَكْفِيَنِي أَمْرَ مَنْ يُعَادِينِي وَ أَمْرَ مَعَادِي وَ مَعَاشِي وَ أَصْلِحْ يَا رَبِّ شَأْنِي وَ لَا تَكِلْنِي إِلَى نَفْسِي طَرْفَةَ عَيْنٍ وَ أَصْلِحْ أَمْرَ وُلْدِي وَ عِيَالِي وَ أَغْنِنِي وَ إِيَّاهُمْ مِنْ خَزَائِنِكَ وَ سَعَةِ رِزْقِكَ وَ فَضْلِكَ وَ ارْزُقْنِي الْفِقْهَ فِي دِينِكَ وَ أَنْفِعْنِي بِمَا نَفَعْتَ بِهِ مَنِ ارْتَضَيْتَ مِنْ عِبَادِكَ وَ اجْعَلْنِي لِلْمُتَّقِينَ إِماماً كَمَا جَعَلْتَ إِبْرَاهِيمَ فَإِنَّ بِتَوْفِيقِكَ يَفُوزُ الْمُتَّقُونَ وَ يَتُوبُ التَّائِبُونَ وَ يَعْبُدُكَ الْعَابِدُونَ وَ بِتَسْدِيدِكَ وَ إِرْشَادِكَ نَجَا الصَّالِحُونَ اللَّهُمَّ آتِ نَفْسِي تَقْوَاهَا وَ أَنْتَ وَلِيُّهَا وَ مَوْلَاهَا وَ أَنْتَ خَيْرُ مَنْ زَكَّاهَا اللَّهُمَّ بَيِّنْ لَهَا رَشَادَهَا وَ تَقْوَاهَا وَ نَزِّلْهَا مِنَ الْجِنَانِ أَعْلَاهَا وَ طَيِّبْ وَفَاتَهَا وَ مَحْيَاهَا وَ أَكْرِمْ مُنْقَلَبَهَا وَ مَثْوَاهَا وَ مُسْتَقَرَّهَا وَ مَأْوَاهَا أَنْتَ رَبُّهَا وَ مَوْلَاهَا اللَّهُمَّ اسْمَعْ وَ اسْتَجِبْ بِرَحْمَتِكَ وَ مَنْزِلَةِ مُحَمَّدٍ وَ عَلِيٍّ وَ فَاطِمَةَ وَ الْحَسَنِ وَ الْحُسَيْنِ وَ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ وَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ وَ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ وَ مُوسَى بْنِ جَعْفَرٍ وَ عَلِيِّ بْنِ مُوسَى وَ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ وَ عَلِيِّ بْنِ مُحَمَّدٍ وَ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ وَ الْحُجَّةِ الْقَائِمِ صَلَوَاتُ اللَّهِ عَلَيْهِ وَ عَلَيْهِمْ عِنْدَكَ وَ بِمَنْزِلَتِهِمْ لَدَيْكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ.

উচ্চারণ: আনতাল্লাহু ল্লাযিস তাজাবাত আদামা ওয়া হাওওয়া হিনা ক্বলা (রব্বানা যালামনা আনফুসানা ওয়া ইললাম তাগফির লানা ওয়া তারহামনা লানা কুনান্না মিনাল খাসিরিন) ওয়া নাদাকা নুহুন ফাসতাজাবতা লাহু ওয়া নাজজাইতাহু ওয়া আলাহু মিনাল কারবিল আযিম, ওয়া আতফাঅতা নারা নুমরুদা আন খালিলিকা ইব্রাহিমা ফাজাআলতাহা আলইহি বারদাও ওয়া সালামা ওয়া আনতাল্লাযিস তাজাবতা লি আইয়্যুবা হিনা নাদাকা আন্নি মাস্সানিয়ায যুররু ওয়া আনতা আরহামুর রাহিমিন ফাকাশাফতা মা বিহি মিন যুররিও ওয়া আতাইতাহু আহলাহু ওয়া মিসলাহুম মাআহুম রাহমাতাম মিন ইন্দিকা ওয়া যিকরি লি উলিল আলবাব ওয়া আনতাল্লাযিস তাজাবতা লিযিন নুনি হিনা নাদাকা ফি যুলুমাতি আন লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমিন ফানাজ্জাইতাহু মিনাল গ্বাম্মি ওয়া আনতাল্লাযিস তাজাবতা লিমূসা ওয়া হারুনা দাওয়াতাহুমা হিনা কুলতু ক্বাদ উজিবাত দাওয়াতুকুমা ওয়া আগ্বরাক্ব্তা ফিরআউনা ওয়া ক্বাউমাহু ওয়া গ্বাফারতা লিদাউদা যাম্বাহু ওয়া নাব্বাহতা ক্বালবাহু ওয়া আরযাইতা খাসমাহু রাহমাতান মিনকা ওয়া যিকরি ওয়া আনতাল্লাযি ফাদাইতায যাবিহা বিযিবহিন আযিম হিনা আসলামা ওয়া তাল্লাহু লিলজাবিনি ফানাদাইতাহু বিলফারাজি  ওয়ার রুহি ওয়া আনতাল্লাযি নাদাকা যাকারিয়া নিদাআন খাফিআন কলা রাব্বি ইন্নি ওয়াহানাল আযমু মিন্নি ওয়াশতাআলার রাঅসু শাইবান ওয়া লাম আকুন বিদুয়ায়িকা রাব্বি শাক্বিইয়্যান ওয়া কুলতা ওয়া ইয়াদয়ুনানা রাগ্বাবান ওয়া রাহাবান ওয়া কানুলানা খাশিয়্যিনা ওয়া আনতাল্লাযিস তাজাবতা লিল্লাযিনা আমানু ওয়া আমিলুস সালিহাত লিতাযিদাহুম মিন ফাযলিকা রাব্বি ফালা তাজআলনি আহওয়ানার রাগ্বিবিনা ইলাইকা ওয়াস তাজিব লি কামাস তাজাবতা লাহুম বিহাক্কিহিম আলাইকা ওয়া তাহহিরনি ওয়া তাকাব্বাল সালাতি ওয়া হাসনাতি ওয়া তাইয়্যেব বাকিয়্যাতি হায়াতি ওয়া তাইয়্যেব বাকিয়্যাতা হায়াতি ওয়া তাইয়্যেব ওয়াফাতি ওয়াখলুফনি ফিমান উখাল্লিফু ওয়াহফাযহুম রাব্বি বিদুয়ায়ি ওয়াজআল যুররিয়াতি যুররিয়াতান তাইয়্যিবান তাহুতুহা বিহিয়াতাতিকা মিন কুল্লি মা হুততা মিনহু যুররিয়াতা আউলিয়াকা ওয়া আহলা ত্বাআতিকা বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামু ইয়া মান হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদীর ওয়া হুওয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন রাক্বিবুন ওয়া মিন কুল্লি সায়েলিন ক্বারিবুন ওয়া মিন কুল্লি দায়িমমিন খালক্বিহি মুজিবু আনতাল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা আনতা হাইয়্যিুল ক্বাইয়্যুমুল আহাদুস সামাদুল্লাযি লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইউলাদ ওয়া লাম ইয়া কুনল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ তামলিকুল কুদরাতাল্লাতি আলাওতা বিহা ফাওক্বা আরশিকা ওয়া রাফাঅতা বিহা সামওয়াতিকা ওয়া আরসাইতা বিহা জিবালাকা ওয়া ফারাশতা বিহা আরযাকা ওয়া আজরাইতা বিহাল আনহারা ওয়া সাখখারতা বিহাস সাহাবা ওয়াশ শামসা ওয়াল ক্বামারা ওয়াল লাইলা ওয়ান নাহারা ওয়া খালক্বতা বিহাল খালায়িক্বা আসআলুকা বিআযামাতি ওয়াজহিকাল কারিমিল্লাযি আশরাক্বতা বিহিস সামাওয়াতু ওয়া আযাআত বিহিয যুলুমাতু আন তুসাল্লিয়া আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলি মুহাম্মাদ ওয়া আন তুকফিয়ানি আমরা মান তুয়াদিনি ওয়া আমরা মাআদি ওয়া মাআশি ওয়া আসলেহ ইয়া রাব্বি শাঅনি ওয়া লা তাকিলনি ইলা নাফসি তারফাতা আইনিন ওয়া আসলেহ আমরা উলদি ওয়া আয়্যালি আগ্বনিনি ওয়া ইয়্যাহুম মিন খাযায়িনিকা ওয়াসাআতি রিযক্বিকিকা ওয়া ফাযলিকা ওয়ার যুক্বনিল ফিক্বহা ফি দিনিকা ওয়া আন ফিঅনি বিমা নাফাঅতা বিহি মানির তাযাইতা মিন ইবাদিকা ওয়াজআলনি লিলমুত্তাক্বিনা ইমামান কামা জাআলতা ইব্রাহিমা ফাইন্না বিতাওফিক্বিকা ইয়াফুযুল মুত্তাক্বুনা ওয়া ইয়াতুবুত তায়িবুনা ওয়া ইয়্যাবুদুকাল আবিদুনা ওয়া বিতাসদিদিকা ওয়া ইরশাদিকা নাজাস সালিহুন, আল্লাহুম্মা আতি নাফসি তাক্বওয়াহা ওয়া আনতা ওয়ালিয়্যিুহা ওয়া মাওলাহা ওয়া আনতা খায়রু মান যাককাহা আল্লাহুম্মা আইয়্যিল লাহা রাশাদাহা ওয়া তাক্বওয়াহা ওয়া নাযযিলহা মিনাল জিনানি আলাহা ওয়া তাইয়্যিব ওয়াফাতাহা ওয়া মাহইয়াহা ওয়া আকরিম মুনক্বালাবাহা ওয়া মাসওয়াহা ওয়া মুসতাক্বাররাহা ওয়া মাওয়াহা আনতা রাব্বুহা ওয়া মাওলাহা আল্লাহুম্মাস মাঅ ওয়াস তাজিব বিরাহমাতিকা ওয়া মানযিলাতি মুহাম্মাদিন ওয়া আলিয়্যাও ওয়া ফাতিমা ওয়াল হাসানি ওয়াল হুসাইনি ওয়া আলী বিন হুসাইনি ওয়া মুহাম্মাদ বিন আলী ওয়া জাফার বিন মুহাম্মাদ ওয়া মূসা বিন জাফার ওয়া আলী বিন মুসা ওয়া মুহাম্মাদ বিন আলী ওয়া আলী বিন মুহাম্মাদ ওয়াল হাসানি বিন আলী ওয়া হুজ্জাতিল কায়িমি সালাওয়াতুল্লাহি আলাইহি ওয়া আলাইহিম ইন্দাকা বি মনযিলাতিহিম লাদাইকা ইয়া আরহামার রাহিমিন।

৪. দোয়া পাঠ করা: শেখ কাফআমি এবং সৈয়দ ইবনে তাউস (রহ.) উভয়েই তাদের স্বীয় গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন যে, তারা বলেছেন: ১৫ই শাবানের রাতে নিন্মোক্ত দোয়াটি পাঠ করলে ইমাম মাহদী (আ.)-এর যিয়ারতের সমপরিমাণ সওয়াব পাওয়া যাবে:

اللَّهُمَّ بِحَقِّ لَيْلَتِنَا وَ مَوْلُودِهَا وَ حُجَّتِكَ وَ مَوْعُودِهَا الَّتِي قَرَنْتَ إِلَى فَضْلِهَا فَضْلاً فَتَمَّتْ كَلِمَتُكَ صِدْقاً وَ عَدْلاً لا مُبَدِّلَ لِكَلِمَاتِكَ وَ لا مُعَقِّبَ لِآيَاتِكَ نُورُكَ الْمُتَأَلِّقُ وَ ضِيَاؤُكَ الْمُشْرِقُ وَ الْعَلَمُ النُّورُ فِي طَخْيَاءِ الدَّيْجُورِ الْغَائِبُ الْمَسْتُورُ جَلَّ مَوْلِدُهُ وَ كَرُمَ مَحْتِدُهُ وَ الْمَلائِكَةُ شُهَّدُهُ وَ اللَّهُ نَاصِرُهُ وَ مُؤَيِّدُهُ إِذَا آنَ مِيعَادُهُ وَ الْمَلائِكَةُ [فَالْمَلائِكَةُ] أَمْدَادُهُ سَيْفُ اللَّهِ الَّذِي لا يَنْبُو وَ نُورُهُ الَّذِي لا يَخْبُو وَ ذُو الْحِلْمِ الَّذِي لا يَصْبُو مَدَارُ الدَّهْرِ وَ نَوَامِيسُ الْعَصْرِ وَ وُلاةُ الْأَمْرِ وَ الْمُنَزَّلُ عَلَيْهِمْ مَا يَتَنَزَّلُ [يَنْزِلُ ] فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ، وَ أَصْحَابُ الْحَشْرِ وَ النَّشْرِ تَرَاجِمَةُ وَحْيِهِ وَ وُلاةُ أَمْرِهِ وَ نَهْيِهِ اللَّهُمَّ فَصَلِّ عَلَى خَاتِمِهِمْ وَ قَائِمِهِمْ الْمَسْتُورِ عَنْ عَوَالِمِهِمْ اللَّهُمَّ وَ أَدْرِكْ بِنَا أَيَّامَهُ وَ ظُهُورَهُ وَ قِيَامَهُ وَ اجْعَلْنَا مِنْ أَنْصَارِهِ وَ اقْرِنْ ثَارَنَا بِثَارِهِ وَ اكْتُبْنَا فِي أَعْوَانِهِ وَ خُلَصَائِهِ وَ أَحْيِنَا فِي دَوْلَتِهِ نَاعِمِينَ وَ بِصُحْبَتِهِ غَانِمِينَ وَ بِحَقِّهِ قَائِمِينَ وَ مِنَ السُّوءِ سَالِمِينَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ وَ الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ وَ صَلَوَاتُهُ عَلَى [وَ صَلَّى اللَّهُ عَلَی] سَيِّدِنَا مُحَمَّدٍ خَاتَمِ النَّبِيِّينَ وَ الْمُرْسَلِينَ وَ عَلَى أَهْلِ بَيْتِهِ الصَّادِقِينَ وَ عِتْرَتِهِ النَّاطِقِينَ وَ الْعَنْ جَمِيعَ الظَّالِمِينَ وَ احْكُمْ بَيْنَنَا وَ بَيْنَهُمْ يَا أَحْكَمَ الْحَاكِمِينَ. [4]

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা বি হাক্কি লাইলাতিনা ওয়া মাউলুদিহা ওয়া হুজ্জাতিকা ওয়া মাউদিহাল্লাতি কারানতা ইলা ফাযলিহা ফাযলাকা ফাতাম্মাত কালিমাতুকা সিদকাও ওয়া আদলাল লা মুবাদ্দিলা লিকালিমাতিকা ওয়া লা মুআক্কিবা লি আয়াতিকা নুরুকাল মাতাআল্লিকু ওয়া যিয়াউকাল মুশরিকু ওয়াল আলামুন নুরু ফি খাতইয়ায়িদ দাইজুরিল গায়িবীল মাসতুরী হাল্লা মাউলিদুহু ওয়া কারুমা মাহতিদুহু ওয়াল মালায়িকাতু শুহহাদুহু ওয়াল্লাহু নাসিরুহু ওয়া মুআইয়িদুহু ইযা আনা মিআদুহু ওয়াল মালায়িকাতু আমদাদুহু সাইফুল্লা হিল্লাযি লা ইয়াম্বু ওয়া নুরুহুল্লাযি লা ইয়াখবু ওয়া যুল হিলমিল্লাযি লা ইয়াসবু মাদারুদ দাহরী ওয়া নাওয়ামিসুল আসরী ওয়া উলাতুল আমরী ওয়াল মুনযালি আলাইহিম মা ইয়াতানাযযালু ফি লাইলাতিল কাদরী ওয়া আসহাবুল হাশরী ওয়ান নাসরী তারজিমাতু ওয়াহয়িহি ওয়া উলাতু আমরীহি ওয়া নাহয়িহি আল্লাহুম্মা ফাসাল্লি আলা খাতামিহিম ওয়া কায়িমিহিল মাসতুর আন আওয়ালিমিহিম ওয়া আদরিক বিনা আইয়ামাহু ওয়া যুহুরাহু ওয়া কিয়ামাহু ওয়াজআলনা মিন আনসারিহি ওয়াক্বরুন সারানা বিসারিহি ওয়াকতুবনা ফি আওয়ানিহি ওয়া খুলাসায়িহি ওয়া আহয়িনা ফি দাউলাতিহি নায়িমিনা ওয়া বিসুহবাতিহি গানিমিনা ওয়া বি হাক্কিহি কায়িমিনা ওয়া মিনাস সুয়ী সালিমিনা ইয়া আরহামার রাহিমিন ওয়াল হামদু লিল্লাহি রাব্বিল আলামীন ওয়া সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদিন খাতিমিন নাবিয়্যিনা ওয়াল মুরসালিনা ওয়া আলা আহলে বাইতিহিস সাদিকিনা ওয়া ইতরাতিহিন নাতিক্বিনা ওয়াল আন জামিআয যালিমিনা ওয়াহকুম বাইনানা ওয়া বাইনাহুম ইয়া আহকামাল হাকিমিন।

. হযরত ইসমাইল বিন ফাযল হাশেমী বলেন: ইমাম সাদিক্ব (আ.) আমাকে এই দোয়াটির শিক্ষা দেন এবং যেন আমি  ১৫ই শাবান রাতে [১৪ই শাবান দিবাগত রাতে] নিন্মোক্ত দোয়াটি পাঠ করি:

اللَّهُمَّ‏  أَنْتَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ الْخَالِقُ الرَّازِقُ الْمُحْيِي الْمُمِيتُ الْبَدِي ءُ الْبَدِيعُ لَكَ الْجَلالُ وَ لَكَ الْفَضْلُ وَ لَكَ الْحَمْدُ وَ لَكَ الْمَنُّ وَ لَكَ الْجُودُ وَ لَكَ الْكَرَمُ وَ لَكَ الْأَمْرُ وَ لَكَ الْمَجْدُ وَ لَكَ الشُّكْرُ وَحْدَكَ لا شَرِيكَ لَكَ يَا وَاحِدُ يَا أَحَدُ يَا صَمَدُ يَا مَنْ لَمْ يَلِدْ وَ لَمْ يُولَدْ وَ لَمْ يَكُنْ لَهُ كُفُواً أَحَدٌ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ وَ اغْفِرْ لِي وَ ارْحَمْنِي وَ اكْفِنِي مَا أَهَمَّنِي وَ اقْضِ دَيْنِي وَ وَسِّعْ عَلَيَّ فِي رِزْقِي فَإِنَّكَ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ كُلَّ أَمْرٍ حَكِيمٍ تَفْرُقُ وَ مَنْ تَشَاءُ مِنْ خَلْقِكَ تَرْزُقُ فَارْزُقْنِي وَ أَنْتَ خَيْرُ الرَّازِقِينَ فَإِنَّكَ قُلْتَ وَ أَنْتَ خَيْرُ الْقَائِلِينَ النَّاطِقِينَ وَ اسْئَلُوا اللَّهَ مِنْ فَضْلِهِ فَمِنْ فَضْلِكَ أَسْأَلُ وَ إِيَّاكَ قَصَدْتُ وَ ابْنَ نَبِيِّكَ اعْتَمَدْتُ وَ لَكَ رَجَوْتُ فَارْحَمْنِي يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ. [5]

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আনতাল হাইয়্যুল কাইয়্যুমুল আলীউল আযিম খঅলিকুর রাযিকুল মুহয়্যিল মুমিতুল বাদিয়্যুল বাদিয়্যু লাকাল জালালু ওয়া লাকাল ফাযলু ওয়া লাকাল হামদু ওয়া লাকাল মান্নু ওয়া লাকাল জুদু ওয়া লাকাল কারামু ওয়া লাকাল আমরু ওয়া লাকাল মাজদু ওয়া লাকাশ শুকরু ওয়াহদাকা লা শারীকা লাকা ইয়া ওয়াহিদু ইয়া আহাদু ইয়া সামাদু ইয়া মান লাম ইয়ালিদ ওয়া লাম ইয়ুলাদ ওয়া লাম ইয়া কুনলাহু কুফুওয়ান আহাদ সাল্লি আলা মুহাম্মাদিন ওয়া আলি মুহাম্মাদ ওয়াগফির লি ওয়ারহামনী ওয়াকফিনী মা আহাম্মানী ওয়াক্বযি দিনী ওয়া ওয়াসসে আলাইয়া ফি রিযক্বি ফা ইন্নাকা কুলতা ওয়া আনতা খাইরুল কায়িলিনান নাতিকিনা ওয়াসআলুল্লাহা মিন ফাযলিহি ফামিন ফাযলিকা আসআলু ওয়া ইয়য়াকা কাসাদতু ওয়াবনা নাবিয়্যিকা তামাদতু ওয়া লাকা রাজাওতু ফারহামনী ইয়া আরহামার রাহিমিন।

. হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ১৫ই শাবান রাতে [১৪ই শাবান দিবাগত রাতে] এই দোয়াটি পাঠ করতেন:

اللَّهُمَّ اقْسِمْ لَنَا مِنْ خَشْيَتِكَ مَا يَحُولُ بَيْنَنَا وَ بَيْنَ مَعْصِيَتِكَ وَ مِنْ طَاعَتِكَ مَا تُبَلِّغُنَا بِهِ رِضْوَانَكَ و مِنَ الْيَقِينِ مَا يَهُونُ عَلَيْنَا بِهِ مُصِيبَاتُ الدُّنْيَا اللَّهُمَّ أَمْتِعْنَا بِأَسْمَاعِنَا وَ أَبْصَارِنَا وَ قُوَّتِنَا مَا أَحْيَيْتَنَا وَ اجْعَلْهُ الْوَارِثَ مِنَّا وَ اجْعَلْ ثَارَنَا عَلَى مَنْ ظَلَمَنَا وَ انْصُرْنَا عَلَى مَنْ عَادَانَا وَ لا تَجْعَلْ مُصِيبَتَنَا فِي دِينِنَا وَ لا تَجْعَلِ الدُّنْيَا أَكْبَرَ هَمِّنَا وَ لا مَبْلَغَ عِلْمِنَا وَ لا تُسَلِّطْ عَلَيْنَا مَنْ لا يَرْحَمُنَا بِرَحْمَتِكَ يَا أَرْحَمَ الرَّاحِمِينَ. [6]

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাক সিম লানা মিন খাশিয়াতিকা মা ইয়াহুলু বাইনানা ওয়া বাইনা মাঅসিয়াতিকা ওয়া মিন ত্বআতিকা মা তুবাল্লিগুনা বিহি রিযওয়ানাকা ওয়া মিনাল ইয়াক্বিনী মা ইয়াহুনু আলাইনা বিহি মুসিবাতুদ দুনইয়া। আল্লাহুম্মা আতিঅনা বিআসমায়ীনা ওয়া আবসারীনা ওয়া কুওয়াতিনা মা আহইয়াইতানা ওয়াজআলহুল ওয়ারিসা মিন্না ওয়াজআল সারানা আলা মান যালামানা ওয়ানসুরনা আলা মান আদানা ওয়া লা তাজআল মুসিবাতানা ফি দীনানা ওয়া লা তাজআলিদ দুনিয়া আকবারা হাম্মিনা ওয়া লা মাবলাগ্বা ইলমিনা ওয়া লা তুসাল্লিত আলাইনা মান লা ইয়ারহামুনা বি রাহমাতিকা ইয়া আর হামার রাহিমিন।

. শাবান মাসে প্রত্যেকদিন যাওয়ালের সময় এবং বিশেষত ১৫ই শাবানের রাতে [১৪ই শাবান দিবাগত রাতে] এই সালাওয়াতটি পাঠ করার বিশেষ ফযিলত বর্ণিত হয়েছে।

اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى‏ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ شَجَرَةِ النُّبُوَّةِ وَ مَوْضِعِ الرِّسَالَةِ وَ مُخْتَلَفِ الْمَلاَئِكَةِ وَ مَعْدِنِ الْعِلْمِ وَ أَهْلِ بَيْتِ الْوَحْيِ اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى‏ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ الْفُلْكِ الْجَارِيَةِ فِي اللُّجَجِ الْغَامِرَةِ يَامَنُ مَنْ رَكِبَهَا وَ يَغْرَقُ مَنْ تَرَكَهَا الْمُتَقَدِّمُ لَهُمْ مَارِقٌ وَ الْمُتَأَخِّرُ عَنْهُمْ زَاهِقٌ وَ اللاَزِمُ لَهُمْ لاَحِقٌ اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى‏ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ الْكَهْفِ الْحَصِينِ وَ غِيَاثِ الْمُضْطَرِّ الْمُسْتَكِينِ وَ مَلْجَإِ الْهَارِبِينَ وَ عِصْمَةِ الْمُعْتَصِمِينَ اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى‏ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ صَلاَةً كَثِيرَةً تَكُونُ لَهُمْ رِضًي‏ وَ لِحَقِّ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ أَدَاءً وَ قَضَاءً بِحَوْلٍ مِنْكَ وَ قُوَّةٍ يَا رَبَّ الْعَالَمِيْنَ اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى‏ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ الطَّيِّبِيْنَ الاَبْرَارِ اِلاَّخْيَارِ الَّذِينَ أَوْجَبْتَ حُقُوقَهُمْ وَ فَرَضْتَ طَاعَتَهُمْ وَ وِلاَيَتَهُمْ اَللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى‏ مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ وَ اعْمُرْ قَلْبِي بِطَاعَتِكَ وَ لاَ تُخْزِنِي بِمَعْصِيَتِكَ وَ ارْزُقْنِي مُوَاسَاةَ مَنْ قَتَّرْتَ عَلَيْهِ مِنْ رِزْقِكَ، ،بِمَا وَسَّعْتَ عَلَى مِنْ فَضْلِكَ وَ نَشَرْتَ عَلَى مِنْ عَدْلِكَ وَ أَحْيَيْتَنِي تَحْتَ ظِلِّكَ وَ هَذَا شَهْرُ نَبِيِّكَ سَيِّدِ رُسُلِكَ شَعْبَانُ الَّذِي حَفَفْتَهُ مِنْكَ بِالرَّحْمَةِ وَ الرِّضْوَانِ الَّذِي كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّه‏عَلَيْهِ وَ آلِهِ وَ [سَلَّمَ‏] يَدْأَبُ فِي صِيَامِهِ وَ قِيَامِهِ فِي لَيَآلِيهِ وَ أَيَامِهِ بُخُوعا لَكَ فِي إِكْرَامِهِ وَ إِعْظَامِهِ إلَى‏ مَحَلِّ حِمَامِهِ اَللَّهُمَّ فَأَعِنَّا عَلَى‏ اِلاَّسْتِنَانِ بِسُنَّتِهِ فِيْهِ وَ نَيْلِ الشَّفَاعَةِ لَدَيْهِ اَللَّهُمَّ وَ اجْعَلْهُ لِي شَفِيعا مُشَفَّعا وَ طَرِيقا إلَيْكَ مَهْيَعا وَ اجْعَلْنِي لَهُ مُتَّبِعا حَتَّي‏ أَلْقَاكَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ عَنِّي رَاضِيَا وَ عَنْ ذُنُوبِي غَاضِيَا قَدْ أَوْجَبْتَ لِي مِنْكَ الرَّحْمَةَ وَ الرِّضْوَانَ وَ أَنْزَلْتَنِي دَارَ الْقَرَارِ وَ مَحَلَّ اِلاَّخْيَارِ.

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলি মুহাম্মাদ শাজারাতিন নাবুওয়াতি ওয়া মাউযিয়ীর রিসালাতী ওয়া মুখতালাফিল মালায়িকাতি ওয়া মাঅদিনিল ইলমী ওয়া আহলী বাইতিল ওয়াহী। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলি মুহাম্মাদিল ফুলকিল জারিয়াতি ফিল লুজাজিল গামিরাতি ইয়ামানু মান রাকিবাহা ওয়া ইয়াগরাকু মান তারাকাহাল মুতাকাদ্দিমু লাহুম মারিকুঁ ওয়াল মুতাআখখিরু আনহুম যাহিকুঁ ওয়াল আযিমু লাহুম আহিক্বু আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলি মুহাম্মাদিল কাহফিল হাসীন ওয়া গ্বিয়াসীল মুযতাররিল মুসতাকিনি ওয়া মালজায়ীল হারিবিনা ওয়া ইসমাতীল মুতাসিমিন। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলি মুহাম্মাদ সালাতান কাসীরাতান তাকুনু লাহুম রিদাও ওয়ালি হাক্কি মুহাম্মাদ ওয়া আলি মুহাম্মাদ আদাআও ওয়া কাযাআ বিহাওলিম মিনকা ওয়া কুওয়্যাতিন ইয়া রাব্বাল আলামীন। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলি মুহাম্মাদিত তাইয়্যিবিনাল আবরারিল আখইয়ারীলল্লাযিনা আউজাবতা হুক্বুক্বাহুম ওয়া ফারাযতা ত্বআতাহুম ওয়া ওয়েলায়াতাহুম। আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলি মুহাম্মাদ ওয়া মুর ক্বালবী বিত্বআতিকা ওয়া লা তুখযিনী বিমাঅসীয়াতিকা ওয়ার যুরক্বনী মুওয়াসাতা মান ক্বাত্তারতা আলাইহী মিন রিযক্বিকা বিমা ওয়াসসাঅতা আলা মিন ফাযলিকা ওয়া নাশারতা আলা মিন আদলিকা ওয়া আহইয়াইতানী তাহতায যিল্লিকা ওয়া হাযা শাহরু নাবিয়্যিকা সাইয়্যিদি রুসুলিকা শাবানুল্লাযি হাফাফতাহু মিনকা বিররামাতি ওয়ার রিযওয়ানীলল্লাযি কানা  রাসুলুল্লাহি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া আলিহি ওয়া সাল্লাম ইয়াদআবু ফি সীয়ামিহি ওয়া ক্বিয়ামিহি ফি লায়ালিহি ওয়া আয়ামিহি বুখুআ লাকা ফি ইকরামিহি ওয়া এঅযামিহি ইলা মাহাল্লি হিমামিহি আল্লাহুম্মা ফাআইন্না আলা ইসতিনানী বি সুন্নাতিহি ফিহি ওয়া নাইলীশ শাফাআতি লাদাইহী। আল্লাহুম্মা ওয়াজআলহু লি শাফিয়ান মুশাফফাআও ওয়া তারিক্বা ইলাইকা মাহইয়াআও ওয়াজ আলনী লাহু মুত্তাবিআন হাত্তা আলকাহু ইয়াওমাল কিয়ামাতি আন্নি রাযিয়ান ওয়া আন যুনুবি গ্বাযিয়ান ক্বাদ আউজাবতা লি মিনকার রাহমাতা ওয়ার রিযওয়ানা ওয়া আনযালতানী দারাল ক্বারারী ওয়া মাহাল্লাল আখইয়ার।

৮. দোয়া-এ কুমাইল পাঠ করা।

৯. নিন্মোক্ত তসবিহসমূহ পাঠ করা

(سُبْحَانَ اللَّهِ) সুবহান আল্লাহ – ১০০ বার।

(الْحَمْدُ لِلَّهِ) আলহামদু লিল্লাহ- ১০০ বার।

(اللَّهُ أَكْبَر) আল্লাহু আকবার – ১০০ বার।

(لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ‏) লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ – ১০০ বার।

এই পদ্ধতিতে তসবিহসমূহ পাঠ করলে আল্লাহ তার পূর্বের কৃত গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দিবেন এবং তার দোয়াসমূহকে কবুল করবেন।

১০. শেখ তুসী তার মেসবাহ নামক গ্রন্থে হযরত আবু ইয়াহিয়া (রহ.) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি ইমাম জাফর সাদিক্ব (আ.) কে জিজ্ঞাসা করেন ১৫ই শাবান রাতে সবচেয়ে উত্তম আমল কোনটি? তিনি বলেন: এশার নামাজের পরে দুই রাকাত নামাজ পড়বে। প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে সুরা কাফিরুন ১ বার এবং দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ফাতিহার পর সুরা ইখলাস ১ বার পাঠ করবে। নামাজান্তে ৩৩ বার সুবহান আল্লাহ, ৩৩ বার আল হামদুলিল্লাহ, ৩৪ বার আল্লাহু আকবার পাঠ করবে, তারপর বলবে:

يَا مَنْ إِلَيْهِ مَلْجَأُ الْعِبَادِ [يَلْجَأُ الْعِبَادُ] فِي الْمُهِمَّاتِ وَ إِلَيْهِ يَفْزَعُ الْخَلْقُ فِي الْمُلِمَّاتِ يَا عَالِمَ الْجَهْرِ وَ الْخَفِيَّاتِ يَا مَنْ لا تَخْفَى عَلَيْهِ خَوَاطِرُ الْأَوْهَامِ وَ تَصَرُّفُ الْخَطَرَاتِ يَا رَبَّ الْخَلائِقِ وَ الْبَرِيَّاتِ يَا مَنْ بِيَدِهِ مَلَكُوتُ الْأَرَضِينَ وَ السَّمَاوَاتِ أَنْتَ اللَّهُ لا إِلَهَ إِلا أَنْتَ أَمُتُّ إِلَيْكَ بِلا إِلَهَ إِلّا أَنْتَ فَيَا لا إِلَهَ إِلّا أَنْتَ اجْعَلْنِي فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ مِمَّنْ نَظَرْتَ إِلَيْهِ فَرَحِمْتَهُ وَ سَمِعْتَ دُعَاءَهُ فَأَجَبْتَهُ وَ عَلِمْتَ اسْتِقَالَتَهُ فَأَقَلْتَهُ وَ تَجَاوَزْتَ عَنْ سَالِفِ خَطِيئَتِهِ وَ عَظِيمِ جَرِيرَتِهِ فَقَدِ اسْتَجَرْتُ بِكَ مِنْ ذُنُوبِي وَ لَجَأْتُ إِلَيْكَ فِي سَتْرِ عُيُوبِي اللَّهُمَّ فَجُدْ عَلَيَّ بِكَرَمِكَ وَ احْطُطْ خَطَايَايَ بِحِلْمِكَ وَ عَفْوِكَ وَ تَغَمَّدْنِي فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ بِسَابِغِ كَرَامَتِكَ وَ اجْعَلْنِي فِيهَا مِنْ أَوْلِيَائِكَ الَّذِينَ اجْتَبَيْتَهُمْ لِطَاعَتِكَ وَ اخْتَرْتَهُمْ لِعِبَادَتِكَ وَ جَعَلْتَهُمْ خَالِصَتَكَ وَ صَفْوَتَكَ. اللَّهُمَّ اجْعَلْنِي مِمَّنْ سَعَدَ جَدُّهُ وَ تَوَفَّرَ مِنَ الْخَيْرَاتِ حَظُّهُ وَ اجْعَلْنِي مِمَّنْ سَلِمَ فَنَعِمَ وَ فَازَ فَغَنِمَ وَ اكْفِنِي شَرَّ مَا أَسْلَفْتُ وَ اعْصِمْنِي مِنَ الازْدِيَادِ فِي مَعْصِيَتِكَ وَ حَبِّبْ إِلَيَّ طَاعَتَكَ وَ مَا يُقَرِّبُنِي مِنْكَ وَ يُزْلِفُنِي عِنْدَكَ سَيِّدِي إِلَيْكَ يَلْجَأُ الْهَارِبُ وَ مِنْكَ يَلْتَمِسُ الطَّالِبُ وَ عَلَى كَرَمِكَ يُعَوِّلُ الْمُسْتَقِيلُ التَّائِبُ أَدَّبْتَ عِبَادَكَ بِالتَّكَرُّمِ وَ أَنْتَ أَكْرَمُ الْأَكْرَمِينَ وَ أَمَرْتَ بِالْعَفْوِ عِبَادَكَ وَ أَنْتَ الْغَفُورُ الرَّحِيمُ اللَّهُمَّ فَلا تَحْرِمْنِي مَا رَجَوْتُ مِنْ كَرَمِكَ وَ لا تُؤْيِسْنِي مِنْ سَابِغِ نِعَمِكَ وَ لا تُخَيِّبْنِي مِنْ جَزِيلِ قِسَمِكَ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ لِأَهْلِ طَاعَتِكَ وَ اجْعَلْنِي فِي جُنَّةٍ مِنْ شِرَارِ بَرِيَّتِكَ رَبِّ إِنْ لَمْ أَكُنْ مِنْ أَهْلِ ذَلِكَ فَأَنْتَ أَهْلُ الْكَرَمِ وَ الْعَفْوِ وَ الْمَغْفِرَةِ، وَ جُدْ عَلَيَّ بِمَا أَنْتَ أَهْلُهُ لا بِمَا أَسْتَحِقُّهُ فَقَدْ حَسُنَ ظَنِّي بِكَ وَ تَحَقَّقَ رَجَائِي لَكَ وَ عَلِقَتْ نَفْسِي بِكَرَمِكَ فَأَنْتَ أَرْحَمُ الرَّاحِمِينَ وَ أَكْرَمُ الْأَكْرَمِينَ اللَّهُمَّ وَ اخْصُصْنِي مِنْ كَرَمِكَ بِجَزِيلِ قِسَمِكَ وَ أَعُوذُ بِعَفْوِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ وَ اغْفِرْ لِيَ الذَّنْبَ الَّذِي يَحْبِسُ عَلَيَّ الْخُلُقَ وَ يُضَيِّقُ عَلَيَّ الرِّزْقَ حَتَّى أَقُومَ بِصَالِحِ رِضَاكَ وَ أَنْعَمَ بِجَزِيلِ عَطَائِكَ وَ أَسْعَدَ بِسَابِغِ نَعْمَائِكَ فَقَدْ لُذْتُ بِحَرَمِكَ وَ تَعَرَّضْتُ لِكَرَمِكَ وَ اسْتَعَذْتُ بِعَفْوِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ وَ بِحِلْمِكَ مِنْ غَضَبِكَ فَجُدْ بِمَا سَأَلْتُكَ وَ أَنِلْ مَا الْتَمَسْتُ مِنْكَ أَسْأَلُكَ بِكَ لا بِشَيْ ءٍ هُوَ أَعْظَمُ مِنْكَ .

উচ্চারণ: ইয়া মান ইলাইহী মুলজাউল ইবাদী ইয়াল জাউল ইবাদী ফিল মুহেম্মাতি ওয়া ইলাইহী ইয়াফযায়ুল খালক্বু ফিল মুলিম্মাতি ইয়া আলিমাল জাহরী ওয়াল খাফিয়্যাতি ওয়া ইয়া মান লা তাকফা আলাইহী খাওয়াতীরুল আউহামী ওয়া তাতাসুররুল খাতারাতি ইয়া রাব্বাল খালায়িক্বি ওয়াল বারিয়্যাতি ইয়া মান বিইয়াদিহি মালাকুতুল আরাযিনা ওয়াস সামাওয়াতি আনতাল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা আনতা আমুত্তু ইলাইকা বিলা ইলাহা ইল্লা আনতা ফা ইয়া লা ইলাহা ইল্লা আনতাজ আলনী ফি হাযিহিল লাইলাতি মিম্মান নাযারতা ইলাইহি ফারাহিমতাহু ওয়া সামীঅতা দুয়াআহু ফাআজাবতাহু ওয়া আলিমতাস তিক্বলাতাহু ফা আকালতাহু ওয়া তাজাওয়াযতা আন সালিফি খাতিয়াতিহি ওয়া আযিমি জারিরাতিহি ফাকাদিস তাজারতু বিকা মিন যুনুবি ওয়া লাজাঅতু ইলাইকা ফি সাতরী উয়ুবি। আল্লাহুম্মা ফাজুদ আলাইয়া বিকারামিকা ওয়াহতুত খাতায়ায়া বিহিলমিকা ওয়া আফওয়িকা ওয়া তুগাম্মাদনী ফি হাযিহিল লাইলাতি বিসাবিগ্বি কারামাতিকা ওয়াজ আলনী ফিহা মিন আউলিয়ায়ি কাল্লাযিনাজ তাবাইতাহুম লিত্বআতিকা ওয়াখতারতাহুম লিইবাদাতিকা ওয়াজআলতাহুম খালিসাতাকা ওয়া সাফওয়াতাকা। আল্লাহুম্মাজ আলনী মিম্মান সাআদা জাদ্দুহু ওয়া তাওয়াফফারা মিনাল খাইরাতি হাযযুহু ওয়াজআলনী মিম্মান সালিমা ফানায়ীমা ওয়অ ফাযা ফাগানিমা ওয়াকফিনি সাররাম মা আসলাফতু ওয়াসিমনি মিনাল ইযদীইয়াদী ফি মাঅসীয়াতিকা ওয়া হাববীব ইলাইয়া ত্বআতাকা ওয়া মা ইউকাররিবুনী মিনকা ইউযলিফুনী ইন্দাকা সাইয়্যিদি ইলাইকা ইয়ালজায়ুল হারিবু ওয়া মিনকা ইয়ালতামিসুত তালিবু ওয়া আলা কারামিকা ইয়াউলুল মুসতাকিলুত তায়িবু আদ্দাবতা ইবাদিকা বিততাকাররুমী ওয়া আনতা আকরামুল আকরামিন ওয়া আমারতা বিল আফওয়ি ইবাদাকা ওয়া আনতাল গাফুরুর রাহিম। আল্লাহুম্মা ফালা তাহরিমনী মা রাজাওতু মিন কারামিকা ওয়া লা তুইসনী মিন সাবিগ্বি নিয়ামিকা ওয়া লা তুখাইয়িবনী মিন জাযিলি কাসমিকা ফি হাযিহিল লাইলাতি লি আহলী ত্বআতিকা ওয়াজআলনী ফি জুন্নাতী মিন সিরারী বারিইয়্যাতিকা রাব্বি ইলঁ লাম আকুন মিন আহলি যালিকা ফাআনতা আহলুল কারামি ওয়াল আফওয়ি ওয়াল মাগফিরাতি ওয়া জুদ আলাইয়া বিমা আনতা আহলুহু লা বিমা আসতাহিক্ককুহু ফাক্বাদ হাসুনা যান্নি বিকা ওয়াতাহাক্কাকা রাজায়ি লাকা ওয়া আলিকাত নাফসী বি কারামিকা ফা আনতা আরহামুর রাহিমিন ওয়া আকরামুল আকরামিন। আল্লাহুম্মা ওয়াখ সুসনী মিন কারামিকা বিজাযিলি ক্বাসমিকা ওয়া আউযু বিআফওয়িকা মিন উকুবাতিকা ওয়াগফিরলিয যাম্বাল্লাযি ইয়াহবিসু আলাইয়াল খালকা ওয়া ইউযাইয়্যেকু আলাইয়ার রিযকা হাত্তা আকুমা বিসালিহি রিযাকা ওয়া আনআমা বিজাযিলি আতায়্যিকা ওয়া আসআদা বিসাবিগ্বি নাঅমায়্যিকা ফাকাদ যুলতু বিহারামিকা ওয়াতা আররাযতু লিকারামিকা ওয়াসতাআযতু বিআফওয়িকা মিন উকুবাতিকা ওয়া বিহিলমিকা মিন গ্বাযাবিকা ফাজুদ বিমা সাআলতুকা ওয়া আনিল মাল তামাসতু মিনকা আসআলুকা বিকা লা বি শাইয়্যিন হুওয়া আযামু মিনকা।

তারপর সিজদারত অবস্থায়: ২০ বার বলবে:  (يَا رَبِّ)

৭ বার বলতে হবে:  (يَا اللَّهُ)

৭ বার বলতে হবে:   (لاَ حَوْلَ وَلاَ قُوَّةَ اِلاَّ بِاللَّهِ)

৭ বার বলতে হবে: ( مَا شآءَ اللَّهُ)

১০ বার দুরুদ শরীফ পাঠ করতে হবে

তারপরে বলতে হবে: (لاَ قُوّةَ اِلاَّ بِاللَّهِ)।

তারপর দোয়া করতে হবে।এই আমলকারীর চাহিদা যদি বৃষ্টির ফোটার ন্যায় অগণিত হয় তাহলেও আল্লাহ  তার চাহিদাকে পূর্ণ করবেন। [7]

১১. শেখ আবু জাফর তুসী (রহ.) বর্ণনা করেছেন যে, উপরে উল্লেখিত সিজদার পরে নিন্মোক্ত দোয়াটি পাঠ করা উত্তম:

إِلَهِي تَعَرَّضَ لَكَ فِي هَذَا اللَّيْلِ الْمُتَعَرِّضُونَ وَ قَصَدَكَ الْقَاصِدُونَ وَ أَمَّلَ فَضْلَكَ وَ مَعْرُوفَكَ الطَّالِبُونَ وَ لَكَ فِي هَذَا اللَّيْلِ نَفَحَاتٌ وَ جَوَائِزُ وَ عَطَايَا وَ مَوَاهِبُ تَمُنُّ بِهَا عَلَى مَنْ تَشَاءُ مِنْ عِبَادِكَ وَ تَمْنَعُهَا مَنْ لَمْ تَسْبِقْ لَهُ الْعِنَايَةُ مِنْكَ وَ هَا أَنَا ذَا عُبَيْدُكَ الْفَقِيرُ إِلَيْكَ الْمُؤَمِّلُ فَضْلَكَ وَ مَعْرُوفَكَ فَإِنْ كُنْتَ يَا مَوْلايَ تَفَضَّلْتَ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ عَلَى أَحَدٍ مِنْ خَلْقِكَ وَ عُدْتَ عَلَيْهِ بِعَائِدَةٍ مِنْ عَطْفِكَ فَصَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ الطَّيِّبِينَ الطَّاهِرِينَ الْخَيِّرِينَ الْفَاضِلِينَ وَ جُدْ عَلَيَّ بِطَوْلِكَ وَ مَعْرُوفِكَ يَا رَبَّ الْعَالَمِينَ وَ صَلَّى اللَّهُ عَلَى مُحَمَّدٍ خَاتَمِ النَّبِيِّينَ وَ آلِهِ الطَّاهِرِينَ وَ سَلَّمَ تَسْلِيماً إِنَّ اللَّهَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ إِنِّي أَدْعُوكَ كَمَا أَمَرْتَ فَاسْتَجِبْ لِي كَمَا وَعَدْتَ إِنَّكَ لا تُخْلِفُ الْمِيعَادَ. [8]

উচ্চারণ: ইলাহী তাআররাযা লাকা ফি হাযাল লাইলিল মুতাআররিযুনা ওয়া কাসাদাকাল কাসীদুনা ওয়া আম্মালা ফাযলাকা ওয়া মারুফাকাত তালিবুনা ওয়া লাকা ফি হাযাল লাইলি নাফাহাতু ওয়া জাওয়ায়েযু ওয়া আতায়া ওয়া মাওয়াহিবু তামুন্নু বিহা আলা মান তাশায়ু মিন ইবাদিকা ওয়া তামনাউহা মান লাম তাসবিক্ব লাহুল ইনায়াতু মিনকা ওয়া হা আনা যা উবাইদুকাল ফাকিরু ইলাইকাল মুআম্মেলু ফাযলাকা ওয়া মাঅরুফাকা ফাইন কুনতা ইয়া মাওলায়া তাফাযযালতা ফি হাযিহিল লাইলাতি আলা আহাদিম মিন খালকিকা ওয়া উদতা আলাইহি বিআয়িদাতিম মিন আতফিকা ফাসাল্লি আলা মুহাম্মাদিও ওয়া আলি মুহাম্মাদিত তাইয়্যিবিনাত তাহিরিনাল খাইয়্যিরিনাল ফাযিলিন ওয়া জুদ আলাইয়া বিতাউলিকা ওয়া মারুফিকা ইয়া রাব্বাল আলামীন ওয়া সাল্লাল্লাহু আলা মুহাম্মাদিন খাতিমিন নাবিয়্যিনা ওয়া আলিহিত তাহিরিনা ওয়া সাল্লামা তাসলিমা ইন্নাল্লাহা হামিদুম মাজিদ। আল্লাহুম্মা ইন্নি আদউকা কামা আমারতা ফাসতাজিব লি কামা ওয়াআদতা ইন্নাকা লা তুখলিফুল মিআদ।

১২. রাসুল (সা.) হতে বর্ণিত সিজদার যিকির এবং দোয়াসমূহ পাঠ করতে হবে। শেখ (রহ.) হাম্মাদ বিন ঈসা ও আবান বিন তাগলুব হতে রেওয়ায়েত বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: ইমাম জাফর সাদিক্ব (আ.) বলেছেন: ১৪ই শাবানের দিবাগত রাতে রাসুল (সা.) হযরত আয়েশা-এর ঘরে ছিলেন। রাত্রি হলে তিনি ইবাদতের জন্য জাগ্রত হন। যখন হযরত আয়েশা ঘুম থেকে জাগ্রত হন তখন দিনি দেখেন যে, রাসুল (সা.) তাঁর ঘরে নেই। তিনি ধারণা করেন যে, তিনি (সা.) হয়তো অন্য কোন স্ত্রীর ঘরে গেছেন। এ চিন্তায় তিনি চাদর পরিধান করে রাসুল (সা.)-এর অন্যান্য স্ত্রীদের ঘরে তাঁকে খোঁজার জন্য যান। এমতাবস্থায় হঠাৎ তিনি দেখতে পান যে, রাসুল (সা.) সিজদাবনত অবস্থায় রয়েছেন। তিনি রাসুল (সা.)এর নিকটবর্তি হলে শুনতে পান যে, তিনি সিজদারত অবস্থায় বলছিলেন:

سَجَدَ لَكَ سَوَادِي وَ جِنَانِي وَ آمَنَ بِكَ فُؤَادِي وَ هَذِهِ يَدَايَ وَ مَا جَنَيْتُ بِهِمَا عَلَى نَفْسِي يَا عَظِيمُ يُرْجَى لِكُلِّ عَظِيمٍ اغْفِرْ لِيَ الذَّنْبَ الْعَظِيمَ فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذَّنْبَ الْعَظِيمَ إِلَّا الْعَظِيم‏

উচ্চারণ: সাজাদা লাকা সাওয়াদী ওয়া খায়ালী ওয়া আমানা বিকা ফুওয়াদি হাযিহি ইয়াদায়া ওয়া মা জানাইতু বিহিমা আলা নাফসি ইয়া আযিমু ইউরজা লিকুল্লি আযিম ইগ্বফিরলিয়ায যাম্বাল আযিম ফাইন্নাহু লা ইয়াগ্বফিরুয যাম্বাল আযিমা ইল্লা আযিম।

তারপর তিনি সিজদা থেকে মাথাকে উত্তোলন করেন এবং পুণরায় সিজদাতে যেয়ে বলেন:

أَعُوذُ بِنُورِ وَجْهِكَ الَّذِي أَضَاءَتْ لَهُ السَّمَاوَاتُ وَ الْأَرَضُونَ وَ انْكَشَفَتْ لَهُ الظُّلُمَاتُ وَ صَلَحَ عَلَيْهِ أَمْرُ الْأَوَّلِينَ وَ الْآخِرِينَ مِنْ فُجْأَةِ نَقِمَتِكَ وَ مِنْ تَحْوِيلِ عَافِيَتِكَ وَ مِنْ زَوَالِ نِعْمَتِكَ اللَّهُمَّ ارْزُقْنِي قَلْباً تَقِيّاً نَقِيّاً وَ مِنَ الشِّرْكِ بَرِيئا لا كَافِراً وَ لا شَقِيّاً.

উচ্চারণ: আউযু বিনূরী ওয়াজহিকাল্লাযি আযাআত লাহুস সামাওয়াতু ওয়াল আরাযুনা ওয়ান কাশাফাত লাহুয যুলুমাতু ওয়া সালাহা আলাইহি আমরুল আওয়ালিনা ওয়াল আখিরিনা মিন ফুজাআতি নাকিমাতিকা ওয়া মিন তাহওয়িলি আফিয়াতিকা ওয়া মিন যাওয়ালি নেয়মাতিকা আল্লাহুম্মার যুকনি কালবান তাকিয়ান নাকিয়ান ওয়া মিনাশ শিরকি বারিয়ান লা কাফিরাও ওয়া লা শাকিয়া।

তারপর তিনি তাঁর গন্ডদেশকে মাটিতে উপরে রেখে বলেন:

عَفَّرْتُ وَجْهِي فِي التُّرَابِ وَ حُقَّ لِي أَنْ أَسْجُدَ لَكَ.

উচ্চারণ: গাফারতু ওয়াজহি ফিত তুরাবি ওয়া হুক্কা লি আন আসজুদা লাকা।

আমলটি করার পরে যখন রাসুল (সা.) বাড়ি ফেরার জন্য প্রস্তুতি নেন তখন হযরত আয়েশা তাড়াতাড়ি তাঁর বিছানায় শুয়ে পড়েন। যখন রাসুল (সা.) হযরত আয়েশার ঘরে এসে দেখেন যে, তিনি দীর্ঘ নিঃশ্বাস নিয়ে ঘুমাচ্ছেন। তিনি তাঁকে ঘুম থেকে জাগ্রত করে বলেন: তুমি কি এই রাত্রির ফযিলত সম্পর্কে অবগত না? রাসুল (সা.) বলেন: আজকে রাতে রুজি এবং মৃত্যুর ক্ষণ নির্ধারণ করা হয়, এই বছরে যে হজ্বে যাবে তার নামকে লিপিবদ্ধ করা হয়, এই রাতে আল্লাহ তায়াল বণি কেলাম গোত্রের পশুর শরীরে পশমের সমপরিমাণ বান্দাদেরকে ক্ষমা করে দেন এবং এই রাতে আল্লাহ তার ফেরেশতাদেরকে মক্কা ও পৃথিবীর উদ্দেশ্যে প্রেরণ করেন।[9]

১৩. নামাজ-এ জাফরে তাইয়ার পড়া। এই নামাজটি শেখ ইমাম রেযা (আ.) হতে বর্ণনা করেছেন।

হযরত জাফর তৈয়ার (রা.) সম্পর্কিত বিশেষ মুস্তাহাব নামাজটি ৪ রাকাত। প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে সুরা ‍যিলযাল পাঠ করতে হবে তারপর ১৫ বার তসবিহে আরবাআ [سُبْحَانَ اللَّهِ وَ الْحَمْدُ لِلَّهِ وَ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَ اللَّهُ أَكْبَرُ ] পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে সুরা আদিয়াত পাঠ করতে হবে তারপর ১৫ বার তসবিহে আরবাআ পাঠ করতে হবে। তারপর রুকু অবস্থায় ১০ বার তসবিহে আরবাআ পাঠ করতে হবে। রুকু থেকে দাড়িয়ে ১০ বার তসবিহে আরবাআ পাঠ করতে হবে। প্রথম সিজদাতে ১০ বার তসবিহে আরবাআ পাঠ করতে হবে। প্রথম সিজদা থেকে উঠে বসার পরে ১০ বার তসবিহে আরবাআ পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় সিজদাতে ১০ বার তসবিহে আরবাআ পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় সিজদা থেকে উঠে বসার পরে ১০ বার তসবিহে আরবাআ পাঠ করতে হবে। 

তসবিহে আরবাআ:

سُبْحَانَ اللَّهِ وَ الْحَمْدُ لِلَّهِ وَ لاَ إِلَهَ اِلاَّ اللَّهُ وَ اللَّهُ أَكبَرُ

উচ্চারণ: সুবহানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার।

সূরা যিলযাল বাংলা উচ্চারণ:

إِذَا زُلْزِلَتِ ٱلْأَرْضُ زِلْزَالَهَا وَأَخْرَجَتِ ٱلْأَرْضُ أَثْقَالَهَا وَقَالَ ٱلْإِنسَٰنُ مَا لَهَا يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا بِأَنَّ رَبَّكَ أَوْحَىٰ لَهَا يَوْمَئِذٍ يَصْدُرُ ٱلنَّاسُ أَشْتَاتًا لِّيُرَوْا أَعْمَٰلَهُمْ فَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ خَيْرًا يَرَهُۥ وَمَن يَعْمَلْ مِثْقَالَ ذَرَّةٍ شَرًّا يَرَهُۥ.

উচ্চারণ: ইযা-যুলযিলাতিল আরদুযিলযা-লাহা-। ওয়া আখরাজাতিল আরদুআসকা-লাহা-। ওয়া কা-লাল ইনসা-নুমা-লাহা-। ইয়াওমাইযিন তুহাদ্দিছু আখবা-রাহা-। বিআন্না রাব্বাকা আওহা-লাহা-। ইয়াওমাইযিইঁ ইয়াসদুরুন্না-সুআশতা-তাল লিউউরাও আ‘মা-লাহুম। ফামাইঁ ইয়া‘মাল মিসকা-লা যাররাতিন খাইরাইঁ ইয়ারাহ। ওয়া মাইঁ ইয়া‘মাল মিসকা-লা যাররাতিন শাররাইঁ ইয়ারাহ।

সূরা আল-আদিয়াত আরবি উচ্চারণ:

وَٱلْعَٰدِيَٰتِ ضَبْحًا. فَٱلْمُورِيَٰتِ قَدْحًا. فَٱلْمُغِيرَٰتِ صُبْحًا. فَأَثَرْنَ بِهِۦ نَقْعًا. فَوَسَطْنَ بِهِۦ جَمْعًا.إِنَّ ٱلْإِنسَٰنَ لِرَبِّهِۦ لَكَنُودٌ. وَإِنَّهُۥ عَلَىٰ ذَٰلِكَ لَشَهِيدٌ. وَإِنَّهُۥ لِحُبِّ ٱلْخَيْرِ لَشَدِيدٌ. أَفَلَا يَعْلَمُ إِذَا بُعْثِرَ مَا فِى ٱلْقُبُورِ. وَحُصِّلَ مَا فِى ٱلصُّدُورِ. إِنَّ رَبَّهُم بِهِمْ يَوْمَئِذٍ لَّخَبِيرٌ.

উচ্চারণ: ওয়াল ‘আ-দিয়া-তি দাবহা-। ফাল মূরিয়া-তি কাদহা-। ফাল মুগীরা-তি সুবহা-। ফাআসারনা বিহী নাক‘আ-। ফাওয়াসাতানা বিহী জাম‘আ-। ইন্নাল ইনসা-না লিরাব্বিহী লাকানূদ। ওয়া ইন্নাহূ‘আলা-যা-লিকা লাশাহীদ। ওয়া ইন্নাহূলিহুব্বিল খাইরি লাশাদীদ। আফালা-ইয়া‘লামুইযা-বু‘সিরা মা-ফিল কুবূর। ওয়া হুসসিলা মা-ফিসসুদূর, ইন্না রাব্বাহুম বিহিম ইয়াওমাই যিল্লাখাবীর।

প্রত্যেক রাকাতে নামাজ উল্লেখিত পদ্ধতিতে পড়তে হবে। পরবর্তি দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে সুরা ফাতহ এবং ১৫ বার তসবিহে আরবাআ পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে সুরা ইখলাস পাঠ করতে হবে। তারপর উল্লেখিত পদ্ধতিতে রুকু, সিজদা পাঠের মাধ্যমে নামাজকে শেষ করতে হবে।

১৪. বিভিন্ন রেওয়ায়েতের বর্ণনা অনুযায়ি এই রাতে বিভিন্ন নামাজ বর্ণিত হয়েছে:----

. আবু ইয়াহিয়া সানআনি এবং আরো ত্রিশজন বিশস্ত ব্যাক্তিত্ববর্গ ইমাম মুহাম্মাদ বাকির (আ.) এবং ইমাম জাফর সাদিক্ব (আ.) হতে বর্ণনা করেছেন: ১৪ই শাবান দিবাগত রাতে ৪ রাকাত নামাজ পড়তে হবে। প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে ১০০ বার সুরা ইখলাস পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতটিও অনুরূপ পদ্ধতিতে পড়তে হবে। নামাজান্তে নিন্মোক্ত দোয়াটি পাঠ করতে হবে:

اَللَّهُمَّ إِنِّي إلَيْكَ فَقِيرٌ وَ مِنْ عَذَابِكَ خَائِفٌ مُسْتَجِيرٌ اَللَّهُمَّ لاَ تُبَدِّلْ اسْمِي وَ لاَ تُغَيرْ جِسْمِي وَ لاَ تَجْهَدْ بَلاَئِي وَ لاَ تُشْمِتْ بِي أَعْدَائِي أَعُوذُ بِعَفْوِكَ مِنْ عِقَابِكَ وَ أَعُوذُ بِرَحْمَتِكَ مِنْ عَذَابِكَ وَ أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَ أَعُوذُ بِكَ مِنْكَ جَلَّ ثَنَاؤُكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيتَ عَلَى‏ نَفْسِكَ وَ فَوْقَ مَا يقُولُ الْقَائِلُونَ.[10]

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি ইলাইকা ফাকিরু ওয়া মিন আযাবিহা খায়িফুম মুসতাজিরু। আল্লাহুম্মা লা তুবাদ দিলিসমি ওয়া লা তু গ্বাইয়ের জিসমী ওয়া লা তুজহিদ বালায়ী ওয়া লা তুশমিত বি আদায়ী আউয়ুযু বিআফওয়িকা মিন এক্বাবিকা ওয়া আউয়ুযু বিরাহমাতিকা মিন আযাবিকা ওয়া আউয়ুযু বিরেযাকা মিন সাখাতিকা ওয়া আউয়ুযু বিকা মিনকা জাল্লা সানায়ুকা আনতা কামা আসনাইতা আলা নাফসিকা ওয়া ফাওকা মা ইয়াকুলুল কায়েলুন।

. ১৪ই শাবান দিবাগত রাতে ৪ রাকাত নামাজ পড়তে হবে। প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে ৫০ বার সুরা ইখলাস পাঠ করতে হবে এবং দ্বিতীয় রাকাতটিও অনুরূপভাবে পড়তে হবে। নামাজান্তে উপরের উল্লেখিত দোয়াটি পাঠ করতে হবে:

اللَّهُمَّ إِنِّي إِلَيْكَ فَقِيرٌ وَ مِنْ عَذَابِكَ خَائِفٌ وَ بِكَ مُسْتَجِيرٌ رَبِّ لَا تُبَدِّلِ اسْمِي وَ لَا تُغَيِّرْ جِسْمِي رَبِّ لَا تُجْهِدْ بَلَائِي اللَّهُمَّ إِنِّي أَعُوذُ بِعَفْوِكَ مِنْ عُقُوبَتِكَ وَ أَعُوذُ بِرِضَاكَ مِنْ سَخَطِكَ وَ أَعُوذُ بِرَحْمَتِكَ مِنْ عَذَابِكَ وَ أَعُوذُ بِكَ مِنْكَ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنْتَ جَلَّ ثَنَاؤُكَ وَ لَا أُحْصِي مِدْحَتَكَ وَ لَا الثَّنَاءَ عَلَيْكَ أَنْتَ كَمَا أَثْنَيْتَ عَلَى نَفْسِكَ وَ فَوْقَ مَا يَقُولُ الْقَائِلُونَ رَبِّ أَنْتَ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّد.

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নি ইলাইকা ফাকিরু ওয়া মিন আযাবিহা খায়িফুম মুসতাজিরু। আল্লাহুম্মা লা তুবাদ দিলিসমি ওয়া লা তু গ্বাইয়ের জিসমী ওয়া লা তুজহিদ বালায়ী ওয়া লা তুশমিত বি আদায়ী আউয়ুযু বিআফওয়িকা মিন এক্বাবিকা ওয়া আউয়ুযু বিরাহমাতিকা মিন আযাবিকা ওয়া আউয়ুযু বিরেযাকা মিন সাখাতিকা ওয়া আউয়ুযু বিকা মিনকা জাল্লা সানায়ুকা আনতা কামা আসনাইতা আলা নাফসিকা ওয়া ফাওকা মা ইয়াকুলুল কায়েলুন রাব্বি আন্তা সাল্লি আলা মুহাম্মাদিউ ওয়া আলি মুহাম্মাদ

তারপরে মনের আশা পূরণের জন্য দোয়া চাইতে হবে।

গ. রাসুল (সা.) বলেছেন: ১৪ই শাবান দিবাগত রাতে ১০০ রাকাত নামাজ পড়তে হবে। প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে ১০ বার সুরা ইখলাস পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতটিও অনুরূপ পদ্ধতিতে পড়তে হবে। অবশিষ্ট নামাজগুলো উল্লেখিত পদ্ধতিতে আদায় করতে হবে। কেউ যদি এই নামাজটি পড়ে তাহলে আল্লাহ তার প্রতি ৭০ বার রহমতের দৃষ্টিতে দেখবেন, তার ৭০টি আশাকে পূর্ণ করবেন। [11]

ঘ. আরো একটি রোওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে যে, ১৫ই শাবান রাতে [১৪ই শাবান দিবাগত রাতে] ১০ রাকাত নামাজ পড়তে হবে। প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে ১০ বার সুরা ইখলাস পাঠ পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতটিও অনুরূপ পদ্ধতিতে পড়তে হবে। অবশিষ্ট নামাজগুলো উল্লেখিত পদ্ধতিতে পড়তে হবে।

তারপর সেজদায় যেয়ে এই দোয়াটি পাঠ করতে হবে। দোয়াটি নিন্মরূপ:

اللَّهُمَّ لَكَ سَجَدَ سَوَادِي وَ خَيَالِي وَ بَيَاضِي يَا عَظِيمَ كُلِّ عَظِيمٍ اغْفِرْ لِي ذَنْبِيَ الْعَظِيمَ فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُهُ غَيْرُك‏ يَا عَظِيمَ.

উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা সাজাদা সাওয়াদী ওয়া জানানী ওয়া বায়াযি ইয়া আযিমা কুল্লি আযিম ইগফির যাম্বিয়াল আযিম ওয়া ইন্নাহু লা ইয়াগফিরু গ্বায়রুকা ইয়া আযিম।

ইমাম আলী (আ.) বলেছেন: ১৫ই শাবান রাতে [১৪ই শাবান দিবাগত রাতে] সকল বান্দাদের ভাগ্য নির্ধারণ করা হয়। এ রাতে হযরত খিযির (আ.)-এর বর্ণিত দোয়াটি পাঠ করলে তার দোয়া কবুল হয়।

রাসুল (সা.) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, কেউ যদি মাগরিব ও এশার নামাজের পরে  ৪ রাকাত নামাজ পড়ে তাহলে আল্লাহ তার দোয়াকে কবুল করবেন, তার ইহকাল ও পরকালের আশাকে পূরণ করবেন, কেয়ামতে তার আমলনামাকে তার ডান হাতে দিবেন এবং আগামী বছর পর্যন্ত সে নিরাপদে থাকবে। নামাজটি পড়ার পদ্ধতি: প্রথম রাকাতে সুরা ফাতিহার পরে ১০বার সুরা ইখলাস পাঠ করতে হবে এবং দ্বিতীয় রাকাতটিও অনুরূপ পদ্ধতিতে পড়তে হবে। নামাজান্তে ১০ বার বলতে হবে:   “يَا رَبِّ اغْفِرْ لَنَا”

১০ বার বলতে হবে: “ يَا رَبِّ ارْحَمْنَا”

১০ বার বলতে হবে: “يَا رَبِّ تُبْ عَلَيْنَا”

২১ বার সুরা ইখলাস পাঠ করতে হবে

১০ বার বলতে হবে:    “سُبْحَانَ الَّذِي يُحْيِي الْمَوْتَى وَ يُمِيتُ الْأَحْيَاءَ وَ هُوَ عَلى‏ كُلِّ شَيْ‏ءٍ قَدِيرٌ”

তারপরে দোয়া করতে হবে। [12]

আবুল কাসিম (রহ.) ইমাম জাফর সাদিক্ব (আ.) হতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেছেন: কেউ যদি ১৪ই শাবান দিবাগত রাতে কারবালায় উপস্থিত থাকে তাহলে সে যেন ১ হাজার বার সুরা ইখলাস পাঠ করে, ১ হাজার বার ইস্তিগফার পাঠ করে এবং ১ হাজার বার আলহামদু লিল্লাহ পাঠ করে। তাহলে আল্লাহ তার জন্য দুজন ফেরেশতাকে নির্ধারণ করবেন যেন সে শয়তানের সকল প্রকারের ষড়যন্ত্র থেকে মুক্ত থাকে, ফেরেশতারা শুধুমাত্র তার ভাল কর্মগুলোকে লিখবে এবং তার গুনাহকে লিপিবদ্ধ করবে না এবং তার জন্য ইস্তিগফার পাঠ করবে।

ইমাম মাহদী (আ.)-এর সমিপে “আরিজা”:


১৫ই শাবান দিনের আমলসমূহ

১৫ই শাবানে ইমাম মাহদী (আ.) জন্মগ্রহণ করেন। সুতরাং এ দিনে যে যিয়ারতটি সামেরাতে ইমাম মাহদী (আ.)-এর জন্য পাঠ করা হয়ে থাকে তা পাঠ করা উত্তম। এছাড়া ইমাম মাহদী (আ.) আবির্ভাব তরান্বিত হওয়ার জন্য সর্বস্থানে দোয়া করা এবং তার যিয়ারতও পাঠ করা মুস্তাহাব। তবে যে স্থান থেকে তিনি পর্দার অন্তরালে চলে গেছিলেন সেখানে যিয়ারতটি পাঠ করার বিশেষভাবে গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

রাসুল (সা.) বলেছেন: কেউ যদি শাবান মাসে ১৫ দিন রোজা রাখে তাহলে আল্লাহ বলবেন: আমার ইজ্জতের শপথ আমি তাকে জাহান্নামের আগুনে পোড়াবো না। [13


সংগ্রহঃ  মিনহাজউদ্দিন মন্ডল 
                (যুগ্ম সমদক)
     আঞ্জুমান এ নাসিরানে মাহদী (আঃফাঃ)  
 

Thursday, July 2, 2020

হজরত ইমাম রেজা (আঃ)'র পবিত্র জন্মবার্ষিকী

১১ জিলকাদ তথা বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)'র পবিত্র আহলে বাইতের অন্যতম সদস্য ইমাম রেজা (আ)'র পবিত্র জন্মবার্ষিকী। ১৪৮ হিজরিতে মদিনায় ইমাম মুসা ইবনে জাফর সাদিক (আ.)'র ঘরে জন্ম নিয়েছিলেন তিনি। তাঁর পবিত্র ও কল্যাণময়ী মায়ের নাম ছিল উম্মুল বানিন নাজমা।

১৮৩ হিজরিতে খলিফা হারুনের কারাগারে পিতা ইমাম কাজিম (আ.)'র শাহাদতের পর পঁয়ত্রিশ বছর বয়সে মুসলিম উম্মাহর ইমামতের ঐশী দায়িত্ব গ্রহণ করেন ইমাম রেজা (আ.)। প্রায় ১৯/২০ বছর ধরে ইমামতের মহান দায়িত্ব পালনের পর তিনি শাহাদত বরণ করেন।

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.)'র পবিত্র আহলে বাইত তথা মাসুম বংশধররা ছিলেন খোদায়ী নানা গুণ ও সৌন্দর্যের প্রকাশ। তাঁরা ছিলেন মানব জাতির জন্য পূর্ণাঙ্গ বা পরিপূর্ণ আদর্শ। তাঁদের মহত গুণ ও যোগ্যতাগুলো সত্য-সন্ধানী এবং খোদা-প্রেমিকদের জন্য অফুরন্ত শিক্ষা ও প্রেরণার উতস হয়ে আছে।

শেখ সাদুক (র) হযরত ইমাম রেজা (আ.) সম্পর্কে এক বইয়ে লিখেছেন, অসাধারণ নানা গুণ ও যোগ্যতার জন্য আলী ইবনে মুসা রেজা (আ.) রেজা বা সন্তুষ্ট, সাদিক বা সত্যবাদী, ফাজেল বা গুণধর, মু'মিনদের চোখের প্রশান্তি বা আলো ও কাফির বা অবিশ্বাসীদের ক্ষোভের উতস প্রভৃতি উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন।

তবে আলী ইবনে মুসা রেজা (আ.)'র একটি বড় উপাধি হল 'আলেমে আ'লে মুহাম্মাদ' বা মুহাম্মাদ (সা.)'র আহলে বাইতের আলেম।

ইমাম রেজা (আ.)'র পিতা ইমাম মুসা কাজিম (আ.) হতে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন, আমার বাবা ইমাম জাফর সাদিক (আ.) আমাকে বার বার বলতেন যে, আলে মুহাম্মাদের আলেম বা জ্ঞানী হবে তোমার বংশধর। আহা! আমি যদি তাঁকে দেখতে পেতাম! তাঁর নামও হবে আমিরুল মু'মিনিন (আ.)'র নাম তথা আলী।

রেজা (আ.)'র মাজার জিয়ারতকারীরা বেহেশতবাসী হবেন

বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মাদ (সা.) ইরানের খোরাসানে তাঁর শরীরের একটি অংশকে তথা তাঁর পবিত্র বংশধারার বা আহলে বাইতের একজন সদস্যকে দাফন করা হবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করে গেছেন।

বলা হয়, যারা এই মহান ইমামের উচ্চ সম্মান সম্পর্কে পরিচিতি বা সমীহ নিয়ে তাঁর পবিত্র মাজার জিয়ারত করবেন তারা বেহেশতের অধিকারী হবেন।

প্রায় হাজার বছর আগে লিখিত 'শাওয়াহেদুন্নবুওয়াত' নামক বইয়ে বর্ণিত একটি হাদিসে এসেছে, যারা ইরানের খোরাসানে অবস্থিত (যার বর্তমান নাম মাশহাদ) ইমাম রেজা (আ.)'র মাজার জিয়ারত করবে তারা বেহেশতবাসী হবে। বিশিষ্ট কবি ও আধ্যাত্মিক সাধক মাওলানা আবদুর রহমান জামির লিখিত এই বইটি বহু বছর আগে বাংলা ভাষায়ও অনূদিত হয়েছে (মাওলানা মহিউদ্দিনের মাধ্যমে) (পৃ.১৪৩-১৪৪)। [এ বইয়ের ২৭২ পৃষ্ঠায় ইরানের পবিত্র কোম শহরে অবস্থিত হযরত ফাতিমা মাসুমা (সা.)’র পবিত্র মাজার জিয়ারত সম্পর্কেও একই কথা বলা হয়েছে। এই ফাতিমা মাসুমা ছিলেন ইমাম রেজা-আ.’র ছোট বোন।  মাসুমা বা নিষ্পাপ ছিল তাঁর উপাধি।] 

এবারে আমরা বিশ্বনবী (সা.)’র পবিত্র আহলে বাইতের এই সদস্যের কয়েকটি মো’জেজা বা অলৌকিক ক্ষমতার ঘটনা তুলে ধরছি:  

“ইমাম রেজা (আ.)’র বিশিষ্ট সঙ্গী আবা সালাত হারুবি বলেছেন: আমি হযরত রেজা (আ.)’র কাছে ছিলাম (তাঁর শাহাদতের কিছুকাল আগে)। তিনি আমাকে বললেন: হে আবা সালাত! এই স্থানে (খলিফা) হারুনের যে কবর দেখছ, তার চারদিক থেকে কিছু মাটি তুলে আন। আমি তা করলাম। ইমাম সেই মাটিগুলো শুঁকলেন ও বললেন: ওরা আমাকে (আব্বাসীয় শাসক) হারুনের পাশে কবর দিতে চাইবে, কিন্তু এখানে একটি পাথর জেগে উঠবে; খোরাসানের পাথর ভাঙ্গার সবগুলো যন্ত্র এনেও তা তুলতে পারবে না তারা। হারুনের কবরের মাথার ওপরের দিকে ও পায়ে নিচের দিকে ইমাম এইসব কথা বলেন। এরপর তিনি হারুনের কবরের অন্য দিকের মাটির ঘ্রাণ নিলেন এবং বললেন: এই স্থানের মাটিই হবে আমার কবরের স্থান। হে আবা সালাত! আমার কবর যখন দেখা যাবে তখন সিক্ততা দেখা দেবে। আমি তোমাকে একটি দোয়া শিখিয়ে দিচ্ছি তা পড়বে। ওই দোয়া পড়ার পর আমার কবর পানিতে ভরে যাবে। সেই পানিতে ছোট ছোট মাছ দেখা যাবে। এই রুটি তোমাকে দিচ্ছি তা ওদের জন্য গুড়ো কর। ওই রুটির গুড়ো ওরা খাবে। এরপর একটি বড় মাছ দেখা যাবে। সে ছোট ছোট সব মাছ খেয়ে ফেলবে এবং এরপর অদৃশ্য হয়ে যাবে। এরপর তুমি পানিতে হাতে রেখে এই দোয়াটি যা আমি তোমাকে শিখিয়ে দেব তা পড়বে। সব পানি নেমে যাবে। আর এই সবই করবে (ইমামের ঘাতক) মামুনের উপস্থিতিতে। এরপর ইমাম বললেন, ‘হে আবা সালাত! আমি আগামীকাল এই অসত ও অপরাধী লোকটার (বাদশাহ মামুন) কাছে যাব। যখন ওর কাছ থেকে ফিরে আসব তখন দেখবে যে আমার মাথা যদি ‘আবা’ দিয়ে (এক ধরনের পাতলা পোশাক যা মূল মোটা পোশাকের ওপর পরা হয়) ঢাকা থাকে তাহলে আমার সঙ্গে আর কথা বলবে না ও বুঝে নিও যে আমাকে বিষ খাওয়ানো হয়েছে।’ 

আঙ্গুরের মাধ্যমে ইমামকে বিষ-প্রয়োগ

পরের দিন সকালে ইমাম নিজের মেহরাবে অপেক্ষা করছিলেন। কিছু সময় পর বাদশাহ মামুন তার এক ভৃত্যকে পাঠায় ইমামকে সঙ্গে নিয়ে আসার জন্য। ইমাম মামুনের মজলিসে গেলেন। আমিও (আবা সালাত) পিছে পিছে গেলাম। তার সামনে একটি পাত্রে খুরমাসহ নানা ধরনের ফল ছিল। মামুনের হাতে ছিল এক থোকা আঙ্গুর। ওই থোকা থেকে সে নিজেও কয়েকটি আঙ্গুর খেয়েছিল। মামুন ইমামকে দেখে উঠে দাঁড়ায় এবং তাঁকে আলিঙ্গন করে ও  তাঁর কপালে চুমো খায়। সে ইমামকে নিজের পাশে বসায়। এরপর সে ওই আঙ্গুরের থোকাটি খেতে ইমামকে অনুরোধ করে বলে: আমি এরচেয়ে ভালো আঙ্গুর আর দেখিনি। ইমাম বললেন, বেহেশতের আঙ্গুর তো এর চেয়ে অনেক ভালো। মামুন বলল: এই আঙ্গুর খান। ইমাম বললেন, আমার ওজর গ্রহণ কর। (অর্থাত আমি তা খেতে চাচ্ছি না) মামুন বলল: অন্য কোনো উপায় নেই; আপনি কি আমাকে অভিযুক্ত করতে চান? অবশ্যই খেতে হবে। এরপর সে আঙ্গুরের থোকাটি তুলে ধরে তা থেকে নিজে কয়েকটি আঙ্গুর খেলো ও থোকাটি ইমামের হাতে দিল। ইমাম সেই আঙ্গুর থেকে তিনটি আঙ্গুর খেয়ে আঙ্গুরের থোকাটি মাটিতে ফেলে দেন এবং সেখান থেকে উঠে আসেন।মামুন বলল: কোথায় যাচ্ছেন? ইমাম বললেন: সেখানেই যাচ্ছি যেখানে তুমি আমাকে পাঠিয়েছ। এরপর তিনি তার ‘আবা’ দিয়ে মাথা ঢাকেন এবং নিজ ঘরে ফিরে আসেন। তিনি আমাকে বললেন: ‘দরজাটা বন্ধ কর’। আর এটা বলেই বিছানায় পড়ে গেলেন।

বাবার শাহাদতের সময় ছেলে (নতুন ইমাম) ইমাম জাওয়াদ (আ.) কাছে এলেন

আবা সালাত বলেন, ‘আমি ঘরের মাঝখানে দুঃখ-ভারাক্রান্ত অবস্থায় দাঁড়িয়ে ছিলাম। এমন সময় দেখলাম যে এক অপরূপ সুন্দর যুবক আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। তাঁর চেহারা ইমাম রেজার চেহারার সবচেয়ে কাছাকাছি বা অনুরূপ মনে হল।  আমি তাঁর সামনে গিয়ে বললাম: কিভাবে এখানে এলেন? সব দরজা তো বন্ধ ছিল।

ইমাম জাওয়াদ (আ.) বললেন: যিনি আমাকে মদীনা থেকে এখানে এনেছেন তিনি বন্ধ দরজা দিয়েও আমাকে প্রবেশ করিয়েছেন। প্রশ্ন করলাম: আপনি কে? আমি তোমার ওপর আল্লাহর দলিল বা প্রমাণ (ইমাম) হে আবা সালাত! আমি মুহাম্মাদ বিন আলী আল জাওয়াদ। এরপর তিনি বাবার দিকে গেলেন এবং বললেন: আপনিও প্রবেশ করুন।

ইমাম রেজা (আ.)’র দৃষ্টি পুত্রের ওপর পড়া মাত্রই তিনি তাঁকে আলিঙ্গনে আবদ্ধ করলেন ও তাঁর কপালে চুমু খেলেন।  ইমাম জাওয়াদ (আ.) নিজেকে বাবার শরীরের সঙ্গে যুক্ত করলেন ও তাঁকে চুমো খেলেন। এরপর তাঁরা মৃদু আওয়াজে পরস্পর কথা বললেন যা আমি শুনিনি। পিতা ও পুত্রের মধ্যে রহস্যময় কিছু কথা বিনিময় হল যতক্ষণ না ইমাম রেজা (আ.)’র বেহেশতী আত্মা তাঁর দেহ ত্যাগ করল।‘  

ইমাম জাওয়াদ (আ.) পিতা ইমাম রেজা (আ.)’র গোসল, দাফন ও জানাজা সম্পন্ন করেন

উল্লেখ্য, কোনো ঐশী নেতা বা ইমামের জানাজা বা দাফন পরবর্তী ঐশী নেতা বা ইমাম ছাড়া সম্পন্ন করার অধিকার রাখেন না। তাই দেখা যায় বিশ্বনবী (সা.)-কে  গোসল করিয়েছেন ও তাঁর দাফন করেছেন ইমাম আলী(আ.), ইমাম আলী(আ.)’র জানাজা ও দাফন করেছেন ইমাম হাসান (আ.), তাঁর দাফন করেছেন ইমাম হুসাইন (আ.), ইমাম হুসাইন(আ.)’র দাফন সম্পন্ন হয়েছে ইমাম জয়নুল আবেদিন (আ.)’র মাধ্যমে,  ...... অনুরূপভাবে ইমাম জাওয়াদ(আ.)ই পিতার গোসল, দাফন ও জানাজা সম্পন্ন করেন।  

ইমাম জাওয়াদ (আ.) বললেন: হে আবা সালাত! ওই খাটের ভেতর থেকে গোসলের সামগ্রী ও পানি নিয়ে আসুন।

-         সেখানে তো এ ধরনের কোনো সামগ্রী নেই।

-         যা বলছি তাই করুন।

আমি (আবা সালাত) কোষাগারে গিয়ে দেখলাম, হ্যাঁ, সেখানে সবই রয়েছে। সেসব আনলাম এবং আমার ঢিলে পোশাক কোমরে বেধে নিলাম যাতে গোসলে (নতুন) ইমামকে সাহায্য করা যায়। ইমাম জাওয়াদ (আ.) বললেন, হে আবা সালাত! এক পাশে সরে যান। যিনি আমাকে সাহায্য করছেন তিনি অন্য কেউ (সম্ভবত ফেরেশতা)। এরপর তিনি প্রিয় বাবাকে গোসল দেন এবং তা শেষ করে বললেন: কোষাগারের ভেতরে একটি ঝুড়ি আছে তা নিয়ে আসুন, তাতে কাফন ও  ‘হানুত’ বা লাশ সংরক্ষক মশলা রয়েছে। আমি সেখানে গেলাম ও একটি ঝুড়ি দেখলাম। অমন ঝুড়ি আমি তার আগে কখনও দেখিনি। আমি কাফন, হানুত ও কাফুর নিয়ে আসি।  

ইমাম জাওয়াদ (আ.) নিজের পিতাকে কাফন পরালেন ও নামাজ পড়লেন। এরপর বললেন, কফিন নিয়ে আসুন।

আমি (আবা সালাত) বললাম: কাঠ মিস্ত্রির কাছ থেকে?

ইমাম বললেন: কোষাগারে কফিন আছে।

আমি ভেতরে গেলাম ও দেখলাম কফিন তৈরি হয়ে আছে। ইমাম জাওয়াদ (আ.) বাবা ইমাম রেজা (আ.)-কে কফিনে রাখলেন ও এরপর নামাজে দাঁড়ালেন।

আকাশের দিকে ইমাম রেজা (আ.)’র কফিনের উড্ডয়ন

ইমাম জাওয়াদ (আ.) নামাজ তখনও শেষ করেননি। এমন সময় আমি (আবা সালাত) দেখলাম ছাদ ফাঁক বা বিদীর্ণ হয়ে সেই জায়গা দিয়ে ইমাম রেজা (আ.)’র কফিন আকাশের দিকে গেল।

আমি বললাম: হে ইবনে রাসূলুল্লাহ (সা.) তথা রাসূলের সন্তান! এখনই  (জালিম বাদশাহ) মামুন আসবেন এবং বলবেন যে হযরত রেজা (আ.)’র পবিত্র দেহের কি হল?

ইমাম জাওয়াদ বললেন: শান্ত হন! ওই পবিত্র দেহ শিগগিরই ফিরে আসবে হে আবা সালাত! কোনো নবীই বিশ্বের পূর্বাঞ্চলে মারা যান না যতক্ষণ না আল্লাহ তাঁদের এবং তাঁদের প্রতিনিধির শরীর ও আত্মাকে একত্রিত না করেন, এমনকি যদি তাঁর ওয়াসি, প্রতিনিধি বা খলিফা বিশ্বের পূর্বাঞ্চলেও মারা যান। (মহানবী-সা.-এর প্রতিনিধি হিসেবে তাঁর সঙ্গে ইমামের সাক্ষাতের ইঙ্গিত) 

এরপর আবারও ঘরের ছাদ ফাঁক হল এবং সেখান দিয়ে ইমাম রেজা (আ.)’র কফিন আবারও মাটিতে অবতরণ করল।

এরপর ইমাম জাওয়াদ (আ.) পিতার পবিত্র দেহকে কফিন থেকে বের করেন এবং সেই আগের অবস্থার মত তাঁকে এমনভাবে বিছানায় রাখেন যে মনে হল যেন, গোসলও দেয়া হয়নি ও কাফনও পরানো হয়নি। এরপর বললেন: হে আবা সালাত! উঠুন এবং মামুনের জন্য দরজা খুলে দিন।

ইমাম রেজা (আ.)’র পবিত্র লাশ মুবারকের পাশে বাদশাহ মামুন

হঠাৎ মামুন তার ভৃত্য বা দাসদের নিয়ে ক্রন্দনরত অবস্থায় ও ফুলে-ওঠা চোখ নিয়ে প্রবেশ করে ইমাম রেজা (আ.)’র ঘরে। সে নিজের মাথা চাপড়াতে চাপড়াতে তথা নিজের মাথায় হাত দিয়ে আঘাত করতে করতে ইমাম রেজা (আ.)’র পবিত্র মাথার পাশে বসল ও  ইমামের লাশ মুবারককে সুসজ্জিত করে দাফন করার নির্দেশ দিল।

আবা সালাত আরো বলেন, ইমাম রেজা (আ.) আমাকে যা যা বলেছিলেন তার সবই ঘটেছিল। মামুন (সেসব দেখে) বলত: আমরা সব সময়ই হযরত রেজার (আ.) জীবিত অবস্থায় তাঁর অনেক কারামাত বা অলৌকিক ঘটনা দেখেছি, আর এখন তিনি তাঁর মৃত্যুর পরও  সেইসব কারামাত বা অলৌকিক ঘটনাগুলো আমাদের দেখাচ্ছেন।

মামুনের মন্ত্রী তাকে বলল: আপনি কি বুঝেছেন ইমাম রেজা (আ.) আপনাকে কী দেখালেন?

- না,

-  তিনি এইসব ছোট ছোট মাছ ও বড় মাছ দেখানোর মাধ্যমে এটা বলতে চেয়েছেন যে, আপনাদের বনি আব্বাস রাজবংশের রাজত্ব ব্যাপকতা ও দীর্ঘস্থায়ীত্ব পাওয়া সত্ত্বেও এইসব ছোট ছোট মাছের মত এবং যখন আপনাদের সময় ফুরিয়ে যাবে তখন আল্লাহ নবী বংশ তথা আমাদের আহলে বাইতের মধ্য থেকে এক ব্যক্তিকে তোমাদের ওপর কর্তৃত্বশীল করবেন ও তিনি তোমাদের ধ্বংস করবেন।

-  ঠিকই বলেছেন। (মামুন বলল)

 এরপর মামুন আমাকে (আবা সালাত) বলল: সেটা কি দোয়া ছিল যেটা আপনি পড়েছেন?

আমি বললাম: আল্লাহর কসম! আমি সেই দোয়া পড়ার পরপরই তা ভুলে গেছি। আর আসলেই তা ভুলে গিয়েছিলাম।"

ইমাম রেজা (আ.)'র  আরো অনেক অলৌকিক ঘটনা বা মু’জেজা রয়েছে। যেমন, অন্য ইমামদের মত তিনিও পৃথিবীর সব জাতির ভাষায় বিশুদ্ধভাবে কথা বলতে পারতেন। এ ছাড়াও ইমামের দেয়া জামার স্পর্শে এক ব্যক্তির দাসীর অন্ধত্ব মোচন ; কোনো এক ব্যক্তির মৃত্যু কখন হবে তা বলে দেয়া;  ইমামের নিজ হাতে মাটি খুঁড়ে ঝর্ণাধারা প্রবাহিত করা ও সেই ঝরনা আজো বহমান থাকা; ইমামের সাহাবী রাইয়ানকে তার মনের আশা অনুযায়ী তার মেয়েদের জন্য গয়না কিনতে অর্থ দেয়া ও কাফনের জন্য তাকে নিজের জামাও দেয়া যদিও রাইয়ান ইমামের কাছ থেকে বিদায় নেয়ার সময় তার মনে অতীতের লালিত এইসব ইচ্ছার কথা বলতে ভুলে গিয়েছিল ; ইমামের মাজার জিয়ারত করতে এসে বোবা মেয়ের বাক-শক্তি লাভ, ইমামের জীবিত অবস্থায় ডাকাতদের পাল্লায় পড়া (মুখ ও জিহ্বায়) আহত ইমাম ভক্ত এক ব্যক্তিকে স্বপ্নযোগে (তার মুখ ও জিহ্বার) ক্ষত সারিয়ে তোলার ওষুধ বানানোর পদ্ধতি বলে দেয়া  এবং পরে সে সরাসরি ইমামের সঙ্গে দেখা করলে ইমাম তাকে ওই স্বপ্নের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে আবারও ওষুধ বানানোর সেই একই পদ্ধতির কথা স্মরণ করিয়ে দেন..... ইত্যাদি।

Wednesday, May 13, 2020

লাইলাতুল ক্বদরের আমলসমূহ || (আরবী উচ্চারণ সহ)|| মিনহাজউদ্দিন



লাইলাতুল কদর (আরবী: لیلة القدر‎‎) এর অর্থ অতিশয় সম্মানিত ও মহিমান্বিত রাত বা পবিত্র রজনী। আরবি ভাষায় ‘লাইলাতুল’ অর্থ হলো রাত্রি বা রজনী এবং ‘কদর’ শব্দের অর্থ সম্মান, মর্যাদা, মহাসম্মান। এ ছাড়া এর অন্য অর্থ হলো—ভাগ্য, পরিমাণ ও তাকদির নির্ধারণ করা।

১৯শে রমজানের রাত্রি, লাইলাতুল ক্বদরের সূচনার রাত্রি, লাইলাতুল ক্বদর বছরে একবার আসে; এই রাতের ফযিলত অনেক বেশী; এই রাতে কৃত আমল হাজার মাস অপেক্ষা উত্তম; এই রাতে মানুষের ভাগ্য লিপিবদ্ধ করা হয়; এই রাতে রূহ এবং ফেরেশতারা আল্লাহর নির্দেশে ইমাম মাহদী (আ.)এর সমীপে উপস্থিতির লক্ষ্যে দুনিয়ার বুকে অবতরণ করে এবং মানুষের ভাগ্যলিপিকে তাঁর সম্মুখে উপস্থাপন করে।

লাইলাতুল ক্বদরের আমল দুইভাগে বিভক্ত: সাধারণ আমলসমূহ যা তিন রাত্রিতে সম্পাদন করতে হবে এবং আরেকটি আমল যা বিশেষ দিনের সাথে সম্পৃক্ত।

সাধারণ আমলসমূহ (১৯, ২১ এবং ২৩ রমজান রাতে যা সম্পাদন করতে হবে):

১. গোসল করা

আল্লামা মাজলিসি (রহ.) লাইলাতুল ক্বদরের উদ্দেশ্যে সূর্যাস্তের নিকটবর্তি সময়ে গোসল করা উত্তম যেন এই গোসল দ্বারা মাগরিব ও এশার নামাজ পড়া যায়।

২. লাইলাতুল ক্বদরের বিশেষ দুই রাকাত নামাজ পড়া

নিয়ত: লাইলাতুল ক্বদরের দুই রাকাত নামাজ পড়ছি কুরবাতান ইলাল্লাহ।

নামাজটি পড়ার পদ্ধতি: প্রথম রাকাতে সূরা ফাতিহার পর ৭ বার সূরা ইখলাস পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতটিও অনুরূপ পদ্ধতিতে পড়তে হবে।

৩. নামাজান্তে ৭০ বার
“أَسْتَغْفِرُ اللّه وَ أَتوبُ الَيْهِ”
(আসতাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাহি) পাঠ করতে হবে।

রাসুল (সা.) হতে রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে যে, তিনি বলেছেন: এই আমলকারী তার স্থান হতে ওঠার পূর্বেই আল্লাহ তাকে এবং তার পিতা-মাতাকে ক্ষমা করে দিবেন।

৪. নিজের গুনাহসমূহকে স্মরণ করে ১০০ বার বলতে হবে।

(আস্তাগফিরুল্লাহা রব্বী ওয়া আতূবু ইলাহি)
أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ رَبِّي وَ أَتُوبُ إِلَيْه‏

৫. পবিত্র কুরআন শরীফ খুলে নিজের সামনে রেখে বলতে হবে :

اَللَّهُمَّ اِنّي اَسئَلُك بِكِتَابِكَ المُنْزَلِ وَ مَا فِيْهِ اسْمُكَ الاَكْبَرُ و اَسمَاؤُكَ الحُسنَي وَ مَا يُخَافُ وَ يُرجَي اَن تَجعَلَنِي مِن عُتَقائِكَ مِنَ النَّارِ.

উচ্চারণ : আল্লা-হুম্মা ইন্নী আসআলুকা বি কিতা-বিকাল মুনযাল ওয়া মা- ফীহিস মুকাল আকবার ওয়া আসমাউকাল হুসনা ওয়ামা ইউখা-ফু ওয়া ইউরজা আন তাজআ'লানী মিন উতাক্বায়িকা মিনান না-র।

অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার অবতীর্ণ করা কিতাবের মাধ্যমে বিনীত অনুরোধ করছি এবং এর ভেতরে যা রয়েছে এবং এর ভেতরে আপনার সবচেয়ে বড় নামের মাধ্যমে এবং আপনার সুন্দর নামগুলোর মাধ্যমে এবং যে সকল বিষয়ে ভয় করা উচিত এবং যা আশা করা হয়, আপনি যেন আমাকে আগুন থেকে রক্ষাপ্রাপ্তদের অন্তর্ভূক্ত করেন।

তারপর মনোবাসনা পূরণের উদ্দেশ্যে আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে।

৬. কোরআন শরীফ মাথায় রেখে বলতে হবে :

اَللّهمَّ بِحَقِّ هذاالقُرآنِ وَ بِحَقِّ مَن اَرسَلتَهُ بِه وَ بِحَقِّ كُلِّ مُومِنٍ مَدَحْتَهُ  فِيْهِ وَ بِحَقِّكَ عَلَيْهِمْ فَلاَ اَحَدَ اَعرَفُ بِحَقِّكَ مِنْكَ.

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা বি হাক্বি হা-যাল কুরআ-নি ওয়া বিহাক্কি মান আরসালতাহু বিহি ওয়া বিহাক্কি কুল্লি মু’মিনিন মাদাহ্তাহু ফীহি ওয়াবি হাক্কিকা আ'লাইহিম ফালা- আহাদা আ'রাফু বিহাক্কিকা মিনকা।

অর্থ: হে আল্লাহ! এই কোরআনের অধিকারের মাধ্যমে বিনীত নিবেদন করি এবং তার অধিকারের মাধ্যমে যাকে দিয়ে কোরআন পাঠিয়েছেন এবং ঐ সকল মুমিনদের অধিকারের মাধ্যমে যাদের প্রশংসা এর ভেতরে করেছেন এবং তাদের ওপরে আপনার অধিকারের মাধ্যমে এমন কেউ নেই যে, আপনার অধিকারের বিষয়ে আপনার চেয়ে বেশি জানে।

তারপর বলতে হবে :

১০ বার : ((بِكَ يَا اللَّهُ))- *বিকা ইয়া আল্লা-হু*

১০ বার : ((بِمُحَمَّدٍ))- *বিমুহাম্মাদিন*

১০ বার : ((بِعَليٍّ))- *বিআ'লীইন*

১০ বার : ((بِفاطِمَةَ))- *বিফাতিমাহ্*

১০ বার : ((بِالحَسَنِ))- *বিল হাসানি*

১০ বার : ((بِالحُسَينِ))- *বিল হুসাইনি*

১০ বার : ((بِعلي بنِ الحُسين))- *বিআ'লী ইবনিল হুসাইন*

১০ বার : ((بِمُحَمَّدِ بنِ عَلِى))- *বিমুহাম্মাদ ইবনি আ'লী*

১০ বার : ((بِجَعفَر بنِ مُحَمَّدٍ))- *বিজা'ফার ইবনি মুহাম্মাদ*

১০ বার : ((بِموُسي بنِ جَعفَرٍ ))- *বিমূসা ইবনি জা'ফার*

১০ বার : ((بِعلي بنِ مُوسي))- *বিআ'লী ইবনি মূসা*

১০ বার : ((بِمُحَمَّدِ بنِ عَلَى))- *বিমুহাম্মাদ ইবনি আলী*

১০ বার : ((بِعَلَى بنِ مُحَمَّدٍ))- *বিআলী ইবনি মুহাম্মাদ*

১০ বার : ((بِالحَسَنِ بنِ عَلَى))- *বিল হাসান ইবনি আ'লী*

১০ বার : ((بِالحُجَّةِ))- *বিল হুজ্জাহ্*

তারপর দোয়া করতে হবে।

৭. ইমাম হুসাইন (আ.)এর যিয়ারত পাঠ করা। রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে যে, শবে ক্বদরে সপ্তম আসমান থেকে  আহবান জানানো হয় যে, যারা ইমাম হুসাইন (আ.)’র কবর যিয়ারতের জন্য এসেছে মহান আল্লাহ ঐ সকল ব্যক্তিদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন ।

৮. রাত্রী জাগরণ করা। রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে, যে ব্যক্তি লাইলাতুল ক্বদরে জাগ্রত থাকে, তার গুনাহসমূহকে ক্ষমা করে দেয়া হয়; যদিও তার গুনাহ আকাশের নক্ষত্রের সমপরিমাণ এবং পাহাড়সমূহের ন্যায় ভারী হয়….।

৯. লাইলাতুল ক্বদরে ১০০ রাকাত নামাজ পড়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে।

নামাজটি পড়ার পদ্ধতি: প্রতি রাকাতে সূরা ফাতিহার পর ১০ বার সূরা ইখলাস পাঠ করতে হবে। দ্বিতীয় রাকাতটিও অনুরূপ পদ্ধতিতে পড়তে হবে। অবশিষ্ট নামাজগুলো দুই দুই রাকাত করে পড়তে হবে।

১০. এই দোয়াটি পাঠ করা:

اللَّهُمَّ إِنِّي أَمْسَيْتُ لَكَ عَبْداً دَاخِراً لا أَمْلِكُ لِنَفْسِي نَفْعاً وَ لا ضَرّاً وَ لا أَصْرِفُ عَنْهَا سُوءاً أَشْهَدُ بِذَلِكَ عَلَى نَفْسِي وَ أَعْتَرِفُ لَكَ بِضَعْفِ قُوَّتِي وَ قِلَّةِ حِيلَتِي فَصَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَ آلِ مُحَمَّدٍ وَ أَنْجِزْ لِي مَا وَعَدْتَنِي وَ جَمِيعَ الْمُؤْمِنِينَ وَ الْمُؤْمِنَاتِ مِنَ الْمَغْفِرَةِ فِي هَذِهِ اللَّيْلَةِ وَ أَتْمِمْ عَلَيَّ مَا آتَيْتَنِي فَإِنِّي عَبْدُكَ الْمِسْكِينُ الْمُسْتَكِينُ الضَّعِيفُ الْفَقِيرُ الْمَهِينُ اللَّهُمَّ لا تَجْعَلْنِي نَاسِياً لِذِكْرِكَ فِيمَا أَوْلَيْتَنِي وَ لا لِإِحْسَانِكَ فِيمَا أَعْطَيْتَنِي وَ لا آيِساً مِنْ إِجَابَتِكَ وَ إِنْ أَبْطَأَتْ عَنِّي فِي سَرَّاءَ  أَوْ ضَرَّاءَ أَوْ شِدَّةٍ أَوْ رَخَاءٍ أَوْ عَافِيَةٍ أَوْ بَلاءٍ أَوْ بُؤْسٍ أَوْ نَعْمَاءَ إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاءِ.

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মা ইন্নী আমসাইতু লাকা আবদান দা-খিরান লা আমলিকু লিনাফসী নাফআ'উঁ ওয়ালা দ্বাররাউঁ ওয়ালা আসরিফু আ'নহা সূআন আশহাদু বিযা-লিকা আ'লা নাফসী ওয়া আ'তারিফু লাকা বিযাআ'ফি ক্বূওয়াতি ওয়া ক্বিল্লাতি হীলাতি ফাসল্লি আ'লা মুহাম্মাদিউঁ ওয়া আ-লি মুহাম্মাদ, ওয়া আনজিযলী মা ওয়া'দতানি ওয়া জামিআ'ল মু'মিনীনা ওয়াল মু'মিনা-তি মিনাল মাগফিরাতি ফী হা-যিহিল লাইলাতি ওয়া আতমিম আ'লাইয়া মা আ-তাইতানি ফা ইন্নী আ'বদুকাল মিসকীনুল মুসতাকীনুদ্ব দ্বায়ীফুল ফাক্বীরুল মাহীন, আল্লা-হুম্মা লা তাজআ'লনি না-সিয়াল লিযিকরিকা ফীমা আও লাইতানী ওয়ালা লি ইহসানিকা ফীমা আ'তাইতানী ওয়ালা আ-য়িসাম মিন ইজা-বাতিকা ওয়া ইন আবতাআত আ'ন্নী ফী সাররাআ আউ দ্বাররাআ আউ শিদ্দাতিন আউ রখাইন আউ আ'-ফিয়াতিন আউ বালাইন আউ বু'সিন আউ না'মাআ ইন্নাকা সামীউ'দ দু'আ ।

অর্থ: হে আল্লাহ! নিশ্চয় আমি আপনার একজন হীন দাস রূপে সন্ধ্যায় উপনীত হয়েছি, আমি আমার আত্মার জন্য লাভ ও ক্ষতি নিয়ন্ত্রণ করি না এবং এর কাছ থেকে খারাপকে ‍দূর করে দিতে পারি না আমি আমার আত্মার ওপর এই বিষয়ে সাক্ষ্য দিচ্ছি আর আমি আমার শক্তির দূর্বলতা এবং স্বল্প উপায়ের কথা আপনাকে জানাচ্ছি তাই কল্যাণ বর্ষণ করুন মুহাম্মাদ এবং তাঁর পরিবারের ওপর, এবং যা আমার কাছে আপনি অঙ্গীকার করেছেন তা পূরণ করুন এবং সব মুমিন পুরুষ ও নারীর জন্য এই রাতেই আপনার ক্ষমা এবং যা আপনি আমাকে দান করেছেন তা পূর্ণ করে দিন কারণ আমি আপনার নিঃস্ব ও বিনীত, দূর্বল, দরিদ্র ও নগণ্য একজন দাস। হে আল্লাহ! আপনার স্মরণকে যেন আমি ভুলে না যায় যে বিষয়ে আপনি আমাকে যোগ্য করেছন এবং আমাকে উদাসীন হতে দিবেন না আপনার উপকার স্মরণের বিষয়ে যা আপনিই আমাকে দান করেছেন এবং আমাকে আপনার সাড়া দেওয়ার বিষয়ে নিরাশ হতে দিবেন না যদি আপনি তা আমার জন্য স্থগিতও করে থাকেন সমৃদ্ধি অথবা ক্ষতির সময়ে, কঠিন বা সহজ সময়ে, সুস্থতায় বা দূর্যোগে, দূর্দশায় বা স্বাচ্ছন্দে নিশ্চয় আপনি দোয়াকে শোনেন।

শেখ কাফআমি (রহ.) এই দোয়াটি ইমাম জয়নুল আবেদীন (আ.) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি এই দোয়াটি লাইলাতুল ক্বদরের রাতগুলোতে কিয়াম, রুকু ও সেজদারত অবস্থায় পাঠ করতেন।

১১. আল্লামা মাজলিসি (রহ.) বলেছেন: এই রাত্রির উত্তম আমল হচ্ছে ইস্তিগফার পাঠ করা, নিজের পিতামাতা, ভাই, মৃতব্যাক্তি ও নিজের জন্য দোয়া করা এছাড়া যতটুকু সম্ভব যিকির, দুরুদ পাঠ করা।

১২. দোয়া জওশান কাবীর পাঠ করা।

এই দোয়া জওশান কাবীর পড়ার জন্য এই লিঙ্ক এ ক্লিক করুন।
👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇👇


👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆👆

রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে যে, এই তিন রাতে দোয়া-এ জওশান কাবীর পাঠ করা উত্তম। রেওয়ায়েতে বর্ণিত হয়েছে যে, একজন ব্যাক্তি রাসুল (সা.)কে জিজ্ঞাসা করে লাইলাতুল ক্বদরে আল্লাহর কাছে আমাদের কি চাওয়া উচিত? তিনি বলেন: লাইলাতুল ক্বদরে চাওয়া উচিত হচ্ছে আল্লাহ যেন আমাদের প্রতি সহায় হন।

১৯শে রমজান রাতের (১৮ই রমজান দিবাগত রাত) বিশেষ আমলসমূহ:

১৯শে রমজান রাতের বিশেষ আমলসমূহ নিন্মরূপ:

১. ১০০ বার পাঠ করতে হবে:
 (اَسْتَغْفِرُاللَّهَ رَبّي‏ وَ اَتُوبُ إلَيهِ)
আস্তাগ ফিরুল্লা-হা রব্বী ওয়া আতূবু ইলাইহি।

২. ১০০ বার পাঠ করতে হবে:
(اَللَّهُمَّ الْعَنْ قَتَلَةَ اَميرِ الْمُؤْمِنينَ)
আল্লা-হুম্মাল আ'ন ক্বতালাতা আমীরিল মু'মিনীন।

৩. নীচের এই দোয়াটি পাঠ করতে হবে :

اللَّهُمَّ اجْعَلْ فِيمَا تَقْضِي وَ تُقَدِّرُ مِنَ الْأَمْرِ الْمَحْتُومِ وَ فِيمَا تَفْرُقُ مِنَ الْأَمْرِ الْحَكِيمِ فِي لَيْلَةِ الْقَدْرِ وَ فِي الْقَضَاءِ الَّذِي لا يُرَدُّ وَ لا يُبَدَّلُ أَنْ تَكْتُبَنِي مِنْ حُجَّاجِ بَيْتِكَ الْحَرَامِ الْمَبْرُورِ حَجُّهُمْ الْمَشْكُورِ سَعْيُهُمْ الْمَغْفُورِ ذُنُوبُهُمْ الْمُكَفَّرِ عَنْهُمْ سَيِّئَاتُهُمْ وَ اجْعَلْ فِيمَا تَقْضِي وَ تُقَدِّرُ أَنْ تُطِيلَ عُمْرِي وَ تُوَسِّعَ عَلَيَّ فِي رِزْقِي وَ تَفْعَلَ بِي كَذَا وَ كَذَا.

উচ্চারণ: আল্লা-হুম্মাজ আল ফীমা তাক্বদ্বি ওয়া তুক্বাদ্দিরু মিনাল আমরিল মাহতূমি ওয়া ফীমা তাফরুক্বু মিনাল আমরিল হাকীমি ফী লাইলাতিল ক্বদরি ওয়া ফীল ক্বদ্বা-ইল লাযী লা ইউরদ্দু ওয়া লা তুবাদ্দালু আন তাকতুবানী মিন হুজ্জা-জি বাইতিকাল হারা-মিল মাবরুরি হাজ্জুহুমুল মাশককূরি সা' ইউহুমুল মাগফূরি যুনূবুহুমুল মুকাফফারি আ'নহুম সাইয়িআ-তুহুম ওয়াজ আ'ল ফীমা তাক্বদ্বি ওয়া তুক্বাদ্দিরু আন তুতীলা উ'মরি ওয়া ওয়াসসিআ' আ'লাইয়া ফী রিযক্বী ওয়া তাফআ'লা বি কাযা কাযা

( কাযা কাযা كَذَا وَكَذَا) এই স্থানে নিজের মনোবাসনা পূরণের জন্য আল্লাহর কাছে দোয়া করতে হবে।

অর্থ: হে আল্লাহ আপনি অবধারিত বিষয়ের যা কিছু নির্ধারণ ও ফয়সালা করেন এবং ক্বদরের রাতে প্রজ্ঞাপূর্ণ বিষয়ে যা কিছু আপনি আলাদা করেন এবং ভাগ্যর ঐ সকল বিষয় যেগুলো ফিরিয়ে নেওয়া হয় না এবং পরিবর্তিত হয় না যেন আপনি বাইতুল হারামে এবং হজ্বকারীদের মধ্যে আমার নামকে লিখে
দেন। যাদের হজ্ব আপনার কাছে গৃহিত হয়েছে যাদের সাঈ কৃতজ্ঞতা হিসেবে গৃহীত হয়েছে যাদের গুনাহগুলো ক্ষমা করা হয়েছে যাদের অপকর্মগুলোর প্রায়শ্চিত্ত হয়েছে এবং যখন আপনি সিদ্ধান্ত নেন ও মাত্রা নির্ধারণ করেন আপনি আমার জীবনকে দীর্ঘায়িত করে দেন এবং আমার রিযিককে প্রশস্ত করে দেন।
                                                                                                                                         প্রচারে:- 
   আল-হুজ্জাত একাডেমি
          এবং
আঞ্জুমানে নাসেরানে মাহদী (আ:ফা:)

দু'আ-এ জওশনে কবীর (বাংলা উচ্চারণ)

বিসমিল্লাহির রাহমানির রহীম
   
সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব।

১- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বি ইসমিকা ইয়া আল্লাহু, ইয়া রাহমানু, ইয়া রাহিমু, ইয়া কারিমু, ইয়া মুকিমু, ইয়া আযিমু, ইয়া কাদিমু, ইয়া আলিমু, ইয়া হালিমু, ইয়া হাকিম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২- ইয়া সাইয়্যিদাস সাদাত, ইয়া মুজিবাদ দাওয়াত, ইয়া রাফিআদ দারাজাত, ইয়া ওয়ালিয়াল হাসানাত, ইয়া গাফেরাল খাতিয়্যাত, ইয়া মুউতিয়াল মাসআলাত, ইয়া কবেলাত তাওবাত, ইয়া সামেআল আসওয়াত, ইয়া আলেমাল খাফিয়্যাত, ইয়া দাফেয়াল বালিইয়্যাত। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩- ইয়া খায়রাল গাফিরিন, ইয়া খায়রাল ফাতিহিন, ইয়া খায়রান নাসিরিন, ইয়া খায়রাল হাকিমিন, ইয়া খায়রার রাযিকিন, ইয়া খায়রাল ওয়ারিসিন, ইয়া খায়রাল হামিদিন, ইয়া খাইরায যাকিরিন, ইয়া খাইরাল মুনযিলিন, ইয়া খাইরাল মুহসিনিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪- ইয়া মান লাহুল ইযযাতু ওয়াল জামাল, ইয়া মান লাহুল কুদরাতু ওয়াল কামাল, ইয়া মান লাহুল মুলকু ওয়াল জালাল, ইয়া মান হুয়াল কাবিরুল মোতাআল, ইয়া মুনশিয়াস সাহাবিস সেকাল, ইয়া মান হুয়া শাদিদুল মিহাল, ইয়া মান হুয়া সারিউল হিসাব, ইয়া মান হুয়া শাদিদুল ইক্বাব, ইয়া মান ইন্দাহু হুসনুস সাওয়াব, ইয়া মান হুয়া ইন্দাহু উম্মুল কিতাব।  (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বি ইসমিকা ইয়া হান্নানু ইয়া মান্নানু, ইয়া বুরহানু, ইয়া সুলতানু, ইয়া রেযওয়ানু, ইয়া গুফরানু, ইয়া সুবহানু, ইয়া মুসতাআনু, ইয়া যাল মান্নি ওয়াল বায়ান। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬- ইয়া মান তাওয়াযাআ কুল্লি শাইয়িন লি আযামা, ইয়া মানিস তাসলামা কুল্লু শাইয়িন লি-কুদরাতিহি, ইয়া মান যাল্লা কুল্লু শাইয়িন লি ইযযাতিহি, ইয়া মান খাযাআ কুল্লু শাইয়িন লি-হায়বাতি, ইয়া মানিন-তিক্বদা কুল্লু শাইয়িন মিন খাশিয়াতিহি, ইয়া মান তাশাক্বাক্বাতিল জিবালু মিম মাখাফাতি, ইয়া মান ক্বমাতিস সামাওয়াতু বি আমরি, ইয়া মানিস-তাক্বাররাতিল আরাযুনা বি ইযনিহি, ইয়া মান ইয়ুসাব্বিহুর রাআদু বিহামদিহি, ইয়া মান লা ইয়াতাদি আলা আহলি মামলাকাতিহি। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭- ইয়া গফিরাল খাতায়া, ইয়া কাশেফাল বালায়া, ইয়া মুনতাহির রাজায়া, ইয়া মুজযিলাল আতায়া, ইয়া ওয়াহিবাল হাদায়া, ইয়া রাযেকাল বারায়া, ইয়া ক্বযিয়াল মানায়া, ইয়া সামিআশ শাকায়া, ইয়া বায়েসাল বারায়া, ইয়া মুতলিকাল উসারা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮-  ইয়া যাল হামদি ওয়াস সানা, ইয়া যাল ফাখরি ওয়াল বাহা, ইয়া যাল মাজদি ওয়াস সানা, ইয়া যাল আহদি ওয়াল ওয়াফা, ইয়া যাল আফওয়ি ওয়ার রিযা, ইয়া যাল মান্নি ওয়াল আতা, ইয়া যাল ফাযলি ওয়াল কাযা, ইয়া যাল ইযযি ওয়াল বাক্বা, ইয়া যাল জুদি ওয়াস সাখা, ইয়া যাল আলায়ি ওয়ান-নাআমা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া মানিয়ু, ইয়া দাফিয়ু, ইয়া নাফিয়ু, ইয়া সামিয়ু, ইয়া জামিয়ু, ইয়া শাফিয়ু, ইয়া ওয়াসিয়ু, ইয়া মুসিয়। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১০- ইয়া সানেআ কুল্লি মাসনু, ইয়া খালেক্বা কুল্লি মাখলুক্ব, ইয়া রাযেক্বা কুল্লি মারযুক্ব, ইয়া মালেকা কুল্লি মামলুক, ইয়া কাশেফা কুল্লি মাকরুব, ইয়া ফারেজা কুল্লি মাহমুম, ইয়া রাহিমা কুল্লি মারহুম, ইয়া নাসেরা কুল্লি মাখযুল, ইয়া সাতিরা কুল্লি মা’য়ুব, ইয়া মালজাআ কুল্লি মাতরুদ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১১- ইয়া উদ্দাতি ইন্দা শিদ্দাতি, ইয়া রাজায়ি ইন্দা ‍মুসিবাতি, ইয়া মুনিসি ইন্দা ওয়াহশাতি, ইয়া সাহিবি ইন্দা গুরবাতি, ইয়া ওয়ালিয়ি ইন্দা নেয়মাতি, ইয়া গিয়াসি ইন্দা কুরবাতি, ইয়া দালিলি ইন্দা হায়রাতি, ইয়া গানায়ি ইন্দাফ-তিক্বারি, ইয়া মালজায়ি ইন্দায-তেরারি, ইয়া মুনিয়ি ইন্দা মাফযায়ি। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১২- ইয়া আল্লামাল গুয়ুব, ইয়া গাফফারায যুনুব, ইয়া সাত্তারাল উয়ুব, ইয়া কাশেফাল কুরুব, ইয়া মুকাল্লিবাল কুলুব, ইয়া তাবিবাল কুলুব, ইয়া মুনাওয়িরাল কুলুব, ইয়া আনিসাল কুলুব, ইয়া মুফাররেজাল হুমুম, ইয়া মুনাফফিসাল গুমুম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১৩- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া জালিলু, ইয়া জামিলু, ইয়া ওয়াকিলু, ইয়া কাফিলু, ইয়া দালিলু, ইয়া কাবিলু, ইয়া মুদিলু, ইয়া মুনিলু, ইয়া মুকিলু, ইয়া মুহিল। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১৪- ইয়া দালিলাল মুতাহাইয়িরিন, ইয়া গিয়াসাল মুস্তাগিসিন, ইয়া সারিখাল মুসতাসরিখিন, ইয়া জারাল মুস্তাজিরিন, ইয়া আমানাল খয়েফিন, ইয়া আওনাল মুমিনিন, ইয়া রাহিমাল মাসাকিন, ইয়া মাল জাআল-আসিন, ইয়া গাফেরাল মুযনাবিন, ইয়া মুজিবাদ দাওয়াতিল মুযতাররিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১৫- ইয়া যাল জুদি ওয়াল ইহসান, ইয়া যাল ফাযলি ওয়াল ইমতিনান, ইয়া যাল আমনি ওয়াল আমান, ইয়া যাল কুদসি ওয়াস সুবহান, ইয়া যাল হিকমাতি ওয়াল বায়ান, ইয়া যার রাহমাতি ওয়ার রিযওয়ান, ইয়া যাল হুজ্জাতি ওয়াল বুরহান, ইয়া যাল আযামাতি ওয়াস সুলতান, ইয়া যার রাফাতি ওয়াল মুস্তাআন, ইয়া যাল আফওয়ি ওয়াল গুফরান। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১৬- ইয়া মান হুয়া রাব্বু কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া ইলাহু কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া খালিকু কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া সানিয়ু কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া ক্বাবলা কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া বাআদা কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া ফাওক্বা কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া আলিমুন বি কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া ক্বদিরুন আলা কুল্লি শাই, ইয়া মান হুয়া ইয়াবক্বা ওয়া ইয়াফনা কুল্লি শাই। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১৭- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া মুমিনু, ইয়া মুহাইমিনু, ইয়া মুকাওয়্যিনু, ইয়া মুলাক্ক্বিনু, ইয়া মুবাইয়্যিনু, ইয়া মুহাওওয়্যিনু, ইয়া মুমাক্কিনু, ইয়া মুযায়্যিনু, ইয়া মুঅলিনু, ইয়া মুকাসসিম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১৮- ইয়া মান হুয়া ফি মুলকিহি মুকিম, ইয়া মান হুয়া ফি সুলতানিহি ক্বাদিম, ইয়া মান হুয়া ফি জালালিহি আযিম, ইয়া মান হুয়া আলা ইবাদিহি রাহিম, ইয়া মান হুয়া বি কুল্লি শাইয়িন আলিম, ইয়া মান হুয়া বিমান আসাহুল হালিম, ইয়া মান হুয়া বিমান রাজাহু কারিম, ইয়া মান হুয়া ফি সুনয়িহি হাকিম, ইয়া মান হুয়া ফি হিকমাতিহি লাতিফ, ইয়া মান হুয়া ফি লুতফিহি ক্বাদিম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১৯- ইয়া মান লা ইয়ুরজা ইল্লা ফাযলুহু, ইয়া মান লা ইউসআলু ইল্লা আফয়ুহ, ইয়া মান লা ইয়ুনযারু ইল্লা বিররুহ, ইয়া মান লা ইউখাফু ইল্লা আদলু, ইয়া মান লা ইযাদুমু ইল্লা মুলকুহ, ইয়া মান লা সুলতানা ইল্লা সুলতানুহ, ইয়া মান লা ওয়াসিয়াত কুল্লা শাইয়িন রাহমাতু, ইয়া মান সাবাক্বাত রাহমাতু গাযাবাহ, ইয়া মান আহাতা বি কুল্লি শাইয়িন ইলমুহ, ইয়া মান লাইসা আহাদুম মিসলু। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২০- ইয়া ফারেজাল হাম্ম, ইয়া কাশেফাল গাম্ম, ইয়া গাফেরায যান্ব, ইয়া কাবিলাত তাওবি, ইয়া খালিকাল খালকি, ইয়া সাদিকাল ওয়াদি, ইয়া মুঅফিয়াল আহদি, ইয়া আলিমাস সিররি, ইয়া ফালিকাল হাব্বি, ইয়া রাযিক্বাল আনাম।  (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২১- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া আল্যিয়ু, ইয়া ওয়াফিয়্যু, ইয়া গানিয়্যু, ইয়া মালিয়্যু, ইয়া হাফিয়্যু, ইয়া রাযিয়্যু, ইয়া যাকিয়্যু, ইয়া বাদিয়্যু, ইয়া কাওয়িয়্যু, ইয়া ওয়ালি। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২২- ইয়া মান আযহারাল জামিল, ইয়া মান সাতারাল কাবিহ, ইয়া মান লাম ইউআখিযু বিল জারির, ইয়া মান লাম ইয়াহতিকিস সিতর, ইয়া আযিমাল আফওয়ি, ইয়া হাসানাত তাজাউয, ইয়া ওয়াসিআল মাগফিরা, ইয়া সাহিবা কুল্লি নাজওয়া, ইয়া মুনতাহা কুল্লি শাকওয়া। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২৩- ইয়া যান নেয়ামাতিস সাবেগা, ইয়া যার রাহমাতিল ওয়াসিয়া, ইয়া যাল মিন্নাতিস সাবেক্বা, ইয়া যাল হিমাতিল বালেগা, ইয়া যাল কুদরাতিল কামেলা, ইয়া যাল হুজ্জাতিল ক্বাতেআ, ইয়া যাল কারামাতিয যাহিরা, ইয়া যাল ইযযাতিদ দায়েমা, ইয়া যাল কুওয়াতিল মাতিনা, ইয়া যাল আযমাতিল মানিয়া। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২৪- ইয়া বাদিআস সামাওয়াত, ইয়া জায়েলায যুলুমাত, ইয়া রাহিমাল আবারাত, ইয়া মুকিলাল আসারাত, ইয়া সাতিরাল আওরাত, ইয়া মুহইল আমওয়াত, ইয়া মুনযিলাল আয়াত, ইয়া মুযাইয়িফাল হাসানাত, ইয়া মাহিয়াস সাইয়িআত, ইয়া সাদিদান নাক্বিমাত। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২৫- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া মুসাওউয়িরু, ইয়া মুক্বাদ্দিরু, ইয়া মুদাব্বিরু, ইয়া মুতাহহিরু, ইয়া মুনাওউয়িরু, ইয়া মুসাইয়িরু, ইয়া মুবাশশিরু, ইয়া মুনযিরু, ইয়া মুক্বাদ্দিমু, ইয়া মুয়াখখির। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২৬- ইয়া রাব্বাল বাইতিল হারাম, ইয়া রাব্বাশ শাহরিল হারাম, ইয়া রাব্বাল বালাদিল হারাম, ইয়া রাব্বার রুকনি ওয়াল মাকাম, ইয়া রাব্বিল মাশআরিল হারাম, ইয়া রাব্বাল মাসজিদিল হারাম, ইয়া রাব্বাল হিল্লি ওয়াল হারাম, ইয়া রাব্বান নুরি ওয়ায যালাম, ইয়া রাব্বাত তাহিয়্যাতি ওয়াস সালাম, ইয়া রাব্বাল কুদরাতি ফিল আনাম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২৭- ইয়া আহকামাল হাকিমিন, ইয়া আয়দালাল আদিলিন, ইয়া আসদাক্বাস সাদিক্বিন, ইয়া আতহারাত তাহিরিন, ইয়া আহসানাল খালিক্বিন, ইয়া আসরায়াল হাসিবিন, ইয়া আসমাআস সামিয়িন, ইয়া আবসারান নাযিরিন, ইয়া আশফায়াশ শাফিয়িন, ইয়া আকরামাল আকরামিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২৮- ইয়া ইমাদা মান লা ইমাদা লা, ইয়া সানাদা মান লা সানাদা লা, ইয়া যুখরা মান লা যুখরা লা, ইয়া হেরযা মান লা হেরযা লা, ইয়া গিয়াসা মান লা গিয়াসা লা, ইয়া ফাখরা মান লা ফাখারা লা, ইয়া ইযযা মান লা ইযযা লা, ইয়া মুইনা মান লা মুইনা লা, ইয়া আনিসা মান লা আনিসা লা, ইয়া আমানা মান লা আমানা লা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

২৯- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া আসিমু, ইয়া কায়িমু, ইয়া দায়িমু, ইয়া রাহিমু, ইয়া সালিমু, ইয়া হাকিমু, ইয়া আলিমু, ইয়া কাসিমু, ইয়া ক্বাবিযু, ইয়া বাসিত। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩০- ইয়া আসিমা মানিস তা’সামা, ইয়া রাহিমা মানিস তারহামা, ইয়া গাফিরা মানিস তাগফারা, ইয়া নাসিরা মানিস তানসারা, ইয়া হাফিযা মানিস তাহফাযা, ইয়া মুকরিমা মানিস তাকরামা, ইয়া মুর্শিদা মানিস তারশাদা, ইয়া সারিখা মানিস তাসরাখা, ইয়া মুয়িনা মানিস তায়ানা, ইয়া মুগিসা মানিস তাগাসা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩১- ইয়া আযিযান লা ইউসাম, ইয়া লাতিফান লা ইউরাম, ইয়া কাইয়ুমান লা ইয়ানাম, ইয়া দায়িমান লা ইয়াফুত, ইয়া হাইয়ান লা ইয়ামুত, ইয়া মালিকান লা ইয়াযুল, ইয়া বাকিয়ান লা ইয়াফনা, ইয়া আলিমান লা ইয়াজহাল, ইয়া সামাদান লা ইউতআম, ইয়া কাওয়্যিয়ান লা ইয়াযউফ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩২- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া আহাদু, ইয়া ওয়াহিদু, ইয়া শাহিদু, ইয়া মাজিদু, ইয়া হামিদু, ইয়া রাশিদু, ইয়া বায়িসু, ইয়া ওয়ারিসু, ইয়া যাররু, ইয়া নাফিয়্যু। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩৩- ইয়া আ’যামা মিন কুল্লি আযিম, ইয়া আকরামা মিন কুল্লি কারিম, ইয়া আরহামা মিন কুল্লি রাহিম, ইয়া আ’লামা মিন কুল্লি আলিম, ইয়া আহকামা মিন কুল্লি হাকিম, ইয়া আক্বদামা মিন কুল্লি ক্বাদিম, ইয়া আকবারা মিন কুল্লি কাবির, ইয়া আলতাফা মিন কুল্লি লাতিফ, ইয়া আজাল্লা মিন কুল্লি জালিল, ইয়া আয়াযযা মিন কুল্লি আযিয। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩৪- ইয়া কারিমাস সাফহ, ইয়া আযিমাল মান্নি, ইয়া কাসিরাল খাইর, ইয়া কাদিমাল ফাযল, ইয়া দায়িমাল লুতফ, ইয়া লাতিফাল সুনয়্য, ইয়া মুনাফফিসাল কারব, ইয়া কাশিফায যুর্র, ইয়া মালিকাল মুলক, ইয়া কাযিয়াল হাক্ব। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩৫- ইয়া মান হুয়া ফি আহদিহি ওয়াফিয়্যু, ইয়া মান হুয়া ফি ওয়াফায়িহি ক্বাওয়্যিয়্যু, ইয়া মান হুয়া ফি কুওওয়াতিহি আলিয়্যু, ইয়া মান হুয়া ফি উলুওয়্যিহি ক্বারিব, ইয়া মান হুয়া ফি ক্বুরবিহি লাতিফ, ইয়া মান হুয়া ফি লুতফিহি শারিফ, ইয়া মান হুয়া শারাফিহি আযিয, ইয়া মান হুয়া ফি ইযযিহি আযিম, ইয়া মান হুয়া ফি আযামাতিহি মাজিদ, ইয়া মান হুয়া ফি মাজদিহি হামিদ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩৬- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া কাফি, ইয়া শাফি, ইয়া ওয়াফি, ইয়া মুআফি, ইয়া হাদি, ইয়া দায়ি, ইয়া কাযি, ইয়া রাযি, ইয়া আলি, ইয়া বাকি। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩৭- ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন খাযিউন লাহ, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন খাশিউন লাহ, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন কায়েনুন লাহ, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন মাউজুদুন বিহ, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন মুনিবুন ইলাই, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন খায়িফুন মিনহু, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন কায়িমুন বিহ, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন সায়িরুন ইলাই, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন ইউসাব্বিহু বি হামদি, ইয়া মান কুল্লু শাইয়্যিন হালিকুন ইল্লা ওয়াজহা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩৮- ইয়া মান লা-মাফাররা ইল্লা ইলাইহি, ইয়া মান লা-মাকসাদা ইল্লা ইলাইহি, ইয়া মান লা-মানজা মিনহু ইল্লা ইলাইহি, ইয়া মান লা-ইউরগাবু ইল্লা ইলাইহি, ইয়া মান লা-হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিহ, ইয়া মান লা-ইউসতায়ানু ইল্লা বিহ, ইয়া মান লা-ইউতাওয়াক্কালু ইল্লা ইলাইহি, ইয়া মান লা-ইউরজা ইল্লাহু, ইয়া মান লা ইউবাদু ইল্লা হু। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৩৯- ইয়া খায়রাল মারহুবিন, ইয়া খায়রাল মারগুবিন, ইয়া খায়রাল মাতলুবিন, ইয়া খায়রাল মাসউলিন, ইয়া খায়রাল মাক্বসুদিন, ইয়া খায়রাল মাযকুরিন, ইয়া খায়রাল মাশকুরিন, ইয়া খায়রাল মাহবুবিন, ইয়া খায়রাল মাদয়্যু উইন, ইয়া খায়রাল মুসতানিসিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪০- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া গাফিরু, ইয়া সাতিরু, ইয়া ক্বাদিরু, ইয়া ক্বাহিরু, ইয়া ক্বাতিরু, ইয়া ফাতিরু, ইয়া কাসিরু, ইয়া জাবিরু, ইয়া যাকিরু, ইয়া নাযিরু, ইয়া নাসির। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪১- ইয়া মান খালাক্বা ফাসাও ওয়া, ইয়া মান ক্বদ্দারা ফাহাদা, ইয়া মাই ইয়াকশিফুল বালওয়া, ইয়া মাই ইয়াসমায়ুন নাজওয়া, ইয়া মাই ইউনকিযুল গারক্বা, ইয়া মাই ইউনজিল হালকা, ইয়া মাই ইয়াশফিল মারযা, ইয়া মান আযহাকা ওয়া আবকা, ইয়া মান আমাতা ওয়া আহইয়া, ইয়া মান খালাক্বায যাওজাইনিয যাকারা ওয়াল উনসা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪২- ইয়া মান ফিল বাররি ওয়াল বাহরি সাবিলুহ, ইয়া মান ফিল আফাকিল আয়াতুহ, ইয়া মান ফিল আয়াতিল বুরহানু, ইয়া মান ফিল মামাতি কুদরাতুহ, ইয়া মান ফিল কুবুরি ইতরাতুহ, ইয়া মান ফিল কিয়ামাতিল মুলকুহ, ইয়া মান ফিল হিসাবি হায়াতুহ, ইয়া মান ফিল মিযানি কাযাউহ, ইয়া মান ফিল জান্নাতি সাওয়াবুহ, ইয়া মান ফিন নারি ইকাবুহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪৩- ইয়া মান ইলাইহি ইয়াহরাবুল খায়িফুন, ইয়া মান ইলাইহি ইয়াফযাউল মুযনিবুন, ইয়া মান ইলাইহি ইযক্বসিদুল মুনিবুন, ইয়া মান ইলাইহি ইয়ারগাবুয যাহিদুন, ইয়া মান ইলাইহি ইয়ালজাউল মুতাহাইয়িরুন, ইয়া মান বি ইয়াসতানিসুল মুরিদুন, ইয়া মান বি ইয়াফতাখিরুল মুহিব্বুন, ইয়া মান ফি আফওয়িহি ইয়াতমাউল খাতিউন, ইয়া মান ইলাইহি ইয়াসকুনুল মুকিনুন, ইয়া মান ইলাইহি ইয়াতাওয়াক্কালুল মোতাওয়াক্কিলুন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪৪- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া হাবিবু, ইয়া তাবিবু, ইয়া কারিবু, ইয়া রাকিবু, ইয়া হাসিবু, ইয়া মাহিবু, ইয়া মুসিবু, ইয়া মুজিবু, ইয়া খাবিরু, ইয়া বাসির। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪৫- ইয়া আক্বরাবা মিন কুল্লি কারিব, ইয়া আহাব্বা মিন কুল্লি হাবিব, ইয়া আবসারা মিন কুল্লি বাসির, ইয়া আখবারা মিন কুল্লি খাবির, ইয়া আশরাফা মিন কুল্লি শারিফ, ইয়া আরফায়া মিন কুল্লি রাফিয়্য, ইয়া আক্বওয়া মিন কুল্লি কাওয়ি, ইয়া আগনা মিন কুল্লি গানি, ইয়া আজওয়াদা মিন কুল্লি জাওয়াদ, ইয়া আরআফা মিন কুল্লি রাউফ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪৬- ইয়া গালিবান গায়রা মাগলুব, ইয়া সানিআন গায়রা মাসনুয়্য, ইয়া খালিক্বান গাইরা মাখলুক্ব, ইয়া মালিকান গায়রা মামলুক, ইয়া ক্বাহিরান গাইরা মাক্বহুর, ইয়া রফিয়ান গাইরা মারফুয়্য, ইয়া হাফিযান গাইরা মাহফুয, ইয়া নাসিরান গাইরা মানসুর, ইয়া শাহিদান গাইরা গায়িব, ইয়া ক্বারিবান গাইরা বাঈদ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪৭- ইয়া নুরান নূর, ইয়া মুনাওয়ারান নূর, ইয়া খালিকান নূর, ইয়া মুদাববিরান নূর, ইয়া মুকাববিরান নূর, ইয়া নূরা কুল্লি নূর, ইয়া নূরান কাবলা কুল্লি নূর, ইয়া নূরান বা’আদা কুল্লি নূর, ইয়া নূরান ফাওক্বা কুল্লি নূর, ইয়া নূরান লাইসা কা-মিসলিহি নূর। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪৮- ইয়া মান আতাউহু শারিফ, ইয়া মান ফেয়্যলুহু শারিফ, ইয়া মান ফেয়্যলুহু লাতিফ, ইয়া মান লুতফুহু মুকিম, ইয়া মান ইহসানুহু ক্বাদিম, ইয়া মান ক্বাউলুহু হাক্ব, ইয়া মান ওয়্যাদুহু সিদক্ব, ইয়া মান আফয়ুহু ফাযল, ইয়া মান আযাবুহু আদল, ইয়া মান যিকরুহু হুলউন, ইয়া মান ফাযলুহু আমিম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৪৯- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া মুসাহহিলু, ইয়া মুফাসসিলু, ইয়া মুবাদদিলু, ইয়া মুযাললিলু, ইয়া মুনাযযিলু, ইয়া মুনাও ওয়িল, ইয়া মুফাযযিলু, ইয়া মুজযিলু, ইয়া মুমহিলু, ইয়া মুজমিল। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫০- ইয়া মাই ইয়ারা ওয়ালা ইউরা, ইয়া মাই ইয়াখলুক্বু ওয়ালা ইউখলাক্ব, ইয়া মাই ইয়াহদি ওয়ালা ইউহদা, ইয়া মাই ইউহয়ি ওয়ালা ইউহইয়া, ইয়া মাই ইয়াসআলু ওয়ালা ইউসআল, ইয়া মাই ইউতইমু ওয়ালা ইউতআম, ইয়া মাই ইউজিরু ওয়ালা ইউজারু আলাইহ, ইয়া মান ইয়াক্বযি ওয়ালা ইউক্বযা আলাই, ইয়া মাই ইয়াহকুমু ওয়ালা ইউহকামু আলাই, ইয়া মান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুনল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫১- ইয়া নে’মাল হাসিব, ইয়া নে’মাত তাবিব, ইয়া নে’মার রাকিব, ইয়া নে’মাল কারিব, ইয়া নে’মাল মুজিব, ইয়া নে’মাল হাবিব, ইয়া নে’মাল কাফিল, ইয়া নে’মাল ওয়াকিল, ইয়া নে’মাল মাওলা, ইয়া নেয়ামান নাসির। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫২- ইয়া সুরুরাল আরিফিন, ইয়া মুনাল মুহিব্বিন, ইয়া আনিসাল মুরিদিন, ইয়া হাবিবাত তাওয়াবিন, ইয়া রাযিকাল মুকিল্লিন, ইয়া রাজাআল মুযনিবিন, ইয়া কুররাতা আয়নিল আবিদিন, ইয়া মুনাফফিসা আনিল মাকরুবিন, ইয়া মুফাররিজা আনিল মাগমুমিন, ইয়া ইলাহাল আওয়ালিন ওয়াল আখিরিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫৩- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া রব্বানা, ইয়া ইলাহানা, ইয়া সাইয়্যেদিনা, ইয়া মাওলানা, ইয়া নাসিরানা, ইয়া হাফিযানা, ইয়া দালিলানা, ইয়া মু্য়্যিনানা, ইয়া হাবিবানা, ইয়া তাবিবানা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫৪- ইয়া রাব্বান নাবিইয়্যিনা ওয়াল আবরার, ইয়া রাব্বাস সিদ্দিকিনা ওয়াল আখইয়ার, ইয়া রাব্বাল জান্নাতা ওয়ান নার, ইয়া রাব্বাস সিগারি ওয়াল কিবার, ইয়া রাব্বাল হুবুবি ওয়াস সামার, ইয়া রাব্বাল আনহারি ওয়াল আশজার, ইয়া রাব্বাস সাহারি ওয়াল কেফার, ইয়া রাব্বাল বারারি ওয়াল বিহার, ইয়া রাব্বাল লাইলি ওয়ান নাহার, ইয়া রাব্বাল আয়লানি ওয়াল আসরার। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫৫- ইয়া মান নাফাযা ফি কুল্লি শাইয়্যিন আমরুহ, ইয়া মান লাহিক্বা বি কুল্লি শাইয়্যিন ইলমুহ, ইয়া মান বালাগাত ইলা কুল্লি শাইয়্যিন কুদরাতুহ, ইয়া মান লা তুহসি লা তাবলুগুল খালায়িক্বু শুকরাহ, ইয়া মান লা তুদরিকুল আফহামু জালালাহ, ইয়া মান লা তানালুল আউহামু কুনহা, ইয়া মানিল ইবাদু নিয়ামাহ, ইয়া মানিল আযামাতু ওয়াল কিবরিয়াহু রিদাউহ, ইয়া মান লা তারুদ্দুল ইবাদু ক্বাযাআহু, ইয়া মান লা মুলকা ইল্লা মুলকুহ, ইয়া মান লা আতাআ ইল্লা আতাউহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫৬- ইয়া মান লাহুল মাসালুল আ’লা, ইয়া মান লাহুস সিফাতুল উলইয়া, ইয়া মান লাহুল আখিরাতু ওয়াল উলা, ইয়া মান লাহুল জান্নাতুল মা’ওয়া, ইয়া মান লাহুল আয়াতুল কুবরা, ইয়া মান লাহুল আসমাউল হুসনা, ইয়া মান লাহুল হুকমু ওয়াল কাযা, ইয়া মান লাহুল হাওয়া উ ওয়াল কাযা, ইয়া মান লাহুল আরশু ওয়াস সারা, ইয়া মান লাহুস সামাওয়াতুল উলা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫৭- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া আফুও, ইয়া গাফুরু, ইয়া সাবুরু, ইয়া শাকুরু, ইয়া রাউফু, ইয়া আতুফু, ইয়া মাসউলু, ইয়া ওয়াদুদু, ইয়া সুব্বুহু, ইয়া ক্বুদ্দুস। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫৮- ইয়া মান ফিস সামায়ি আযামাতুহ, ইয়া মান ফিল আরযি আয়াতুহ, ইয়া মান ফি কুল্লি শাইয়্যিন দালায়িলুহ, ইয়া মান ফিল বাহরি আজায়িবুহ, ইয়া মান ফিল জিবালি খাযায়িনুহ, ইয়া মান ইয়াদাউল খালক্বা সুম্মা ইউয়িদুহ, ইয়া মান ইলাইহি ইয়ারজিউল আমরু কুল্লুহ, ইয়া মান আযহারা ফি কুল্লি শাইয়্যিন লুতফাহ, ইয়া মান আহসানা কুল্লা শাইয়্যিন খালক্বাহ, ইয়া মান তাসাররাফা ফিল খালায়িক্বি ক্বুদরাতুহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৫৯- ইয়া হাবিবা মান লা হাবিবা লাহ, ইয়া তাবিবা মান লা তাবিবা লাহ, ইয়া মুজিবা মান লা মুজিবা লাহ, ইয়া শাফিক্বা মান লা শাফিক্বা লাহ, ইয়া রাফিক্বা মান লা রাফিক্বা লাহ, ইয়া মুগিসা মান লা মুগিসা লাহ, ইয়া দালিলা মান লা দালিলা লাহ, ইয়া আনিসা মান লা আনিসা লাহ, ইয়া রাহিমা মান লা রাহিমা লাহ, ইয়া সাহিবা মান লা সাহিবা লাহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬০- ইয়া কাফিয়া মানিস তাকফা, ইয়া হাদিয়া মানিস তাহদা, ইয়া কালিয়া মানিস তাকলা, ইয়া রায়্যিআ মানিস তারআ, ইয়া শাফিয়া মানিস তাশফা, ইয়া কাযিয়া মানিস তাক্বযা, ইয়া মুগনিয়া মানিস তাগনা, ইয়া মুফিয়া মানিস তাওফা, ইয়া মুকাওয়িআ মানিস তাক্বওয়া, ইয়া ওয়ালিয়্যা মানিস তাওলা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬১- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া খালিক্বু, ইয়া রাযিক্বু, ইয়া নাতিক্বু, ইয়া সাদিক্বু, ইয়া ফালিক্বু, ইয়া রাতিক্বু, ইয়া সাবিক্বু, ইয়া সামিক্ব। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬২- ইয়া মাই ইউকাল্লিবুল লাইলা ওয়ান নাহার, ইয়া মান জাআলায যুলুমাতি ওয়াল আনওয়ার, ইয়া মান খালাক্বায যিল্লা ওয়াল হারুর, ইয়া মান সাখখারাশ শামসা ওয়াল ক্বামার, ইয়া মান ক্বাদ্দারাল খায়রা ওয়াশ শার, ইয়া মান খালক্বাল মাওতা ওয়াল হায়াত, ইয়া মান লাহুল খালক্বু ওয়াল আমর, ইয়া মান লাম ইয়াত্তাখিয সাহিবাতাও ওয়া লা ওয়ালাদা, ইয়া মান লাইসা লাহু শারিকুন ফিল মুলক, ইয়া মান লাম ইয়াকুন লাহু ওয়ালিউম মিনায যুল। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬৩- ইয়া মাই ইয়া’লামু মুরাদাল মুরিদিন, ইয়া মাই ইয়া’লামু যামিরাল সামিতিন, ইয়া মাই ইয়াসমা উ আনিনাল ওয়াহিনিন, ইয়া মাই ইয়ারা বুকাআল খায়িফিন, ইয়া মাই ইয়ামলিকু হাওয়ায়েজাস সায়িলিন, ইয়া মাই ইয়াক্ববালু উযরাত তাঈবিন, ইয়া মান লা ইউসলাহু আমালাল মুফসিদিন, ইয়া মান লাই ইউযিয়ু আজরাল মুহসিনিন, ইয়া মান লাই ইয়াবআদু আন কুলুবিল আরিফিন, ইয়া আজওয়াদাল আজওয়াদিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬৪- ইয়া দায়িমাল বাক্বা, ইয়া সামিআদ দুয়া, ইয়া ওয়াসিয়াল আতা, ইয়া গাফিরাল খাতা, ইয়া বাদিআস সামা, ইয়া হাসানাল বালা, ইয়া জামিলাস সানা, ইয়া কাদিমাস সানা, ইয়া কাসিরাল ওয়াফা, ইয়া শারিফাল জাযা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬৫- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া সাত্তারু, ইয়া গাফফারু, ইয়া কাহহারু, ইয়া জাব্বারু, ইয়া সাব্বারু, ইয়া বাররু, ইয়া মুখতারু, ইয়া ফাততাহু, ইয়া নাফফাহু, ইয়া মুরতাহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬৬- ইয়া মান খালাক্বানি ওয়া সাও ওয়ানি, ইয়া মান রাযাক্বানি ওয়া রাব্বানি, ইয়া মান আতআমানি ওয়া সাক্বানি, ইয়া মান কাররাবানি ওয়া আদনানি, ইয়া মান আসামানি ওয়া কাফানি, ইয়া মান হাফাযানি ওয়া কালানি, ইয়া মান আ-আযযানি ওয়া আগনানি, ইয়া মান ওয়াফ ফাক্বানি ওয়া হাদানি, ইয়া মান নাসানি ওয়া আওয়ানি, ইয়া মান আমাতানি ওয়া আহইয়ানি। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬৭- ইয়া মাই ইউহিক্কুল হাক্কা বি কালিমাতিহি, ইয়া মান ইয়াকবালুত তাওবাতা আন ইবাদিহি, ইয়া মাই ইয়াহুলু বাইনাল মারয়ি ওয়া ক্বালবিহি, ইয়া মান লা তানফায়ুশ শাফাআতু ইল্লা বি ইযনি, ইয়া মান হুয়া আ’লামু বিমান যাল্লা আন সাবিলিহি, ইয়া মান লা মুআককিবা লি হুকমিহি, ইয়া মান লা রাদ্দা লি কাযাইহি, ইয়া মানিন ক্বাদা কুল্লু শাইয়্যিন লি আমরিহি, ইয়া মানিস সামাওয়াতি মুতওয়্যিআতুন বি ইয়ামিনিহ, ইয়া মান ইউরসিলুর রিয়াহা বুশরান বাইনা ইয়াদাই রাহমাতিহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬৮- ইয়া মান জাআলাল আরযা মিহাদা, ইয়া মান জাআলাল জিবালা আউতাদা, ইয়া মান জাআলাশ শামসা সিরাজা, ইয়া মান জাআলাল ক্বামারা নুরা, ইয়া মান জাআলাল লাইলা লিবাসা, ইয়া মান জাআলান নাহারা মাআশা, ইয়া মান জাআলান নাউমা সুবাতা, ইয়া মান জাআলাস সামাআ বানাআ, ইয়া মান জাআলাল আশিয়াআ আযওয়াজা, ইয়া মান জাআলান নারা মিরসাদা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৬৯- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া সামিউ, ইয়া শাফিউ, ইয়া রাফিউ, ইয়া মানিউ, ইয়া সারিউ, ইয়া বাদিউ, ইয়া কাবিরু, ইয়া ক্বাদিরু, ইয়া খাবিরু, ইয়া মুজির। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭০- ইয়া হাইয়্যা কাবলা কুল্লি হায়্যি, ইয়া হাইয়্যান বা’আদা কুল্লি হায়্যি, ইয়া হাইউল্লাযি লাইসা কামিসলিহি হায়্যি, ইয়া হাইউল্লাযি লা ইউশারিকুহু হাই, ইয়া হাইউল্লাযি লা ইয়াহতাজু ইলা হায়্যি, ইয়া হাইউল্লাযি ইউমিতু কুল্লা হায়্যি, ইয়া হাইউল্লাযি ইয়ারযুক্বু কুল্লা হায়্যি, ইয়া হাইয়্যান লাম ইয়ারিসিল হায়াতা মিন হায়্যি, ইয়া হাইউল্লাযি ইউহয়িল মাউতা, ইয়া হাইয়্যু ইয়া কাইয়্যুম, লা তাখুযুহু সিনাতুন ওয়ালা নাউম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭১- ইয়া মাল লাহু যিকরুল লা ইউনসা, ইয়া মাল লাহু নুরুল লা ইউতফা, ইয়া মাল লাহু নিয়ামুল লা তুআদ্দ, ইয়া মাল লাহু মুলকুল লা ইয়াযুল, ইয়া মাল লাহু সানাউল লা ইউহসা, ইয়া মাল লাহু জালালুল লা ইউকাইয়্যাফ, ইয়া মাল লাহু কামালুল লা ইউদরাক, ইয়া মাল লাহু কাযাউল লা ইউরাদ্দ, ইয়া মাল লাহু সিফাতুল লা তুবাদ্দাল, ইয়া মাল লাহু নুউতুল লা তুগাইয়্যার। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭২- ইয়া রাব্বাল আলামিন, ইয়া মালিকি ইয়াউমিদ্দিন , ইয়া গায়াতাত তালিবিন, ইয়া যাহরাল লাজিন, ইয়া মুদরিকাল হারিবিন, ইয়া মাই ইউহিব্বুস সাবিরিন, ইয়া মাই ইউহিব্বুত তাওয়্যাবিন, ইয়া মাই ইউহিব্বুল মুতা তাহহ্যিরিন, ইয়া মাই ইউহিব্বুল মুহসিনিন, ইয়া মান হুয়া আ’লামু বিল মুহতাদিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭৩- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া শাফিক্বু, ইয়া রাফিক্বু, ইয়া হাফিযু, ইয়া মুহিতু, ইয়া মুক্বিতু, ইয়া মুগিসু, ইয়া মুইযযু, ইয়া মুযিললু, ইয়া মুবদিউ, ইয়া মুয়্যিদ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭৪- ইয়া মান হুয়া আহাদুন বিলা যিদ্দ, ইয়া মান হুয়া ফারদুন বিলা নিদ্দ, ইয়া মান হুয়া সামাদুন বিলা আইব, ইয়া মান হুয়া ওয়িতরুন বিলা কাইফ, ইয়া মান হুয়া কাযিন বিলা হাইফ, ইয়া মান হুয়া রাব্বুন বিলা ওয়াযির, ইয়া মান হুয়া আযিযুন বিলা যুল্ল, ইয়া মান হুয়া গানিয়্যুন বিলা ফাক্বর, ইয়া মান হুয়া মালিকুন বিলা আযল, ইয়া মান হুয়া মাউসুফুন বিলা শাবিহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭৫- ইয়া মান যিকরুহু শারাফুল লিয যাকিরিন, ইয়া মান শুকরুহু ফাওযুল লিশ শাকিরিন, ইয়া মান হামদুহু ইযযুল লিল হামিদিন, ইয়া মান তায়াতুহু নাজাতুল লিল মুতিয়্যিন, ইযা মান বাবুহু মাফতুহুল লিত তালিবিন, ইয়া মান সাবিলুহু ওয়াযিহুল লিল মুনিবিন, ইয়া মান আয়াতুহু বুরহানুল লিন নাযিরিন, ইয়া মান কিতাবুহু তাযকিরাতুল লিল মুত্তাক্বিন, ইয়া মান রিযকুহু উমুমুল লিত তায়িয়িন ওয়াল আসিন, ইয়া মান রাহমাতুহু ক্বারিবুম মিনাল মুহসিনিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭৬- ইয়া মান তাবারাকাসমুহু, ইয়া মান তায়ালা জাদ্দুহ, ইয়া মাল লা ইলাহা গায়রুহ, ইয়া মান জাল্লা সানাউহ, ইয়া মান তাদ্দাসাত আসমাউহ, ইয়া মাই ইয়াদুমু বাক্বাউহ, ইয়া মানিল আযামাতু বাহাউহ, ইয়া মানিল কিবরিয়াউ রিদাউহ, ইয়া মান লা তুহসা লাউহ, ইয়া মান লা তুআদ্দু নাআমাউহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭৭- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া মুয়িনু, ইয়া আমিনু, ইয়া মুবিনু, ইয়া মাতিনু, ইয়া মাকিনু, ইয়া রাশিদু, ইয়া হামিদু, ইয়া মাজিদু, ইয়া শাদিদু, ইয়া শাহিদ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭৮- ইয়া যাল আরশিল মাজিদ, ইযা যাল কাওলিস সাদিদ, ইয়া যাল ফি’লির রাশিদ, ইয়া যাল বাতশিশ শাদিদ, ইয়া যাল ওয়াদি ওয়াল ওয়ায়িদ, ইয়া মান হুয়াল ওয়ালিয়্যুল হামিদ, ইয়া মান হুয়া ফায়্যালুল লিমা ইউরিদ, ইয়া মান হুয়া ক্বারিবুন গায়রু বায়িদ, ইয়া মান হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন শাহিদ, ইয়া মান হুয়া লাইসা বি যাল্লামিল লিল আবিদ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৭৯- ইয়া মান শারিকা লাহু ওয়ালা ওয়াযির, ইয়া মান লা শাবিহা লাহু ওয়ালা নাযির, ইয়া খালিক্বাশ শামসি ওয়াল ক্বামারিল মুনির, ইয়া মুগনিয়াল বায়িসিল ফাক্বির, ইয়া রাযিক্বাল তিফলিস সাগির, ইয়া রাহিমাশ শাইখিল কাবির, ইয়া জাবিরাল আযমিল কাসির, ইয়া ইসমাতাল খায়িফিল মুস্তাজির, ইয়া মান হুয়া বি ইবাদিহি খাবিরুম বাসির, ইয়া মান হুয়া আলা কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদির। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮০- ইয়া যাল জুদি ওয়ান নিয়াম, ইয়া যাল ফাযলি ওয়াল কারাম, ইয়া খালিক্বাল লাউহি ওয়াল ক্বালাম, ইয়া বারিআয যাররি ওয়ান নাসাম, ইয়া যাল বাআসি ওয়ান নেক্বাম, ইয়া মুহলিমাল আরাবি ওয়াল আজাম, ইয়া কাশিফায যুররি ওয়াল আলাম, ইয়া আলিমাস সিররি ওয়াল হেমাম, ইয়া রাব্বাল বাইতি ওয়াল হারাম, ইয়া মান খালাক্বা আশিয়্যা মিনাল আদাম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮১- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া ফায়িলু ইয়া জায়িল, ইয়া ক্বাবিলু ইয়া কামিল, ইয়া ফাসিলু ইয়া ওয়াসিল, ইয়া আদিলু ইয়া গালিব, ইয়া তালিবু ইয়া ওয়াহিব। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮২- ইয়া মান আনআমা বি তাউলিহ, ইয়া মান আকরামা বি জুদিহ, ইয়া মান জাদা বিল লুতফিহ, ইয়া মান তাআয্যাযা বি ক্বুদরাতিহ, ইয়া মান ক্বাদ্দারা বি হিকমাতিহ, ইয়া মান হাকামা বি তাদবিরিহ, ইয়া মান দাব্বারা বি ইলমিহ, ইয়া মান তাজাওয়াযা বি হিলমিহ, ইয়া মান দানা ফি উলুওয়্যিহ, ইয়া মান আলা ফি দুনুয়্যিহ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮৩- ইয়া মাই ইয়াখলুক্বু মাই ইয়্যাশা ইয়া মাই ইয়াফআলু মাই ইয়্যাশা ইয়া মাই ইয়্যাহদি মাই ইয়্যাশা, ইয়া মাই ইউযিললু মাই ইয়্যাশা, ইয়া মাই ইউয়্যাযযিবু মাই ইয়্যাশা, ইয়া মাই ইয়াগফিরু লিমাই ইয়্যাশা, ইয়া মাই ইউইযযু মাই ইয়্যাশা, ইয়া মাই ইউযিললু মাই ইয়্যাশা, ইয়া মাই ইউসাও ওয়িরু ফিল আরহামি মাই ইয়্যাশা, ইয়া মাই ইয়াখতাসসু বি রাহমাতিহি মাই ইয়্যাশা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮৪- ইয়া মাল লাম ইয়াত্তাখিয সাহিবাতাও ওয়ালা ওয়ালাদা, ইয়া মান জাআলা লি কুল্লি শাইয়্যিন ক্বাদরা, ইয়া মাল লাই ইউশরিকু ফি হুকমিহি আহাদা, ইয়া মান জাআলাল মালায়িকাতি রুসুলা, ইয়া মান জাআলা ফিস সামায়ি বুরুজা, ইয়া মান জাআলাল আরযা ক্বারারা, ইয়া মান খালাক্বা মিনাল মায়ি বাশারা, ইয়া মান জাআলা লি কুল্লি শাইয়্যিন আমাদা, ইয়া মান আহাতা বি কুল্লি শাইয়্যিন ইলমা, ইয়া মান আহসা কুল্লা শাইয়্যিন আদাদা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮৫- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া আওয়ালু, ইয়া আখিরু, ইয়া যাহিরু, ইয়া বাতিনু, ইয়া বাররু, ইয়া হাক্কু, ইয়া ফারদু, ইয়া উয়িতরু, ইয়া সামাদু, ইয়া সারমাদ। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮৬- ইয়া খায়রা মা’রুফিন উরিফ, ইয়া আফযালা মাআবুদিন উবিদ, ইয়া আজাল্লা মাশকুরিন শুকির, ইয়া আ আযযা মাযকুরিন যুকির, ইয়া আ’লা মাহমুদিন হুমিদ, ইয়া আক্বদামা মাউজুদিন তুলিব, ইয়া আরফাআ মাউসুফিন উসিফ, ইয়া আকবারা মাক্বসুদিন ক্বুসিদ, ইয়া আকরামা মাসউলিন সুইল, ইয়া আশরাফা মাহবুবিন উলিম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮৭- ইয়া বাহিবাল বাকিন, ইয়া সাইয়্যেদাল মুতাওয়াক্কিলিন, ইয়া হাদিয়াল মুযিললিন ইয়া ওয়ালিয়াল মুমিনিন, ইয়া আনিসায যাকিরিন, ইয়া মাফযাআল মালহুফিন, ইয়া মুন্জিয়াস সাদিক্বিন, ইয়া আক্বদারাল ক্বাদিরিন, ইয়া আলামাল আলামিন, ইয়া ইলাহাল খালক্বি আজমাইন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮৮- ইয়া মান আলা ফাক্বাহার, ইয়া মান মালাকা ফাক্বাদার, ইয়া মান বাতানা ফাখাবার, ইয়া মান উবিদা ফাশাকার, ইয়া মা উসিয়া ফাগ্বাফার, ইয়া মান লা তাহওয়িহিল ফিকার, ইয়া মান লা ইউরিকুহু বাসার, ইয়া মান লা ইখফা আলাইহি আসার, ইয়া রাযিক্বাল বাশার ইয়া মুক্বাদ্দিরা কুল্লি ক্বাদির। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৮৯- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া হাফিযু, ইয়া বারিউ, ইয়া যারিউ, ইয়া বাযিখু, ইয়া ফারিজু, ইয়া ফাতিহু, ইয়া কাশিফু, ইয়া যামিনু, ইয়া আমিরু, ইয়া নাহি। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯০- ইয়া মাল লা ইয়ালামুল গায়বা ইল্লা হু, ইয়া মাল লাই ইয়াসরিফুস সুআ ইল্লা হু, ইয়া মাল লাই ইখলাক্বুল খালক্বা ইল্লা হু, ইয়া মাল লাই ইয়াগফিরুয যাম্বা ইল্লা হু, ইয়া মাল লা ইউতিম্মুন নি’মাতি ইল্লা হু, ইয়া মাল লাই ইউক্বাল্লিবুল ক্বুলুবা ইল্লা হু, ইয়া মাল লাই ইউদাব্বিরুল আমরা ইল্লা হু, ইয়া মাল লাই ইউনাযযিলুল গাইসা ইল্লা হু, ইয়া মাল লাই ইয়াবসুতুর রিযক্বা ইল্লা হু, ইয়া মাল লাই ইউহয়িল মাউতা ইল্লা হু। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯১- ইয়া মুয়িনায যুআফা, ইয়া সাহিবাল গুরাবা, ইয়া নাসিরাল আওলিয়া, ইয়া ক্বাহিরাল আ’আদা, ইয়া রাফিয়াস সামা, ইয়া আনিসাল আসফিয়া, ইয়া হাবিবাল আতক্বিয়া, ইয়া কানযাল ফুক্বারা, ইয়া ইলাহাল আগ্বনিয়া, ইয়া আকরামাল কুরামা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯২- ইয়া কাফিয়াম মিন কুল্লি শাই, ইয়া ক্বায়িমান আলা কুল্লি শাই, ইয়া মাল লা ইউশবিহুহু শাই, ইয়া মাল লা ইয়াযিদু ফি মুলকিহি শাই, ইয়া মাল লা ইয়াখফা আলাইহি শাই, ইয়া মাল লা ইয়ান ক্বুসু মিন খাযায়িনিহি শাই, ইয়া মাল লাইসা কামসিলিহি শাই, ইয়া মাল লা ইয়াযুবু আন ইলমিহি শাই, ইয়া মান হুয়া খাবিরুম বি কুল্লি শাই, ইয়া মান ওয়াসিয়াত রাহমাতুহু কুল্লা শাই। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯৩- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া মুকরিমু, ইয়া মুতয়িমু, ইয়া মুনয়িমু, ইয়া মুগ্বনি, ইয়া মুক্বনি, ইয়া মুফনি, ইয়া মুহয়ি, ইয়া মুরযি, ইয়া মুন্জি। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯৪- ইয়া আওয়ালা কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া আখির, ইয়া ইলাহা কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া মালিকা, ইয়া রাব্বা কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া সানিয়া, ইয়া বারিয়া কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া খালিক্বা, ইয়া ক্বাবিযা কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া বাসিতা, ইয়া মুবদিয়া কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া মুইয়্যিদা, ইয়া মুনশিয়া কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া মুক্বাদ্দিরা, ইয়া মুকাওউয়িনা কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া মুহাওউয়িলা, ইয়া মান মুহিয়া কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া মুমিতা, ইয়া খালিক্বা কুল্লি শাইয়্যিউ ওয়া ওয়ারিসা। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯৫- ইয়া খায়রা যাকিরিউ ওয়া মাযকুর, ইয়া খায়রা শাকিরিউ ওয়া মাশকুর, ইয়া খায়রা হামিদিও ওয়া মাহমুদ, ইয়া খায়রা শাহিদিউ ওয়া মাশহুদ, ইয়া খায়রা দায়িউ ওয়া মাদউয়্যু, ইয়া খায়রা মুজিবিউ ওয়া মুজাব, ইয়া খায়রা মুনিসিউ ওয়া আনিস, ইয়া খায়রা সাহিবিউ ওয়া জালিস, ইয়া খায়রা মাক্বসুদিউ ওয়া মাতলুব, ইয়া খায়রা হাবিবিউ ওয়া মাহবুব। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯৬- ইয়া মান হুয়া লিমান দায়াহু মুজিব, ইয়া মান হুয়া লিমান আতায়াহু হাবিব, ইয়া মান হুয়া ইলা মান আহাব্বাহু ক্বারিব, ইয়া মান হুয়া বিমানিস তাহফাযাহু রাক্বিব, ইয়া মান হুয়া বিমান রাজাহু কারিম, ইয়া মান হুয়া বিমান আসাহু হালিম, ইয়া মান হুয়া ফি আযামাতিহি রাহিম, ইয়া মান হুয়া ফি হিকমাতিহি আযিম, ইয়া মান হুয়া ফি ইহসানিহি ক্বাদিম, ইয়া মান হুয়া বিমান আরাদাহু আলিম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯৭- আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা বিসমিকা ইয়া মুসাববিবু, ইয়া মুরাগ্বগ্বিবু, ইয়া মুক্বাল্লিবু, ইয়া মুয়াক্কিবু, ইয়া মুরাত্তিবু, ইয়া মুখাওয়্যিফু, ইয়া মুহাযয্যিরু, ইয়া মুযাক্কিরু, ইয়া মুসাখখিরু, ইয়া মুগ্বাইয়ির। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯৮- ইয়া মান ইলমুহু সাবিক্বু, ইয়া মান ওয়াদুহু সাদিক্বু, ইয়া মান লুতফুহু যাহিরু, ইয়া মান আমরুহু গ্বালিবু, ইয়া মান কিতাবুহু মুহকামু, ইয়া মান ক্বাযাউহু কায়িনু, ইয়া মান কুরানুহু মুজিদু, ইয়া মান মুলকুহু ক্বাদিমু, ইয়া মান ফাযলুহু আমিমু, ইয়া মান আরশুহু আযিম। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

৯৯- ইয়া মাল লাই ইয়াশগ্বালুহু আন সাময়ি, ইয়া মাল লাই ইয়ামনাউহু ফিয়লুন আন ফিয়্যলি, ইয়া মাল লাই ইউলহিহি ক্বাউলুন আন ক্বাউলি, ইয়া মাল লাই ইউগ্বাল্লিতুহু সুয়ালুন আন সুয়ালি, ইয়া মাল লাই ইয়াহজুবুহু শাইউন আন শাই, ইয়া মাল লাই ইউবরিমুহুল ইলহাহুল মুলিহ্যিন, ইয়া মান হুয়া গ্বায়াতুন মুরাদিল মুরিদিন, ইয়া মান হুয়া মুনতাহা হিমামিল আরিফিন, ইয়া মান হুয়া মুনতাহা তালাবিত তালিবিন, ইয়া মাল লা ইয়াখফা আলাইহি যাররাতুন ফিল আলামিন। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

১০০- ইয়া হালিমাল লা ইয়াজাল, ইয়া জাওয়াদাল লা ইয়াবখাল, ইয়া সাদিকাল লা ইউখলিফ, ইয়া ওয়াহহাবাল লা ইয়ামাল, ইয়া ক্বাহিরাল লা ইউগ্বলাব, ইয়া আযিমাল লা ইউসাফ, ইয়া আদলাল লা ইয়াহিফ, ইয়া গানিআল লা ইয়াফতাক্বির, ইয়া কাবিরাল লা ইয়াসগুর, ইয়া হাফিযাল লা ইয়াগফুল। (সুবহানাকা ইয়া লা- ইলাহা ইল্লা আনত, আল'গাওউস, আল'গাওউস, খাল্লিসনা মিনান'না-র ইয়া রাব্ব)

*মিনহাজউদ্দিন মন্ডল*
    ( সভাপতি)
*আঞ্জুমানে নাসেরানে মাহদী (আ:ফা:)*

আব্দুল আলী

                  পিতা :  ফজর আলী                  বাসস্থান : হরিপুর, উত্তর ২৪ পরগণা                   পরিচিতি : বিশিষ্ঠ কবি